| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   স্বাস্থ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতাল মানহীনসেবা, চিকিৎসক সংকট, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশসহ নানা অভিযোগের স্বর্গে রাজ্য

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ

 

মানহীনসেবা, চিকিৎসক সংকট, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশসহ নানা অভিযোগের স্বর্গে রাজ্যে পরিণত হয়েছে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল (সদর হাসপাতাল)। আর এই অভিযোগ আউট সোর্সিং এ নিয়োগ পাওয়া কর্মীদের বিরুদ্ধে। যিনি আয়ার পদে খন্ডকালীন নিয়োগ পেয়েছেন তিনি করছেন ডাটা এন্ট্রি অথবা টিকিট বিক্রির কাজ। আবার যিনি নিয়োগ পেয়েছেন ওয়ার্ডবয় পদে তিনি করছেন প্রশাসনিক কাজ। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন এতে করে যেমন জনবলের অপচয় হচ্ছে অন্যদিকে সেবাগৃহীতা পাচ্ছেনা উপযুক্ত সেবা। 

 

সূত্র বলছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে আয়া পদে খন্ডকালীন নিয়োগ পেয়েছেন নুসরাত জাহান ও মৌসুমি বেগম। তবে কোনো এক বিশেষ সুপারিশের জন্য তারা কেউ কাজ করছেন না এই পদে। নুসরাত জাহান করছেন গাইনী বিভাগে টিকেট বিতরণের কাজ। আর মৌসুমি বেগম করছেন শিশু বিভাগ (৫ম) তালায় ডাটা এন্ট্রির কাজ। তবে নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী তাদের দুজনের দায়িত্ব হাসপাতালের পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। তবে তারা সেটা না করে করছেন বিকল্প সুবিধাজনক কাজ। একই সময়ে শাহরিয়া ইসলাম সিয়াম ও আবু তালহা ওর্য়াড বয় পদে আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছেন। তাদের দায়িত্বও মূলত হাসপাতালের পরিবেশ পরিষ্কার- পরিচ্ছন্ন রাখা। কিন্তু তারা দু জনেই দায়িত্ব পালন করছেন হাসপাতালের ২০৭ নং কক্ষের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে। ব্যবহার করছেন সরকারি কম্পিউটারর ও। যা বিধিসম্মত নয়। আর এ সব জেনেশুনেও নির্বকার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

গোপনে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় শাহরিয়ার আলম সিয়াম কাজ করছেন হাসপাতালের ২০৭ নম্বর কক্ষে। তিনি এখানে মূলত করছেন দাপ্তরিক কাজ। আর আবু তালহা একই কক্ষে করছেন কম্পিউটার অপারেটরের কাজ। যেটি মূলত করার কথা একজন রাজস্বের কর্মচারীর। তারা দুজই নিয়োগ পেয়েছেন আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে। হাসপাতালের নতুন ভবনের ৪ তালা (শিশু ওয়ার্ড) সেখানে পাওয়া গেল মৌসুমী বেগমকে তিনি সেখানে করছেন ডাটা এট্রির কাজ। অথচ তার করার কথা ছিলো আয়া ( পরিস্কার- পরিচ্ছন্নতার) কাজ। একই ভবনের নিচতলায় এএনসিপিএনসি কর্ণারে পাওয়া যায় নুসরাত বেগমকে। তিনি সেখানে গর্ভবতী নারীদের দিচ্ছেন টিকেট। অথচ তিনিও সেখানে নিয়োগ পেয়েছেন আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে আয়া পোস্টে। 

কথা হয় শাহরিয়া ইসলাম সিয়ামের সাথে। তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের সব প্রশ্নশুনে তিনি বলেন,আমি এখন ব্যস্ত আছি, পরে কথা বলবো। একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করার জন্য আবু তালহা ফোন করলেও তিনি তা ধরেন নি। নুসরাত জাহানকে একাধিকবার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন ধরেন নি। অভিযোগের বিষয়ে মৌসুমি বেগম সাথে কথা বলতে তিনিও সব প্রশ্ন শুনে ফোন কেটে দেন।  

অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায় নুর নেওয়াজ আহমেদ বলেন, আমাদের হাসপাতালে লোকজনবল সংকট। তারি মধ্যে দুজনক বদলি দেয়া হয়েছে। আমরা নানা সংকটের মধ্যে কাজ করে যাচ্ছি। যারা দক্ষ তাদেরকে দাপ্তরিক কাজ করতে দেয়া হয়েছে। তা না হলে দাপ্তরিক কাজগুলো থমে যাবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, না এখানে কাইকে কোনো বাড়তি সুবিধা দেয়া হচ্ছে না।  

কুড়িগ্রাম ২ আসনের সাংসদ আতিকুর রহমান মোজাহিদ বলেন, ‘ যার যেখানে নিয়োগ তিনি সেখানে কাজ করবেন। এর বাইরে কাজ করার কোনো সুযোগ নেই। যদি কেই তা করে তাহলে তা বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতাল মানহীনসেবা, চিকিৎসক সংকট, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশসহ নানা অভিযোগের স্বর্গে রাজ্য
                                  

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ

 

মানহীনসেবা, চিকিৎসক সংকট, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশসহ নানা অভিযোগের স্বর্গে রাজ্যে পরিণত হয়েছে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল (সদর হাসপাতাল)। আর এই অভিযোগ আউট সোর্সিং এ নিয়োগ পাওয়া কর্মীদের বিরুদ্ধে। যিনি আয়ার পদে খন্ডকালীন নিয়োগ পেয়েছেন তিনি করছেন ডাটা এন্ট্রি অথবা টিকিট বিক্রির কাজ। আবার যিনি নিয়োগ পেয়েছেন ওয়ার্ডবয় পদে তিনি করছেন প্রশাসনিক কাজ। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন এতে করে যেমন জনবলের অপচয় হচ্ছে অন্যদিকে সেবাগৃহীতা পাচ্ছেনা উপযুক্ত সেবা। 

 

সূত্র বলছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে আয়া পদে খন্ডকালীন নিয়োগ পেয়েছেন নুসরাত জাহান ও মৌসুমি বেগম। তবে কোনো এক বিশেষ সুপারিশের জন্য তারা কেউ কাজ করছেন না এই পদে। নুসরাত জাহান করছেন গাইনী বিভাগে টিকেট বিতরণের কাজ। আর মৌসুমি বেগম করছেন শিশু বিভাগ (৫ম) তালায় ডাটা এন্ট্রির কাজ। তবে নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী তাদের দুজনের দায়িত্ব হাসপাতালের পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। তবে তারা সেটা না করে করছেন বিকল্প সুবিধাজনক কাজ। একই সময়ে শাহরিয়া ইসলাম সিয়াম ও আবু তালহা ওর্য়াড বয় পদে আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছেন। তাদের দায়িত্বও মূলত হাসপাতালের পরিবেশ পরিষ্কার- পরিচ্ছন্ন রাখা। কিন্তু তারা দু জনেই দায়িত্ব পালন করছেন হাসপাতালের ২০৭ নং কক্ষের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে। ব্যবহার করছেন সরকারি কম্পিউটারর ও। যা বিধিসম্মত নয়। আর এ সব জেনেশুনেও নির্বকার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

গোপনে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় শাহরিয়ার আলম সিয়াম কাজ করছেন হাসপাতালের ২০৭ নম্বর কক্ষে। তিনি এখানে মূলত করছেন দাপ্তরিক কাজ। আর আবু তালহা একই কক্ষে করছেন কম্পিউটার অপারেটরের কাজ। যেটি মূলত করার কথা একজন রাজস্বের কর্মচারীর। তারা দুজই নিয়োগ পেয়েছেন আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে। হাসপাতালের নতুন ভবনের ৪ তালা (শিশু ওয়ার্ড) সেখানে পাওয়া গেল মৌসুমী বেগমকে তিনি সেখানে করছেন ডাটা এট্রির কাজ। অথচ তার করার কথা ছিলো আয়া ( পরিস্কার- পরিচ্ছন্নতার) কাজ। একই ভবনের নিচতলায় এএনসিপিএনসি কর্ণারে পাওয়া যায় নুসরাত বেগমকে। তিনি সেখানে গর্ভবতী নারীদের দিচ্ছেন টিকেট। অথচ তিনিও সেখানে নিয়োগ পেয়েছেন আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে আয়া পোস্টে। 

কথা হয় শাহরিয়া ইসলাম সিয়ামের সাথে। তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের সব প্রশ্নশুনে তিনি বলেন,আমি এখন ব্যস্ত আছি, পরে কথা বলবো। একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করার জন্য আবু তালহা ফোন করলেও তিনি তা ধরেন নি। নুসরাত জাহানকে একাধিকবার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন ধরেন নি। অভিযোগের বিষয়ে মৌসুমি বেগম সাথে কথা বলতে তিনিও সব প্রশ্ন শুনে ফোন কেটে দেন।  

অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায় নুর নেওয়াজ আহমেদ বলেন, আমাদের হাসপাতালে লোকজনবল সংকট। তারি মধ্যে দুজনক বদলি দেয়া হয়েছে। আমরা নানা সংকটের মধ্যে কাজ করে যাচ্ছি। যারা দক্ষ তাদেরকে দাপ্তরিক কাজ করতে দেয়া হয়েছে। তা না হলে দাপ্তরিক কাজগুলো থমে যাবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, না এখানে কাইকে কোনো বাড়তি সুবিধা দেয়া হচ্ছে না।  

কুড়িগ্রাম ২ আসনের সাংসদ আতিকুর রহমান মোজাহিদ বলেন, ‘ যার যেখানে নিয়োগ তিনি সেখানে কাজ করবেন। এর বাইরে কাজ করার কোনো সুযোগ নেই। যদি কেই তা করে তাহলে তা বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি ॥ দুই শিশুর মৃত্যু রূপগঞ্জে হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ১৫ শিশু ভর্তি
                                  

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ): প্রতিনিধি 

 

নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত ১৫ দিনে হামের লক্ষণ নিয়ে অর্ধশতাধিক শিশু হাসপাতালে এসেছে। গত সোমবার সকাল ৯টা থেকে গতকাল ২এপ্রিল বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা পর্যন্ত ১৫ শিশু ভর্তি করা হয়। গত বুধবার বিকেলে ৮ শিশুকে চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা পর্যন্ত ভর্তি রয়েছে ৭ শিশু। তাদের হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতালে হামের লক্ষণ থাকা ও আক্রান্ত শিশুদের ভর্তি করা হচ্ছে। হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধিতে অভিভাবকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন। আগামী ৫এপ্রিল রবিবার হামের জরুরী টিকাদান শুরু হবে জেনে রোগীর অভিভাবকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত ৩০মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হয়েছে ২২ শিশু। 

এছাড়া হামের লক্ষণ নিয়ে গত ২৪মার্চ রূপগঞ্জ উপজেলার মুড়াপাড়া ইউনিয়নের মাছিমপুর বাড়ইপাড়া এলাকার রকির ছেলে আরিয়ান ইসলাম ঢাকার শহিদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় মারা যায়। গত ১৯মার্চ ঢাকার মহাখালী উদরাময় হাসপাতাতলে মারা যায় কায়েতপাড়া ইউনিয়নের চনপাড়া এলাকার এক বছর বয়সী নুহাশ। 

গতকাল ২এপ্রিল বৃহস্পতিবার রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামের লক্ষণ নিয়ে ৭জন শিশু ভর্তি রয়েছে। তারা হচ্ছে রূপগঞ্জের মাহমুদাবাদ গ্রামের ফয়সালের মেয়ে ফাতিহা(২), পূবেরগাঁও গ্রামের সোহেল আহম্মদের ছেলে দিহান(১০), মঙ্গলখালী গ্রামের আল-আমিনের ছেলে মিনহা(৮), মাসাবো গ্রামের মামুন হাসানের ছেলে হাসিম(৪), পাড়াইন গ্রামের হাফিজুল ইসলামের মেয়ে হাফসা আক্তার(৮), চনপাড়া গ্রামের রাব্বির ছেলে এক বছর বয়সী রাইয়ান ইসলাম, রূপগঞ্জ গ্রামের দ্বীন ইসলামের ছেলে আযান(৪)।  

রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য সহকারী এসোসিয়েশনের সভাপতি মাকসুদুল হাসান মতিন বলেন, স্বাস্থ্য সহকারীরা নিজ নিজ এলাকায় প্রতিদিন হামের লক্ষণকৃত শিশুদের খুঁজে বের করে হাসপাতালে নিয়ে আসছে। তাদের চিকিৎসাও দেওয়া হচ্ছে।  

রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আইভি ফেরদৌস বলেন, হাম রোগীদের চিকিৎসায় আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। সেখানে মেডিকেল টিম গঠন করে চিকিৎসা চলছে। হাম সংক্রমণ ব্যাধি হলেও আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। অভিভাবকদের সচেতন থাকতে হবে। হামে আক্রান্ত শিশুকে অন্য শিশুদের কাছ থেকে আলাদা রাখতে হবে। শিশুদের ভিটামিনযুক্ত খাবার দিতে হবে। 

গত ১৭ মার্চ থেকে হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হওয়া শিশুদের মধ্যে ২০টি শিশুর নমুনা সংগ্রহ করে চিকিৎসা চলছে। নমুনা সংগ্রহ করে ন্যাশনাল পোলিও অ্যান্ড মিজেলস ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়। এর মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ২০টি নমুনার পরীক্ষার ফলাফলের মধ্যে মধ্যে ১৫টি শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়।

নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডা. মশিউর রহমান বলেন, আক্রান্ত শিশুদের ৮০ শতাংশই ৯ মাসের নিচে বয়স। তাদের হামের টিকা নেওয়ারই সময় হয়নি এখনো। বাকি শিশুদের মধ্যে ১০ শতাংশ ১ ডোজপ্রাপ্ত এবং বাকি ১০ শতাংশ ২ ডোজপ্রাপ্ত। পরিস্থিতি সামলাতে ইতিমধ্যে সব ধরণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

 নারায়ণগঞ্জ-১(রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু বলেন, হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে নারায়ণগঞ্জ জেলায় বর্তমানে ৭৫হাজার ডোজ হাম টিকা মজুদ রয়েছে। এসব টিকা পর্যায়ক্রমে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ও শিশুদের মধ্যে প্রয়োগের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সরকারি স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে রূপগঞ্জের ৪১টি কমিউনিটি ক্লিনিক, দুইটি ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র সচল ও রোগী পরিবহনে নৌ অ্যাম্বুলেন্স ব্যবস্থা করা হবে। হাম নিয়ে একটি পক্ষ আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। অভিভাবকদের আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকদের পরামর্শ নিতে হবে। তিনি রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক কার্যক্রম, রোগীদের চিকিৎসা সেবা, ওষুধ সরবরাহ ও হামের টিকাদান কার্যক্রমের অগ্রগতির সম্পর্কে নিয়োমিত খোঁজ খবর নিচ্ছেন।

বরগুনায় টাকা ছাড়া মিলছেনা ওষুধ,যে কমিনিউটি ক্লিনিকে।
                                  

আমতলী(বরগুনা)প্রতিনিধি:- 

 

বরগুনার আমতলী উপজেলার ২নং কুকুয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের কমিউিনিটি ক্লিনিকে সিএইচ সিপি রিমা আক্তারের বিরুদ্ধে রোগীদের সাথে খারাপ আচরণ হুমকি-ধামকি ও টাকা নিয়ে ঔষধ দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে ।কুকুয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের মো: কুদ্দুস আকন আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর মঙ্গলবার লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

 

অভিযোগে জানা যায়।গত ২ নভেম্বর তারিখ মো. কুদ্দুস আকন তার এলার্জি জ্বর ও কাশির জন্য ঔষধ আনিতে গেলে সরকারী বিধি মোতাবেক ৫ টাকা নেওয়ার বিধান থাকলেও তাকে ১০০- টাকা না দিলে ঔষধ দিবেনা বলে জানিয়ে দেয় । ভুক্তভোগি কুদ্দুস আকন এ বিষয় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের উচ্চমহলের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন। 

 

এ বিষয় অভিযুক্ত সিএইচ সি পি রিমা আক্তার তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বিকার করেন।

 

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কর্মকর্তা ডাঃ চিন্ময় হাওলাদার বলেন,তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রোকনুজ্জামান খান মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রূপগঞ্জের তারাবো পৌরসভা নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র এডিবির প্রতিনিধি দলের পরিদর্শন
                                  

মো: রাসেল মোল্লা 

 

নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভায় আরবান প্রাইমারি হেলথ প্রকল্প এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাংকের(এডিবির) প্রতিনিধি দল পরিদর্শন করেছে। গতকাল ১০অক্টোবর শুক্রবার এ প্রকল্পের আওতায় থাকা দুইটি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র তারা পরিদর্শন করেন। পরে তারাবো পৌরসভা মিলনায়তনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা। 

সভায় বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব রিয়াজুল মাকসুদ জাহেদী, তারাবো পৌরসভার প্রশাসক ও রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম, জাপান এডিবির নির্বাহী পরিচালক সিজিও সিমিজো, এডিবির কান্ট্রি পরিচালক হো ইয়ান জিয়োং স্টিভ প্রমুখ। 

সভায় বক্তারা বলেন, গ্রামের মানুষ এখনো স্বাস্থ্য সচেতন নয়। তারাবো পৌরসভার শিল্প কারখানার শ্রমিক ও নিম্নআয়ের মানুষ এডিবির অর্থায়নে স্থাপন করা আরবান প্রাইমারি হেলথ প্রকল্পের নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে নামমাত্র মূল্যে চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে। আরবান প্রাইমারি হেলথ প্রকল্প সারাদেশে চালু করা হলে দেশের নিম্নআয়ের মানুষ আরো উপকৃত হবে। 

রিপোর্ট 

নির্বাহী সম্পাদক 

দৈনিক নতুন বাজার৭১.নেট

টাইফয়েড টিকা পাবে ঠাকুরগাঁওয়ে ৪ লাখের বেশি শিশু
                                  

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ

 

টাইফয়েড জ্বর থেকে শিশুকে সুরক্ষিত রাখতে সরকারের ইপিআই কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী আগামী ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হবে টিকাদান ক্যাম্পেইন।

 

বৃহস্পতিবার (০৯ অক্টোবর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সিভিল সার্জন কার্যালয়ে সাংবাদিক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় এ তথ্য জানান সিভিল সার্জন আনিছুর রহমান।

 

তিনি বলেন, জন্মসনদ দিয়ে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সি সকল শিশু এবং প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি ও সমমান পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ১ ডোজ করে টাইফয়েড টিকা দেয়া হবে। এবং যাদের জন্মসনদ নেই এবং স্কুলে যায় না এমন শিশুদের তাৎক্ষণিক হোয়াইট তালিকার মাধ্যমে এই টিকা দেয়া হবে। 

 

এই টিকাদান ক্যাম্পেইন আগামী ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ১৮ কার্যদিবস পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে। ঠাকুরগাঁও জেলায় এবার ৪ লাখ ২০ হাজার ৮২২ জন শিশুকে এই টিকার আওতায় আনা হবে।

 

এই ওরিয়েন্টেশনে সিভিল সার্জন আনিছুর রহমান, ডাঃ আবুল বাশার মোহাম্মদ সাইদুজ্জামান, মেডিকেল অফিসার ইফতেখাইরুল ইসলাম সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদ কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

টাইফয়েড টিকা পাবে ঠাকুরগাঁওয়ে ৪ লাখের বেশি শিশু
                                  

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ

 

টাইফয়েড জ্বর থেকে শিশুকে সুরক্ষিত রাখতে সরকারের ইপিআই কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী আগামী ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হবে টিকাদান ক্যাম্পেইন।

 

বৃহস্পতিবার (০৯ অক্টোবর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সিভিল সার্জন কার্যালয়ে সাংবাদিক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় এ তথ্য জানান সিভিল সার্জন আনিছুর রহমান।

 

তিনি বলেন, জন্মসনদ দিয়ে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সি সকল শিশু এবং প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি ও সমমান পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ১ ডোজ করে টাইফয়েড টিকা দেয়া হবে। এবং যাদের জন্মসনদ নেই এবং স্কুলে যায় না এমন শিশুদের তাৎক্ষণিক হোয়াইট তালিকার মাধ্যমে এই টিকা দেয়া হবে। 

 

এই টিকাদান ক্যাম্পেইন আগামী ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ১৮ কার্যদিবস পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে। ঠাকুরগাঁও জেলায় এবার ৪ লাখ ২০ হাজার ৮২২ জন শিশুকে এই টিকার আওতায় আনা হবে।

 

এই ওরিয়েন্টেশনে সিভিল সার্জন আনিছুর রহমান, ডাঃ আবুল বাশার মোহাম্মদ সাইদুজ্জামান, মেডিকেল অফিসার ইফতেখাইরুল ইসলাম সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদ কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কপিলমুনির নগর শ্রীরামপুর জিয়া হেলথ কেয়ার সেন্টারে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প (৬ আগস্ট) বুধবার                       
                                  

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:-

 

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনির নগর শ্রীরামপুর গ্রামে জিয়া প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সেন্টারে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী বুধবার (৬ আগস্ট) এই চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে।চোখের যে কোন দৃস্টিগত সমস্যার ফ্রি চিকিৎসা,ছানি অপারেশন ও ঔষধ বিতরণ করা হবে।সাইটসেভার্স -এর অর্থায়নে ব্র্যাক ও খুলনা বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের অভিজ্ঞ-বিশেষজ্ঞ ডাক্তার-নার্সদের সমন্বয়ে গঠিত ১২ জনের মেডিকেল টিম চক্ষু রোগীদের চক্ষু চিকিৎসা প্রদান ও ছানি রোগী বাছাই করবেন।বাছাই করা রোগীদের পর্যায়ক্রমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন করা হবে। ছানি অপারেশনের পর কালো চশমা ও ১ মাসের ঔষধ বিনামূল্যে প্রদান করা হবে।৬ আগস্ট সকাল ৯ টা থেকে বেলা ১ টা পর্যন্ত চলবে এই ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প। বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পের সার্বিক তত্ত্বাবধান করবেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা-বাসস চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের বিশেষজ্ঞ পরীক্ষক, দৈনিক ইত্তেফাকের যুগ্ম-সম্পাদক আনোয়ার আলদীন।জিয়া প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সেন্টারের পক্ষ থেকে চক্ষু চিকিৎসা সেবা গ্রহনে আগ্রহী পাইকগাছা-কয়রার রোগীদের সকাল ৯ টার মধ্যে মোবাইল নাম্বার সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হচ্ছে।

রূপগঞ্জে ভেজাল ঔষধ বিক্রয়ের প্রতিবাদে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত
                                  

মো: রাসেল মোল্লা 

 

ঔষধ ও কসমেটিকস আইন-২০২৩ অনুযায়ী নকল, ভেজাল, মেয়াদ উত্তীর্ণ ও প্রেসক্রিপশন ব্যতীত এন্টিবায়োটিক ঔষধ বিক্রয়ের প্রতিবাদে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৯জুলাই মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার মেডি স্কয়ার হাসপাতাল এন্ড ডায়াগোনস্টিক সেন্টার লিমিটেডে সভা অনুষ্ঠিত হয়। ঔষধ প্রশাসন নারায়ণগঞ্জ ও স্থানীয় ঔষধ ব্যবসায়ী কর্তৃক আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা ঔষধ প্রশাসনের উপ-পরিচালক হোসেন মোঃ ইমরান। 

সভায় বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ জেলা ড্রাগ সুপার মোঃ সাইফুল্লাহ মামুন, মেডি স্কয়ার হাসপাতালের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন ভুঁইয়া, ভাইস চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান, ডাঃ সেলিম মোল্লা, মীর শফিকুল ইসলাম প্রমুখ। 

সভায় বক্তারা বলেন, ঔষধ ব্যবসায়ীদের নকল ও ভেজাল ঔষধ বিক্রয়ের প্রতিবাদ এবং এ ধরণের কাজ থেকে সকলকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়।

রিপোর্ট 

নির্বাহী সম্পাদক 

দৈনিক নতুন বাজার ৭১.নেট

দিনজপুরর নবাবগঞ্জ উপজলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্স নানা সমস্যায় জর্জরিত
                                  

সাজেদুল ইসলাম সাগর

দিনাজপুর প্রতিনিধি 

 

দিনাজপুরর নবাবগঞ্জ উপজলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্স নানা সমস্যায় জর্জরিত হয় পড়ছ। চিকিৎসকসহ বিভিন পদ জনবল সংকট, শয্যা স্বল্পতা, যন্ত্রাংশ অচল, বদ্যুতিক সমস্যাসহ নানা সমস্যা দখা দিয়ছ কমপ্লক্সটিত। স্বাস্থ্য কমপ্লক্সর এনসিডি কর্ণার গিয় দখা যায়, সবিকারা রাগীদর রক্তচাপ আর ডায়াবটিস পরীক্ষা কর ওষুধ দিছন। সখান কান চিকিৎসক নই। ফার্মসিত একজন সবিকা রাগীদর ওষুধ সরবরাহ করছন। ভবন আলট্রাসনাগ্রাম মশিন থাকলও তা বন্ধ রয়ছ। এভাব কমপ্লক্সটিত চিকিৎসা সবা কার্যক্রম চলছ। ফল এলাকাবাসী কাখিত চিকিৎসা সবা থক বঞ্চিত হছ। বিষয়টি নিয় কমপ্লক্স অতিরিক্ত দায়িত্ব থাকা উপজলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তানভীর হাসনাত রবিন জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লক্সটি ৩১ শয্যা বিশিষ্ট। ৫০ শয্যায় উনিতকরণ অবকাঠামা নির্মাণ হলও তা চালু হয়নি। রাগী বশি হলও ৩১ জনর বশি বরাদ্দ ব্যবহারর সুযাগ নই। চিকিৎসকসহ অন্যান্য পদ জনবল সংকট তা আছই। তিনি আরও জানান, বিদ্যুৎ চল গল অন্ধকার হয় যায়। জনারটর থাকলও তল বরাদ্দ নই। ২টি আইপিএস থাকল বিদ্যুৎ সমস্যার কিছুটা হলও সমাধান হতা। সমস্যা রয়ছ পর্যাপ্ত ফ্যানরও। আর আলট্রানাগ্রাম মশিনটি চিকিৎসক অভাব একদিক যমন বন্ধ রয়ছ তমনি সটির প্রিটারও খারাপ। সংশ্লিষ্ট বিভাগর কর্মকর্তা ও স্থানীয় উপজলা প্রশাসনর সহযাগিতায় এসব সমস্যা সমাধানর চষ্টা চালিয় যাওয়া হছ। গ্রামীণ জনপদর মানুষর চিকিৎসা সবা প্রদান কমপ্লক্সটিত চিকিৎসকসহ বিভিন পদ জনবল দয়াসহ সকল সমস্যার সমাধান কর চিকিৎসা সবা নিশ্চিত করত সংশ্লিষ্ট বিভাগর উর্ধতন কর্তপক্ষর দষ্টি আকর্ষণ করছন এলাকাবাসী।

বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ সামন্ত লাল সেন
                                  

দিনাজপুর প্রতিনিধি :

 

গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার ৫০ শষ্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছেন।

 

 

 

 

 

মন্ত্রী ১৩ জুলাই শনিবার দুপুরে বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ উপস্থিত হয়ে দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জাকারিয়া জাকা, বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফজলে এলাহী, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো: মহসিন আলী হাসপাতালের বিভিন্ন ইউনিট ঘুরে রোগী, চিকিৎসক-নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সার্বিক খোঁজ-খবর নেন। তিনি প্রায় ৪০ মিনিট যাবত হাসপাতলে অবস্থান নেন।

 

 

 

 

 

এসময় তার সফর সঙ্গী হিসেবে স্বাস্থ্য সচিব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, রংপুর বিভাগ (স্বাস্থ্য) পরিচালক ডাঃ এ.বি.এম আবু হানিফ, দিনাজপুর সিভিল সার্জন ডাঃ এ.এইচ.এম বোরহন-উল-ইসলাম সিদ্দিকী সঙ্গে ছিলেন।

 

 

 

 

 

মন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে সমগ্র বীরগঞ্জে গত ৩ দিন ধরে চলছিল সাজ সাজ রব, ব্যপক উৎসাহ উদ্দিপনা, পুলিশ এবং উপজেলা প্রশাসন ছিল সজাগ, গ্রহন করেছিল কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল দৃষ্টান্ত।

 

 

 

 

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে কার্ডিয়াক সেন্টার, ইমার্জেন্সি ওয়ার্ড, অ্যাডমিশন ওয়ার্ড, মাইক্রো বায়োলজি ল্যাব, বায়োকেমিস্ট্রি ল্যাব, প্যাথলজি ল্যাব ও নিরপদ ডেলিভারি ইউনিট পরিদর্শন করেন। সেখানে জরুরি বিভাগ, আইসিইউ, এইচডিইউ, সিসিইউ পরিদর্শন করেন, রোগী, রোগীর স্বজন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন। কাগজপত্র দেখেন, পরিদর্শন বহিতে স্বাক্ষর করেন, সব সময় পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের ডিউটিতে রাখার নির্দেশনা দেন।

 

 

 

 

 

এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মো: মহসিন আলী হাসপাতালটি ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যা উন্নীতকরণ, গাইনী সার্জন সহ হাসপাতালের ১০ টি প্রয়োজনীয় চাহিদার আবেদন করেন।

 

 

 

 

 

এর পুর্ব তিনি খানসামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিদর্শন করে বীরগঞ্জ উপজেলার ঝাড়বাড়িতে তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

 

 

 

 

 

বীরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনের সময় আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ আফরোজা সুলতানা লুনা, বীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মজিবুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান রাজিউর রহমান রাজু, মোঃ আতাহারুল ইসলাম চৌধুরী হেলাল, শাহিনুর রহমান চৌধুরী, জেলা পরিষদ সদস্য রোকনুজ্জামান বিপ্লব, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নুরিয়াস সাঈদ সরকার, যুব লীগের সাধারণ সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন সহ কর্মরত সকল ডাক্তার কর্মচারী ছাড়াও স্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয়, জেলা এবং উপজেলার প্রসাশনিক অফিসারগন এবং স্থানীয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ জাতীয় ভিটামিন “এ” প্লাস ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধন
                                  

মোঃ আফজাল হোসেন, 

দিনাজপুর প্রতিনিধি

 

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ জাতীয় ভিটামিন “এ” প্লাস ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধন। গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে জাতীয় ভিটামিন “এ” প্লাস ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধন করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা: মোঃ মশিউর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর ডেন্টাল সার্জেন ডা: সাজেদুর ইসলাম, সি.এইচ.সিপি ও পরিসংখ্যানবিদ সঞ্জয় কুমার রায়, উপজেলা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মোঃ সাইফুল ইসলাম, উপজেলা সেনেটারি ইন্সেপেক্টর জগদীশ চন্দ্র মহন্ত সহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সকল ডাক্তার, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ এবং সিনিয়র সকল সেবিকাবৃন্দ ও প্রিন্টমিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এবারের লোকমাত্রা ফুলবাড়ী জেলার ৭টি ইউনিয়নে ১-৫ বছর ১২হাজার ৯৬ জন শিশু, ০৬-১১ মাস ১ হাজার ৫শত ১২ জন ও ফুলবাড়ী পৌরসভায় ১-৫ বছর ৪হাজার ২শত ৮০জন শিশু, ০৬-১১ মাস ৪শত ৯২ জন শিশুকে একটি নীল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল ও লাল রঙের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খায়ানোর মধ্যদিয়ে জাতীয় ভিটামিন “এ” প্লাস ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধন করা হয়। আয়োজনে ছিলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ফুলবাড়ী দিনাজপুর। বাস্তবায়নে ছিলেন, জাতীয় পুষ্টিসেবা জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়। 

মহাখালীর ক্যানসার হাসপাতাল এখন দুর্নীতিদের আখড়ায় পরিনত
                                  

আওরঙ্গজেব কামালঃ

 

ক্যান্সার চিকিৎসা যেমন ব্যয়বহুল, তেমনি দেশে চাহিদার

তুলনায় এই মরণব্যাধির চিকিৎসাসেবাও অপ্রতুল। মানুষের চিকিৎসার একমাত্র

ভরসা জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল । আর এই হাসপাতালের

যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তা আমাদের উদ্বিগ্ন না করে পারে না। ঢাকায় জাতীয়

ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের বিরুদ্ধে নানাবিধ অভিযোগের যেন

শেষ নেই। প্রতিনিয়ত রোগীদের হয়রানী,দালাল চক্রের উৎপাত,এবং ওষধ কোম্পানীর

অত্যাচারে অতিষ্ট রোগীরা। এছাড়া হাসপাতালে ওয়ার্ড বয় থেকে শুরু করে

চিৎসকদের ব্যবহারে রোগীরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। এছাড়া চিকিৎসকরা ওষুধ

কোম্পানীর প্রতিনিধিদের সাথে চুক্তির মাধ্যমে রোগীদের হয়রানী করছে এমন

অভিযোগ উঠেছে।রাজধানীর একমাত্র সরকারি ক্যান্সার হাসপাতালে এরকম আরও নানা

অনিয়ম ও দুর্নীতি যেন চরম আকার ধারন করেছে। সব সময় লক্ষ করা যায় এই

হাসপাতালের অধিকাংশ চিকিৎসক রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে রোগীদের সাথে

খারাপ আচারন করে এবং কিছু চিকিৎসক ওষুধ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের নিয়ে বসে

খোশ গল্প করে অথচ প্রচুর রোগীর ভীড় থাকলেও তারা সে বিষয়ে তোয়াক্কা করেন

না। এবিষয়ে চিকিৎসকদের কিছু বলতে গেলে তাদেরকে নানাবিধ হুমকী ধমকী এমন কি

দালাল চক্র দিয়ে ঐ ব্যাক্তিকে নাজেহাল করেন। অথচ ‘জনগণের টাকায় তারা বেতন

পায় তারা৷ রোগীদের সাথে এরকম আচরণ করেন এবিষয়ে যেন দেখার কেহ নেই।

ডাক্তার আর নার্সদের দাপটে রোগীদের অসহায় হয়ে থাকতে হয় সব সময় ,কোনো কথা

বলা তো যায় না! আর কী বলব ভাই, এদের কুকর্ম আর অনিয়মের কথা লিখতে গেলে

যেন বলতে গেলে শেষ হবে না এমন মন্তব্য এক রোগী। সরেজমিনে যেয়ে দেখাযায়

রেডিও থ্যাপীর ফলোআপ রুম ১১৪ সেখানে বাইরে বসে আছে অসংখ্য ওষুধ কোম্পানীর

প্রতিনিধি। রোগীদের জন্য কোন চেয়ারখালী নেই। সব চেয়ার তাদের দখলে। আর

ভিতরে অনেক চিকিৎসক ওষুধ কোম্পানীর উৎকোচ নিতে ব্যস্ত কিন্ত বাইরে

রোগীদের আহাজারী। কোন রকম একটি ব্যবস্থাপত্র বাহির হলে ওষুধ কোম্পানীর

প্রতিনিধিরা তার ছবি নিতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। কারন যে পরিমান চুক্তি আসে সে

পরিমান ওষুধ চিকিৎসকরা লিখছেন কিনা।এবিষয় কথা বলতে গেলেই তেড়ে আসে

চিকিৎসকসহ দালালরা। এমন চিত্র প্রতিনিয়ত এই হাসপাতালে প্রতিটি দপ্তরে।

বাথরুম গুলি অত্যন্ত নোংড়া প্রচন্ড দূরগন্ধ যেন যাওয়া উপযোগী নেই।অধিকাংশ

চিকিৎসক ও নার্সের ব্যবহারে বা খামখেয়ালী পনায় রোীদের ভোগান্তির আর শেষ

থাকে না। অনেকে ঘুরে ঘুরে চিকিৎসা না নিয়ে বাড়ী ফিরে যেতে বাধ্য হয়।

চিকিৎসকের সামনে রোগী মারা যাচ্ছে কিন্ত চিকিৎসকের এবিষয়ে কোন খেহাল নেই।

বাংলাদেশে ক্যান্সারের চিকিৎসা ব্যবস্থা যা আছে, তা একদিকে অপ্রতুল এবং

অন্যদিকে দীর্ঘ মেয়াদে অনেক ব্যয়বহুল। আক্রান্তদের অনেকে বলেছেন,

চিকিৎসা ব্যয় সামলাতে গিয়ে জমিজমা বিক্রি করে পরিবারগুলো নিঃস্ব হয়ে

পড়ছে। তার পর চিকিৎসকরা রোগীদের শুধু ঘোরাতে থাকে নানা বিধ পরিক্ষা

নিরিক্ষা দিয়ে রোগীদের হয়রানী করে। এছাড়া অধিকাংশ চিকিৎসকের নিজিস্ব

দালাল রয়েছে তারা রোগীদের বুঝিয়ে নিজেদের ক্লিনিক বা চেম্বারে নিয়ে যায়

এরপর শুরু হয় কসাই কারবার। আবার এদের বিরুদ্ধে কিছু লিখলে আন্দোলনের

হুমকী দেয়। বাংলাদেশের গরিব ক্যান্সার রোগীদের একমাত্র ভরসা জাতীয়

ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল। এখানে চিকিৎসা নেওয়া ছাড়া

রোগীদের আর কোন যায়গা নেই।আর সেই হাসপাতালে যদি এমন হয় তাহলে রোগীরা যাবে

কোথায়? ক্যান্সার নিয়ে গবেষণাকারী একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার ২০১৮ সালের

রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ১ লাখ ৮ হাজার মানুষ

ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। এছাড়াও, প্রতিবছর আরও প্রায় দেড় লাখ

মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। সেখানে রোগীদের কয়েকজন বলেছেন,

বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সরকারি এই হাসপাতালে খরচ কিছুটা কম। কিন্তু

লম্বা সময় ধরে সেটাও সামাল দিতে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। আর এর একমাত্র

কারন দালাল চক্র। টাকা দিলে সব হয় আর টাকা না দিলে লম্বা সময় অপেক্ষা

করতে হয়। রোগী ভর্তির ক্ষেত্রে তো আর কথা নেই। যেন সময়মতো হাসপাতালে

ভর্তি হয়ে চিকিৎসা পাওয়া আর চাদে যাওয়া সমান কথা। ভোগান্তি পোহাতে

পোহাতে রোগী ও স্বজনরা দিশেহারা হয়ে দালালদের পাতানো জালে পা দেয়।

হাসপাতারে কেমোথেরাপি দিতে মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হয় এবং রেডিও

থেরাপির সিরিয়াল পেতে ৫ মাস থেকে বছর পর্যন্ত সময় লেগে যাচ্ছে।

অপারেশনেই এরকম সময় লাগছে। ফলে রোগীরা উপয় না পেয়ে এসব দাললদের মাধ্যমে

প্রতাড়িত হচ্ছে। উল্লেখ্য,জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও

হাসপাতালের আইসিইউয়ের জন্য আটটি অত্যাধুনিক আর্টিফিশিয়াল রেসপিরেটরি

ভেন্টিলেটর (এআরভি) কেনার ১২ বছরেও তা স্থাপন না করায় চরম ক্ষোভ জানিয়ে

ছিল হাইকোর্ট। আদালত বলেছে, হাসপাতালটির চরম অব্যবস্থাপনা, দায়িত্বশীল

ব্যক্তিদের কর্তব্যে অবহেলা শুধু দুঃখজনকই নয়, তা নিন্দনীয় ও উদ্বেগের

বিষয়।

লেখক ও গভেষকঃ

আওরঙ্গজেব কামাল

সভাপতি

ঢাকা প্রেস ক্লাব

কাউনিয়ায় মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্য বিষয়ক ৩ দিন ব্যাপি মৌলিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সমাপনী
                                  

কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি ঃ 

 

কোরিয়ান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সী এর অর্থায়নে সেভ দ্যা চিলড্রেন এর কারিগরি সহায়তায় আরডিআরএস বাংলাদেশ বাস্তবায়নে মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক ৩ দিন ব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা বৃহস্পতিবার সমাপনী হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হল রুমে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে রিসোর্স পারসন হিসেবে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন জুনিয়র কনসালটেন্ট গাইনী এন্ড অবস্ ডাঃ সিনথিয়া সিদ্দিকা, আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ মোঃ সাহেদ সাব্বির, মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ সাব্বির আহমেদ, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ সাহিদুল ইসলাম, মেডিকেল অফিসার ডাঃ মিরাজুল মুহাইমিনা। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আরডিাারএস বাংলাদেশ এর অফিসার-ক্যাপাসিটি বিল্ডিং মোঃ নাজমুল হুদা ডাকুয়া এবং অফিসার-গভঃ রিলেশন এন্ড কমিউনিটি মোবিলাইজেশন মোঃ গোলাম কিবরিয়া। প্রশিক্ষণে হাতে কলমে গর্ভবতী সেবা, প্রসূতি সেবা, নবজাতকের সেবা, প্রজননতন্ত্রের রোগের সেবা, পরিবার পরিকল্পনা পদ্বতি গ্রহন/ব্যবহারজনিত পাশর্^প্রতিক্রিয়া ও জটিলতার সেবা, পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক পরামর্শ প্রদান, কাউন্সেলিং ব্যবস্থাপনা, কেএমসি, রিসাসিটেশন এবং ইমপ্লান্ট ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষন প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণের সমাপনি দিনে আলোচনা সভা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ সাদিকাতুল তাহিরিণ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপ-পরিচালক পরিবার পরিকল্পনা রংপুর ডাঃ এসএম সাইদুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন প্রত্যাশার আলো পত্রিকার সম্পাদক সারওয়ার আলম মুকুল, জুনিয়র কনসালটেন্ট গাইনী এন্ড অবস্ ডাঃ সিনথিয়া সিদ্দিকা, আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ মোঃ সাহেদ সাব্বির, মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ সাব্বির আহমেদ, আরডিআরএস বাংলাদেশ এর অফিসার-ক্যাপাসিটি বিল্ডিং মোঃ নাজমুল হুদা ডাকুয়া, অফিসার-গভঃ রিলেশন এন্ড কমিউনিটি মোবিলাইজেশন মোঃ গোলাম কিবরিয়া প্রমূখ। প্রশিক্ষণে মেডিক্যাল অফিসার, সিনিয়র স্টাফ নার্স, মিডওয়াইভস, সকল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ পরিদর্শক সহ ২৪ জন অংশগ্রহন করেন। প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত জ্ঞান ও দক্ষতার সাথে সেবা প্রদানের মাধ্যমে মাতৃমৃত্যু হার কমানো, প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারী বাড়ানো এবং এসডিজির লক্ষ্য অর্জনে অগ্রণী ভুমিকা রাখবে বলে সকল প্রশিক্ষনার্থী প্রতিশ্রæতিবদ্ধ। বক্তাগণটেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য মানসম্পন্ন মাতৃ এবং নবজাতক স্বাস্থ্য পরিষেবার গুরুত্বের প্রতি আলোকপাত করেন। প্রস‚তি ও নবজাতক মৃত্যুহার হ্রাসের জন্য তিনি সরকারি প্রতিষ্ঠানসম‚হ এবং এনজিওর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতার উপর আরও জোর দেন। তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের দ্বারা মাঠপর্যায়ে পরিচালিত কার্যক্রমগুলি ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করার প্রয়োজনীয়তা এবং যৌথ কর্ম পরিকল্পনা এবং কর্মস‚চি বাস্তবায়ন এর মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসন ও স্থানীয় সরকারকে যুক্ত করার প্রয়োজনীয়তাও ব্যক্ত করেন। 

 

ফুলবাড়ী উপজেলার চিন্তামন ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কেন্দ্রটি নির্মাণ হলেও ৩ বছরেও চালু হয়নি।
                                  

মোঃ আফজাল হোসেন, 

দিনাজপুর প্রতিনিধি

 

দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার বেতদিঘী ইউপির (চিন্তামন) ১০শয্যা বিশিষ্ট্য মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্রটি নির্মাণের ৩ বছর পার হলেও চালু হয়নি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি। ফুলবাড়ী উপজেলার বেতদিঘী ইউপি মা ও স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি নির্মাণে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয় থেকে প্রায় ৪ কোটি ২৫ হাজার টাকা নির্মাণ কাজে বরাদ্ধ দ্ওেয়ার পর স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর দিনাজপুর টেন্ডার আহবান করলে উক্ত টেন্ডারের কাজটি পেয়ে থাকেন সিরাজগঞ্জ জেলার মেসার্স পিয়াস কনসট্রাকশন । নির্মাণ কাজটির ওয়ার্ক ওর্ডার পাওয়ার পর গত ১৬/০৮/২০১৮ইং সালে এ্যাড: মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার (এমপি) চিন্তামন ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্রটি নির্মানের ভিত্তি স্থাপন করেন। ভিত্তি স্থাপনের পর থেকে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য পরিবার কল্যান এর কাজ শুরু হয়। ফুলবাড়ী উপজেলার চিন্তামন ১০ শয্যা বিশিষ্ট্য মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্রটি নির্মাণ হলেও গত ৩ বছরেও চালু হয়নি। ঠিকাদার মোঃ আনোয়ার হোসেন ১০ শয্যা বিশিষ্ট্য মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্র এবং ৩য় তলা আবাসিক ভবন নির্মাণ করার পর ভবন দুটি এখন তালাবন্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। শিশু কল্যান কেন্দ্রের নির্মাণকৃত ৩য় তলা ভবনে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় থেকে সরবরাহকৃত মালামালগুলি তালা বন্ধ অবস্থায় থাকার কারণে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। 

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার মেসার্স পিয়াস কনসট্রাকশনের সত্বাধীকারী মোঃ আনোয়ার হোসেন এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, ভবন নির্মাণ হওয়ার পর দুটি ভবন ও মালামাল ২০২২ ইং সালে দিনাজপুর জেলার পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ পরিচালক মোছাঃ মমতাজ বেগম এর নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন এখানে আমার করার কিছু নাই।

অন্যদিকে দিনাজপুর স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রউফ এর সাথে কথা বলে তিনি জানান, ভবন নির্মাণ তদারক করেছি আমি। তবে ভবন নির্মাণ হওয়ার পর ভবন দুটি ঠিকাদার মোঃ আনোয়ার হোসেন দিনাজপুর জেলার পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ পরিচালক মোছাঃ মমতাজ বেগম এর নিকট হস্তান্তর করেছেন। 

এ বিষয়ে দিনাজপুর জেলার তৎকালীন পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ পরিচালক মোছাঃ মমতাজ বেগম এর সাথে কথা বলে তিনি জানান, ঠিকাদার ভবন দুটি আমার নিকট হস্তান্তর করেছে। তবে জনবলের কারণে এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় থেকে জনবল দেওয়া হলে আমরা এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি চালু করব।

একই কথা বলেন তৎকালীন ফুলবাড়ী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মেডিকেল অফিসার ডা: মোঃ রইচ উদ্দীন এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, ঠিকাদার ভবন দুটি নিমার্নের পর দিনাজপুর উপ পরিচালক মোছাঃ মমতাজ বেগম এর নিকট হস্তান্তর করেছেন। আমি ঐ উপকেন্দ্রের দায়িত্বভার এর কোন চিঠি পাই নি। এদিকে গতকাল সোমবার দিনাজপুর জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ পরিচালক মোঃ সাইফুল ইসলাম এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তৎকালীন উপ পরিচালক মোঃ মমতাজ বেগম অবসর গ্রহণ করার পর আমি জেলার দায়িত্ব প্রাপ্ত হই। বর্তমান বেতদিঘী ইউপি মা ও স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি তে সরকারি ভাবে জনবল না থাকায় চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। জনবল দেওয়া হলে স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি চালু করা হবে। পাহারাদার মিজানুর রহমান ২০২০ ইং সাল থেকে ভবন দুটি তদারক করছেন। গত ৩ বছর ধরে তাকে বেতন দেওয়া হচ্ছে না। ঠিকাদার তার নিকট চাবি দিয়ে চলে গেছে। এখন ঠিকাদার বলছে পাহারাদারের টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। অন্যদিকে পাহারাদার মিজানু রহমান বলছেন ৩ বছর ধরে কোন বেতন পাই নি। ঠিকাদার আমাকে রাস্তায় চাবি ফেলে দিতে বলে। এই অবস্থায় পাহারাদার এখনও ভবনটি দায়িত্ব পালন করছেন। কে দিবে এই পাহারাদারের বেতন? আনাহারে অদ্যহারে দিন যাপন করছে পাহারাদার। গত ৩বছর ধরে স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রটি বন্ধ থাকায় কাঙ্খিত সেবা থেকে বি ত হচ্ছে এলাকার মানুষ। 

 

কাউনিয়ায় পুষ্টি সমন্বয় কমিটির দ্বি-মাসিক সভা
                                  

কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি ঃ 

 

রংপুরের কাউনিয়া উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির দ্বি-মাসিক সভা সোমবার পরিষদ সভা কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মনোনীতা দাস এর সভাপতিত্বে অনুষ্টিত হয়। 

ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের অর্থায়নে কেয়ার বাংলাদেশ ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কারিগরি সহায়তা ও ইএসডিও-র বাস্তবায়নে জানো প্রকল্পের সহোযোগীতায় উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির আয়োজনে সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ মীর হোসেন, উপজেলা কৃষি অফিসার শাহানাজ পারভীন, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সিঞ্চিতা রহমান, উপজেলা মৎস্য অফিসার ফারজানা আক্তার, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সামিউল আলম, এমওএমসি এইচপি ডাঃ মিনাজুল মহিমিনা, প্রত্যাশার আলো পত্রিকার সম্পাদক সারওয়ার আলম মুকুল, উপজেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার রাজু আলম, ইউএস ডিও জানো প্রকল্পে উপজেলা ম্যানেজার কল্পনা রানী, ফিল্ড অফিসার হরিদাস বর্মন প্রমূখ। সভায় জাতীয় পুষ্টি কর্ম পরিকল্পনার আলোকে উপজেলা পর্যায়ে পুষ্টি কার্যক্রম বাস্তবায়নে মূল্যয়ন ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়। 

 

রূপগঞ্জে ইউএস বাংলা মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সভা ॥ শোভাযাত্রা
                                  

মোঃ রাসেল মোল্লা 

 

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কর্ণগোপ এলাকায় অবস্থিত ইউএস বাংলা মেডিকেল কলেজের ৯ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। গতকাল ১ এপ্রিল শনিবার কলেজ প্রাঙ্গনে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল কেককাটা, শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা। কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল(অবঃ) ডাঃ মোঃ আজিজুল ইসলাম। সভায় বক্তব্য রাখেন ইউএস বাংলা গ্রুপের ডেপুটি ডিরেক্টর ও কলেজ পরিচালনা কমিটির সদস্য ডাঃ মাহবুব ঢালী, মেজর জেনারেল (অবঃ) আব্দুল মতিন, মেজর জেনারেল (অবঃ) প্রফেসর ডাঃ বিজয় কুমার সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) অধ্যাপক মোঃ সাজ্জাদুর রহমান, ডাঃ মোঃ এনায়েত করিম ও ডাঃ দেলোয়ার হোসেন মোল্লা প্রমুখ। 

পরে কেক কেটে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের রূপগঞ্জের কর্ণগোপ এলাকা শোভাযাত্রা নিয়ে তারা প্রদক্ষিণ করে।  

 

রিপোর্ট 

নির্বাহী সম্পাদক 

দৈনিক নতুন বাজার ৭১.কম


   Page 1 of 7
     স্বাস্থ্য

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম.এ মান্নান
>
নির্বাহী সম্পাদক: মো: রাসেল মোল্লা


উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি: হাজী ইউসুফ চৌধুরী নাঈম

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আজমল হোসেন বাবু, সহ সম্পাদক: কাওসার আহমেদ । প্রধান বার্তা সম্পাদক: আবু ইউসুফ আলী মন্ডল, সহকারী-বার্তা সম্পাদক শারমিন আক্তার মিলি। ফোন: বার্তা বিভাগ 01618868682- 01914220053, সম্পাদক ও প্রকাশক: 01980716232

ঠিকানাঃ বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়- নারায়ণগঞ্জ, সম্পাদকীয় কার্যালয়- জাকের ভিলা, হাজী মিয়াজ উদ্দিন স্কয়ার মামুদপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। শাখা অফিস : নিজস্ব ভবন, সুলপান্দী, পোঃ বালিয়াপাড়া, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ-১৪৬০, রেজিস্ট্রেশন নং 134 / নিবন্ধন নং 69 মোবাইল : 01731190131,E-mail- notunbazar2015@gmail.com, E-mail : mannannews0@gmail.com, web: notunbazar71.net,
    2015 @ All Right Reserved By notunbazar71.com

Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD