|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
খালেদার জন্য বিদেশের হাসপাতালে খোঁজ খবর নিচ্ছে পরিবার।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসা দেওয়ার ব্যাপারে খোঁজখবর নিচ্ছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। তাঁকে বিদেশে নিতে চেয়ে করা আবেদনে ইতিবাচক সাড়া মিলবে—এমনটাই আশা পরিবারের সদস্যদের।
খালেদা জিয়ার পরিবারের একটি সূত্র আজ শুক্রবার প্রথম আলোকে জানিয়েছে, সরকার যদি অনুমতি দেয়, তাহলে দ্রুত যাতে খালেদা জিয়াকে বাইরে নেওয়া যায়, সে জন্যই এ প্রস্তুতি। খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যরা চার দেশের হাসপাতালে খোঁজ নিচ্ছেন।দেড় মাসের বেশি সময় ধরে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় খালেদা জিয়া ঢাকায় এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মেডিকেল বোর্ডের পক্ষ থেকে অনেক দিন ধরে তাঁর লিভার প্রতিস্থাপনের জন্য বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়ে আসছে। তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন প্রথম আলোকে জানান, লিভার সিরোসিসের কারণে খালেদা জিয়ার হৃদ্যন্ত্র ও কিডনির জটিলতা বেড়েছে। তিনি হাসপাতালে কখনো কিছুটা ভালো থাকছেন, পরক্ষণেই তাঁর স্বাস্থ্যের পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে। এ কারণে তাঁকে সার্বক্ষণিক চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।এরই মধ্যে গত সোমবার খালেদা জিয়াকে স্থায়ীভাবে মুক্তি দিয়ে বিদেশে চিকিৎসা দেওয়ার অনুমতি চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার।নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা গতকাল বৃহস্পতিবার প্রথম আলোকে বলেন, খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে সোমবার আবেদন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনি মতামত জানতে চেয়ে খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দারের আবেদনটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে করা আবেদনটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। খালেদা জিয়ার ভাইয়ের আবেদনটি অল্প সময়ের মধ্যে যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে।
|
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসা দেওয়ার ব্যাপারে খোঁজখবর নিচ্ছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। তাঁকে বিদেশে নিতে চেয়ে করা আবেদনে ইতিবাচক সাড়া মিলবে—এমনটাই আশা পরিবারের সদস্যদের।
খালেদা জিয়ার পরিবারের একটি সূত্র আজ শুক্রবার প্রথম আলোকে জানিয়েছে, সরকার যদি অনুমতি দেয়, তাহলে দ্রুত যাতে খালেদা জিয়াকে বাইরে নেওয়া যায়, সে জন্যই এ প্রস্তুতি। খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যরা চার দেশের হাসপাতালে খোঁজ নিচ্ছেন।দেড় মাসের বেশি সময় ধরে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় খালেদা জিয়া ঢাকায় এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মেডিকেল বোর্ডের পক্ষ থেকে অনেক দিন ধরে তাঁর লিভার প্রতিস্থাপনের জন্য বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়ে আসছে। তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন প্রথম আলোকে জানান, লিভার সিরোসিসের কারণে খালেদা জিয়ার হৃদ্যন্ত্র ও কিডনির জটিলতা বেড়েছে। তিনি হাসপাতালে কখনো কিছুটা ভালো থাকছেন, পরক্ষণেই তাঁর স্বাস্থ্যের পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে। এ কারণে তাঁকে সার্বক্ষণিক চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।এরই মধ্যে গত সোমবার খালেদা জিয়াকে স্থায়ীভাবে মুক্তি দিয়ে বিদেশে চিকিৎসা দেওয়ার অনুমতি চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার।নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা গতকাল বৃহস্পতিবার প্রথম আলোকে বলেন, খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে সোমবার আবেদন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনি মতামত জানতে চেয়ে খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দারের আবেদনটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে করা আবেদনটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। খালেদা জিয়ার ভাইয়ের আবেদনটি অল্প সময়ের মধ্যে যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে।
|
|
|
|
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ওয়ান-ইলেভেনের অসাংবিধানিক ও অবৈধ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ২০০৭ সালের এই দিনে বেআইনি ও অযৌক্তিকভাবে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে কারাবন্দি করে। সেদিন শুধু শেখ হাসিনাকে অবরুদ্ধ করা হয়নি, অবরুদ্ধ করা হয়েছিল দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের স্বাধীনতাকে।রোববার (১৬ জুলাই) আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস উপলক্ষে এক বিবৃতিতে একথা বলেন তিনি।কাদের বলেন, ‘আজ বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার কারাবন্দি দিবস। ওয়ান-ইলেভেনের অসাংবিধানিক ও অবৈধ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ২০০৭ সালের এই দিনে বেআইনি ও অযৌক্তিকভাবে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে কারাবন্দি করে। সেদিন শুধু শেখ হাসিনাকে অবরুদ্ধ করা হয়নি, অবরুদ্ধ করা হয়েছিল দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের স্বাধীনতা।’
২০০৭ সালের ১৬ জুলাই ভোরে বিরাজনীতিকরণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দুই হাজারের বেশি সদস্য আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির বাসভবন সুধাসদন ঘেরাও করে। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে যৌথবাহিনীর সদস্যরা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে সুধাসদন থেকে বের করে নিয়ে আসেন এবং তাকে বন্দি অবস্থায় ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করেন।
ওইদিন আদালত প্রাঙ্গণে ছিল হাজারো নেতাকর্মীর উপচেপড়া ভিড়। তবে আদালতের কার্যক্রম শুরু হওয়ার নির্ধারিত সময়ের প্রায় ২ ঘণ্টা আগেই আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার জামিন আইন বহির্ভূতভাবে নামঞ্জুর করে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট। তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা আদালতের গেটে দাঁড়িয়ে প্রায় ৩৬ মিনিটের অগ্নিঝরা বক্তৃতার মাধ্যমে তৎকালীন সরকারের হীন-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। গণতন্ত্র রক্ষায় মনোবল না হারিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।
সেই সময় দলীয় সভাপতির মুক্তির দাবিতে ২৫ লাখ গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে জমা দেয় ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ।
গ্রেফতারের আগ মুহূর্তে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দেশবাসীর উদ্দেশে একটি চিঠির মাধ্যমে দেশের জনগণ এবং আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের গণতন্ত্র রক্ষায় মনোবল না হারিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার আহ্বান জানান।
আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠন ও গণতন্ত্রপ্রত্যাশী দেশবাসীর ক্রমাগত প্রতিরোধ আন্দোলন, বঙ্গবন্ধুকন্যার আপসহীন ও দৃঢ় মনোভাব এবং দেশবাসীর অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৮ সালের ১১ জুন দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগ ও নানামুখী ষড়যন্ত্রের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। শেখ হাসিনার মুক্তির মধ্যদিয়ে এদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরায় ফিরে আসে। বিকাশ ঘটে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের।
|
|
|
|
|
ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আশরাফুল ইসলাম আলম ওরফে হিরো আলম বগুড়ার ভোটার হওয়ায় তিনি এ আসনে ভোট দিতে পারবেন না। এদিকে ভোটকেন্দ্রে তার এজেন্টদের মারধর করা এবং কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ করেছেন তিনি।নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনে যেকোনো আসন থেকে নির্বাচন করার সুযোগ আছে। তবে যেখানে ভোটার, সেই আসন ছাড়া ভোট দেয়ার সুযোগ নেই। হিরো আলম ঢাকা-১৭ আসনের ভোটার নন, তিনি বগুড়ার ভোটার। তাই তিনি এই নির্বাচনে ভোট দিতে পারছেন না।এদিকে বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে নিজের এজেন্টদের মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন হিরো আলম।
|
|
|
|
|
বিশেষ প্রতিবেদক গৌরাঙ্গ বিশ্বাস ও টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি বিপ্লব সরকার ঃ প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে (ফ্রি) রোগী দেখবেন শ্রী শ্রী পাগল রামগোপাল আশ্রমের সভাপতি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হৃদরোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ সুধীর চন্দ্র পাল। তাহার গ্রামের বাড়ি কালিহাতি পৌরসভা চাটি পাড়া গ্রামে, উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাগল রাম গোপাল আশ্রমের সহ-সভাপতি বাবু সূর্যমোহন সরকার, সাধারণ সম্পাদক বাবু কার্তিক সরকার( দয়াল) সহ-সাধারণ সম্পাদক প্রভাত দত্ত, কমল সাহা, কালিহাতি পৌরসভার কাউন্সিলর আবু বক্কর,জেলা শ্রমিক লীগের শিক্ষা সাহিত্যিক গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আবুল হোসেন, কালিহাতি পৌরসভা আওয়ামীলীগের সদস্য মুন্নাফ মিয়া, বাংড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আবু বক্কর, উক্ত ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠানের সমন্বয়ক তুষার পাল, গনেষ পাল কালা চাঁন দত্ত প্রমুখ।
|
|
|
|
মোঃ শহিদুল ইসলাম সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ রাজধানীর মিরপুরে মানবতাবাদী ক`জনের মধ্যে অন্যতম আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্জ্ব মোঃ গিয়াস উদ্দিন। এলাকার গণমানুষের কাছে তিনি অত্যন্ত আপন-প্রিয় মানুষ হিসেবে সমধিক পরিচিত। আসন্ন দারুসসালাম থানা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে আলহাজ্ব মোঃ গিয়াস উদ্দিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক জনপ্রিয়তা দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি কুচক্রিমহল তার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। ইতিমধ্যে উম্মে সালমা চৌধুরী রানু সহ বিভিন্নজনকে তার পেছনে লেলিয়ে দিয়ে নানা মনগড়া অভিযোগ এনেছেন তার বিরুদ্ধে। জোট সরকার আমলে ২০০১-২০০৬ সালে ৭ মামলায় এস এ খালেকের রোষানলে পড়ে জেলজুলুম, কারাবাসকৃত মোঃ গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে ঐ চক্রটি এখনো মিথ্যা অভিযোগে তুলে তাকে রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছে। ১৯৮৭ সালে মিরপুর বাঙলা কলেজ ছাত্রলীগের সাধ্যমে তার হাতেখড়ি। ১৯৯৪ সালে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী যুবলীগের অন্তর্গত ৯ নং ওয়ার্ড এর সভাপতি নির্বাচিত হয়ে ২০০৪ সাল পর্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে দ্বায়ীত্ব পালন করেন। যে মানুষটি প্রতিনিয়ত দু:স্থ অসহায় বিপদগ্রস্থ মানুষদের পাশে থেকে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা করে যাচ্ছেন যুগযুগ ধরে। এলাকার দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয়তার পাশাপাশি দু:স্থ অসহায় রোগীদের তিনি গোপনে সেবা ও সামর্থ্য অনুযায়ী আর্থিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন। ২০১৬ সালে আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহনের পর তিনি স্কুল-কলেজে লেখাপড়ার খরচ চালাতে অক্ষম শিক্ষার্থীদের পিতামাতার পাশে দাঁড়িয়েছেন আপন ভুমিকায়। ২০২০ সালে দেশে মহামারী করোনাকালে ১০ থেকে ১৫ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা নিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের মাঝে দাঁড়িয়েছেন। এছাড়া নানা প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও মহামারীতে তিনি এই অঞ্চলের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। এমনকি মসজিদ,মাদ্রাসা,এতিমখানায় তার নীরব অনুদান অব্যাহত আছে। রাজনৈতিক দুষ্কৃতি কুচক্রি মহলের সদস্যরা হয়তো ভুলে গিয়েছেন আলহাজ্ব মোঃ গিয়াস উদ্দিন দারুস সালাম থানা আওয়ামী লীগের একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি জনগণের আস্থা ও ভালোবাসাকে পুঁজি করে গরিব দুঃখী মেহনতী মানুষের দুঃসময়ের পরম বন্ধু হিসেবে পাশে রয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের এই সময়ের সাহসী সন্তান, পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও বিশিষ্ট সমাজসেবক শিক্ষানুরাগী দায়িত্বশীল মানবিক ও নৈতিক গুণাবলী সম্পন্ন আলহাজ্ব মোঃ গিয়াস উদ্দিন শুধু মাত্র একজন মানবসেবক নয় তিনি ধার্মিক,ন্যায়পরায়ণ,শিক্ষানুরাগী ও সৎচরিত্রের অধিকারী। এই অঞ্চলের স্বার্থান্বেষী চাঁদাবাজচক্র তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যাচার রটাচ্ছে যারা জানেন আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন দারুস সালাম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি হলে তাদের স্বার্থে আঘাত হানতে পারে তারা দূর্নীতি অনিয়ম ও চাঁদাবাজি করতে পারবেনা। শুধুমাত্র তারাই যোগ্য সৎ নিষ্ঠাবান মানুষটির নামে এই সকল নোংরা অপপ্রচার চালাচ্ছেন আমরা স্থানীয় সকল এলাকাবাসী এই সকল মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। সুষ্ঠু তদন্তের ভিত্তিতে ঐসকল অপপ্রচারকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের দাবি করেন তারা। আলহাজ্ব মোঃ গিয়াস উদ্দিনের সঙ্গে কথা হলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, আমি ছাত্র জীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতির সাথে জড়িত আছি। বঙ্গবন্ধুকে আমি দেখিনি; আমি তার রেখে যাওয়া আদর্শ বুকে ধারণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের একজন কর্মী হিসেবে নিজেকে সাধারণ মানুষের কাছে বিলিয়ে দিতে চাই। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কণ্যা জাতির জনকের উত্তরসূরী আমাদের রাজনৈতিক পথপ্রদর্শক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি বিশ্বাস রেখে আমি পথ চলছি। আপনার বিরুদ্ধে কারা অপপ্রচার করেন ? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল যারা দীর্ঘদিন যাবৎ চাঁদাবাজি, দখলবাজি সহ বিভিন্ন অপকর্ম করে আসছে তারাই আমাকে এবং রাজনৈতিক শক্তিকে দূর্বল করতেই নানামুখী প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। তিনি আরো বলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কন্যা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিপ্লবী সভাপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি শতভাগ বিশ্বাস ও আস্থা রেখে, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের বিপ্লবী সভাপতি জননেতা শেখ বজলুর রহমান ও সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা জননেতা এস এ মান্নান কচি ভাইয়ের নেতৃত্বে দারুস সালাম থানা আওয়ামী লীগকে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করে যাবো। আমাদের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকলে ইনশাআল্লাহ আগামীতেও ঢাকা -১৪আসনে নৌকা প্রার্থীকে বিজয়ী করতে সক্ষম হবো।
|
|
|
|
বিশেষ প্রতিবেদক গৌরাঙ্গ বিশ্বাস ও টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি বিপ্লব সরকার, সারা দেশের ন্যায় হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গন অন্বেষণ পালিত, টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা চত্বরে ২২ অক্টোবর সকাল সন্ধ্যা অনশন পালন করেন,হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। অন্বেষণ চলাকালে ৬ থেকে ৭ জন হিন্দু-বৌদ্ধ নেতা অসুস্থ হয়ে পড়েন, তাহাদের মধ্যে বাদল পাল, লক্ষণ সেন, দুলাল চন্দ্র আর্য, অবস্থা আশঙ্কাজনক। উক্ত অনুষ্ঠানে নেতৃত্ব প্রদান করেন, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বাবু গোবিন্দ চন্দ্র সাহা, সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত দত্ত( মানু) চণ্ডীচরণ তালুকদার, দুলাল চন্দ্র আর্য,সদস্য উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ,।এলেঙ্গা পৌরসভার সভাপতি অক্ষয় কুমার ভৌমিক,সাধারণ সম্পাদক সুকুমার ঘোষ, প্যানেল মেয়র এলেঙ্গা পৌরসভা। প্রবাল কুমার ভট্টাচার্য (মানিক) হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কালিহাতী পৌরসভার সভাপতি সুশান্ত ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক গোবিন্দ ঘোষ, এলেঙ্গা পৌরসভার নারীনেত্রী কল্পনা রানী দে, এডভোকেট নারায়ন চন্দ্র দাস, কোষাধক্ষ্য লক্ষণ সেন, উৎপল দত্ত, হারাধন ভৌমিক, প্রভাত বিশ্বাস, সাধন সাহা চৌধুরী, সুশান্ত ঘোষ, সনৎ সাহা চৌধুরী, তাপস চক্রবর্তী, প্রণব কুমার ভট্টাচার্য (বলাই) এবং কালিহাতী জয় কালী মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক মানিক সাহা চৌধুরী। সহ শত শত নেতাকর্মী এই গণ-অনশনে অংশগ্রহণ করে।
|
|
|
|
|
মোঃ শাকিল আহমেদ, বরগুনা।
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক শেখ রাসেল দিবস ২০২২ উদযাপন করা হয়েছে।
এউপলক্ষ্যে গত কাল ১৮ অক্টোবর সাকালে উপজেলা পরিষদ কার্যালয় থেকে একটি র্যালি বের করা হয়।
র্যালির নেতৃত্ব দেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কবির, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুফল চন্দ্র গোলদার, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা টিএম শাহআলম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাতিমা পারভীন,জেলা পরিষদের নব-নির্বাচিত সদস্য মোঃ এনামুল হোসাইন,পিআইও মোখছেদুল আলম পৌরমেয়র আনোয়ার হোসেন আকন ও পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড কাউন্সিলরগন।
এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের অফিসার বৃন্দ, বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থী গন সহ বিভিন্ন পেশাজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
নানা প্রতিপাদ্যের মধ্যে ছিলো শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন,শোভাযাত্রা,শেখ রাসেলের জীবনের ওপরে আলোচনা,বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা,কেক কাটা সহ দিনভর নানান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটির কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হয়।।
|
|
|
|
|
গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।স্টাফ রিপোর্টার।। ঠাকুরগাঁওয়ে বালিয়াডাঙ্গীতে উপজেলা প্রশাসন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আয়োজনে বুধবার সকালে জাতীয় স্যানিটেশন মাস অক্টোবর ২০২২ ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস ২০২২ উদযাপন উপলক্ষে র্যলি ও আলোচনা সভা জাঁকজমক পূর্ণ ভাবে পালিত হয়েছে। সে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপুল কুমার রায়,উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃআলী আসলাম জুয়েল,মো মমিনুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী,জনসাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর,বালিয়াডাঙ্গী ঠাকুরগাঁও,মোহাম্মদ আলী সভাপতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ,বালিয়াডাঙ্গী শাখা,ঠাকুরগাঁও,উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের অফিসার ও কর্মচারী বৃন্দ,সাংবাদিক ও বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক,ছাত্র ছাত্রী,এনজিও প্রতিনিধি বৃন্দ ও সুধিবৃন্দ প্রমুখ।
|
|
|
|
জামালপুর প্রতিনিধি জামালপুরের বকশীগঞ্জে উপজেলা জাতীয় পার্টির নতুন কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) বিকালে বকশীগঞ্জ উত্তর বাজার এলাকায় নতুন কার্যালয় উদ্বোধন উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহিফল অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা জাতীয় পার্টির উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে অনুষ্ঠানে সাবেক মন্ত্রী এমএ সাত্তার, বকশীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুর রউফ তালুকদার, বীরমুক্তিযোদ্ধা মফিজ উদ্দিন, জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্য জয়নাল আবেদিন, উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি একেএম হামিদুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মানিক সওদাগর, আওয়ামী লীগ নেতা সাখাওয়াত হোসেন সাকা, বকশীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ফকরুজ্জামান মতিন, উপজেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আঃ ছামাদ, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, মেরুরচর ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি আবদুল হামিদ, নিলাখিয়া ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি হাবিবুর রহমান হবি, বাট্টাজোড় ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, উপজেলা জাতীয় পার্টির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আবদুল কাদের পেট্রোল, উপজেলা জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি খোকন আকন্দ, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সহ উপজেলা , ইউনিয়ন জাতীয় পার্টি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
|
|
মোঃ শাকিল আহমেদ, বরগুনা।
বরগুনা জেলার বামনা উপজেলায় হলতা ডৌয়াতলা ওয়াজেদ আলী খান ডিগ্রি এর যুব রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে,,
১৮ অক্টোবর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল এর জন্মদিন উপলক্ষে হলতা ডৌয়াতলা ওয়াজেদ আলী খান ডিগ্রি কলেজ যুব রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি পালন করা হয়।
সার্বিক সহযোগিতায়, বামনা উপজেলা যুব রেড ক্রিসেন্ট।
উপস্থিত ছিলেনঃ মিলন কৃষ্ণ হালদার,
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ, সহ হলতা ডৌয়াতলা ওয়াজেদ আলী খান ডিগ্রি কলেজের অন্যান্য শিক্ষা বৃন্দ।
মোঃ হাসিবুর রহমান, দলনেতা- যুব রেড ক্রিসেন্ট বামনা উপজেলা শাখা।
হৃদয় দাস-বিভাগীয় প্রধান জনসংযোগ ও পরিকল্পনা বিভাগ।
যুব রেড ক্রিসেন্ট বামনা উপজেলা শাখা। এবং হলতা ডৌয়াতলা ওয়াজেদ আলী খান ডিগ্রি কলেজ যুব রেড ক্রিসেন্টের দলনেতা মোসাঃ কামরুন্নাহার ইশা,সহ দলনেতা মোঃ গোলাম হাদি,সহ কলেজ শাখা যুব রেড ক্রিসেন্টের নেতৃবৃন্দ ও অত্র কলেজের ছাত্র ছাত্রী বৃন্দ।
|
|
|
|
|
আল আমিন রুপগঞ্জ পতিনিধি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন, রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সামাজিক সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল শহীদ শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শোভাযাত্রা আলোচনা সভা। রূপগঞ্জ উপজেলা মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. শাহজাহান ভুঁইয়া। সভায় বক্তব্য দেন- রূপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক, রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল হক, রূপগঞ্জ থানার ওসি এএফএম সায়েদ, রূপগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মো. জামাল উদ্দিন, উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা রিগ্যান মোল্লা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রফিক উদ্দিন আহম্মেদ, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার মাসুদ মজুমদার, উপেজলা আওয়ামীলীগ নেতা আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান হাবিব, নবী হোসেন, ইউপি সদস্য রেহেনা আক্তার, লাভলী আক্তার প্রমুখ। পরে শোভাযাত্রা নিয়ে তারা উপজেলা কমপ্লেক্স এলাকার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
|
|
|
|
অন্তত দুটি কারণে আমাদের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যময় ১৯৬৪ সাল। প্রথমত, পাকিস্তানি সামরিক শাসকদের বিরুদ্ধে রাজনীতিতে বাঁকবদল ঘটে এ বছর। ২৫ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বাসভবনে এক সভায় আওয়ামী লীগকে পুনরুজ্জ্বীবিত করা হয়। ১৯৫৮ সালে সামরিক আইন জারির মধ্য দিয়ে রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। ৬-৮ মার্চ ঢাকার গ্রিন রোডের আমবাগানে আওয়ামী লীগের তিন দিনব্যাপী কাউন্সিল অধিবেশনে মওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশকে সভাপতি এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে সাধারাণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। পাকিস্তানি সামরিক শাসকদের বিরুদ্ধে আন্দোলন প্রচন্ড গতি পায়। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর উদ্যোগে মিস ফাতেমা জিন্নাহর পক্ষে সম্মিলিত বিরোধী জোট (কপ) গঠিত হয়। দ্বিতীয়ত, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী শেখ ফজিলাতুন নেছা রেণুর কোল আলো করে আসে এক টুকরো চাঁদের কণা। ১৩৭১ বঙ্গাব্দ, হেমন্তের প্রথম দিন। গ্রেগরিয়ান দিনপঞ্জি অনুযায়ী- ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর, ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কের নির্মাণাধীন বাড়িতে, মধ্যরাতে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতার কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল জন্মগ্রহণ করেন। সদ্যভূমিষ্ট শিশুর মায়ামাখা চপল চাহনির নিষ্পাপ নির্মলতায় খুশির বন্যা বয়ে যায় বাড়িতে। কে তাকে কোলে নেবে, কে আদর করবে, চোখের কাজল পরাবে কে, নরম তুলতুলে গায়ে কে মাখিয়ে দেবে পাউডার- এই নিয়ে সারাদিন ব্যতিব্যস্ত সময় কাটাতে থাকে শেখ পরিবার।
বড় বোন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা এবং বড় ভাই শেখ কামাল ও শেখ জামালের নয়নের মণি হয়ে বেড়ে উঠতে থাকে শিশু রাসেল। রাতের ঘুম শেষে, পিতা মুজিবের প্রশস্ত বুকের ওপর ছোট্ট পাখির মতো শুয়ে শরীরের উষ্ণতা নিতো সে। বঙ্গবন্ধুর হৃদপিণ্ড জুড়ে প্রতিটি শ্বাসপ্রশ্বাসে ধমনীর স্পন্দনে- তখন স্বৈরাচার আইয়ুব বিরোধী স্লোগান প্রতিধ্বনিত হচ্ছিলো। সামরিক স্বৈরশাসকের গ্রাস থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য, রাজনীতির উত্তাল সাগরে আশার তরণী ভাসিয়ে প্রচণ্ড ব্যস্ত সময় পার করছিলেন বঙ্গবন্ধু। দেশের তরুণপ্রজন্মের নিউরনজুড়ে তখন মুক্তির স্বপ্ন ডানা মেলতে শুরু করেছিল, ঠিক এরকম একটি সময়ে ছোট্ট রাসেলের মুখেও আধো আধো বুলি ফুটতে শুরু করে।
একপর্যায়ে, ১৯৬৬ সালে বাঙালির মুক্তির সনদ ছয় দফা ঘোষণা করেন বঙ্গবন্ধু। এরপর দেশের আনাচে কানাচে গণমানুষের কাছে গিয়ে বোঝাতে থাকেন সোনার বাংলা শ্মশান কেন? বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে ছাত্র-শ্রমিক-কৃষকসহ আপামর জনতার বাঁধভাঙা জোয়ার দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে পাকিস্তানি জান্তারা। ৮ মে রাতে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে দীর্ঘ মেয়াদের জন্য জেলে রাখে তারা। ঘুম থেকে উঠে আর পিতাকে খুঁজে পায় না ছোট্ট রাসেল সোনা।
সময়ের সাথে সাথে, বঙ্গবন্ধুর ছয়দফা সারাদেশের ঝিমিয়ে পড়া মানুষকে জাগিয়ে তুলতে থাকে, অন্যদিকে মায়ের স্নেহের আঁচল ধরে হাঁটি হাঁটি পা পা শুরু করে প্রাণচঞ্চল রাসেল। অস্থির প্রজাপতির মতো এঘর-ওঘর ছুটে বেড়াতে শুরু করে সে। বড় বোন শেখ হাসিনা ততদিনে ইন্টারমিডিয়েট গভর্নমেন্ট গার্লস কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত ভিপি এবং ছাত্রলীগ নেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পান। কিন্তু ছোট্ট রাসেল কী আর অতকিছু বোঝে। রাসেলের কাছে তিনি শুধুই হাঁসু আপা। তাই বড় আপার লম্বা দোদুল বেণী ধরে শিশু রাসেল মাঝে মাঝেই খেলায় মেতে ওঠে।
শিশু রাসেলের বয়স তখন দেড় বছর। পরিবারের সবার সাথে জেলবন্দি পিতাকে দেখতে সেই ছোট থেকেই কারাগারে যেতো রাসেল। অবুঝ রাসেল পিতাকে জড়িয়ে ধরে বুকের ওম নিতো, জড়িয়ে ধরে ঘুমাতে চাইতো। ছোট আপা রেহানার চিঠি পকেটে করে নিয়ে জেলগেটে বাবাকে দিতো। বাবাকে রেখে আর আসতে চাইতো না। অবশেষে রাসেলকে বোঝানো হয়েছিল যে, জেলটাই তার বাবার বাড়ি। অবশেষে পিতাকে রেখে ফেরার সময় কখনো মা ফজিলাতুন নেছা, আবার কখনো মলিন মুখে হাঁসু আপার কোলে উঠতো।
পিতার অবর্তমানে পিতৃস্নেহ বঞ্চিত রাসেল নিজের আম্মাকেই আব্বা বলে ডাকতে শুরু করেছিল। কী নিদারুণ এক শোকাবহ শৈশব: বঙ্গবন্ধু তার কারাগারের রোজনামচা গ্রন্থে শিশু রাসেলের স্মৃতি নিয়ে বিস্তারিত লিখেছেন।
এরমধ্যেই ১৯৬৮ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় গোপন বিচার শুরু হয় বঙ্গবন্ধুর। সেনানিবাসে নিয়ে তাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়। চাইলেও আর পরিবারের সঙ্গে তার দেখা হতো না। অস্থির রাসেল বাবাকে একনজর দেখার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠতো। প্রতিদিন রাতে বাবার গল্প শুনতে শুনতে মলিন মনে মায়ের কোলে ঘুমিয়ে পড়তো। অবশেষে ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানি জান্তারা মুক্তি দিতে বাধ্য হয় বঙ্গবন্ধুকে। পিতার প্রত্যাবর্তনে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে ছোট্ট রাসেল। নির্ভীক চিত্তে দুরন্ত গতিতে সাইকেল নিয়ে ঘুরে বেড়াতে থাকে ধানমণ্ডির ছায়াঘেরা সড়কে, চঞ্চল প্রজাপতির মতো উড়ে বেড়াতে থাকে বাড়ির আনাচে কানাচে।
রাসেলকে নিয়ে কারাগারের রোজনামচা`র ২৭ মে এবং ২৮ মে ১৯৬৭ সালের স্মৃতিচারণায় বঙ্গবন্ধু লিখেছেন, আড়াই বৎসরের ছেলে আমাকে বলছে ৬ দফা মানতে হবে- সংগ্রাম, সংগ্রাম চলবে চলবে... ভাঙা ভাঙা করে বলে, কী মিষ্টি শোনায়। জিজ্ঞাসা করলাম, ও শিখল কোথা থেকে। রেণু বলল, বাসায় সভা হয়েছে তখন কর্মীরা বলেছিল, তাই শিখেছে।
এরমধ্যেই জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন বঙ্গবন্ধু। মা ফজিলাতুন নেছা শেখ রাসেলকে ভর্তি করে দেন শিশুশ্রেণিতে। ৭০-এর নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগকে নৌকা মার্কায় একচেটিয়া ভোট দেয় জনগণ। কিন্তু পাকিস্তানিরা মেতে ওঠে নতুন ষড়যন্ত্রে। অগ্নিস্ফুলিঙ্গ হয়ে ওঠে সারা দেশ। বঙ্গবন্ধুর বাড়িকে ঘিরে হাজার হাজার মানুষ স্লোগান দিতে থাকে। ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে এসব দেখতে দেখতে স্লোগান শিখে ফেলে ছোট্ট রাসেল। ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ বঙ্গবন্ধু নিজ বাসভবনে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন, তা দেখে নিজের সাইকেলে একটা ছোট পতাকা লাগিয়ে নেয় রাসেল। জনতার কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে স্লোগান তোলে সে-
জয়য়য় বাংলা...
২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণার পর তাকে গ্রেপ্তার করে পাকিস্তানিরা। ধানমন্ডির ১৮ নম্বর সড়কের একটি বাড়িতে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেচ্ছা, তার অন্তঃসত্ত্বা কন্যা শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, সাড়ে ছয় বছরের শিশু শেখ রাসেলকে গৃহবন্দি করা হয়। মায়ের কোলে মাথা রেখে খালি মেঝেতে শুয়ে ঘুমিয়ে পড়ে রাসেল। আকাশে যুদ্ধ বিমানের মহড়া শুরু হলে কানে তুলা গুঁজে রাখতো ছোট্ট রাসেল।
এরমধ্যে ২৭ জুলাই জন্ম নেন সজীব ওয়াজেদ জয়। এরপর থেকে রাসেল যেন একটু প্রাণ ফিরে পেলো, সে সময়ে অসময়ে নবজাত ভাগনে জয়ের সাথে সময় কাটাতো। এমনকি বিমানের শব্দ শুনলে নিজ দায়িত্বে জয়ের কানের মধ্যেও পরম যত্নে তুলা গুঁজে দিতো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার আমাদের ছোট্ট রাসেল সোনা গ্রন্থে এ বিষয়ে বিস্তারিত লিখেছেন।
১৯৭১ সালে, `জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়ে দীর্ঘ ৯ মাস পাকিস্তানি জান্তাদের বিরুদ্ধে মরণপণ যুদ্ধ করে আপামর বাঙালি। ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় অর্জনের পর, ১৭ তারিখ মুক্ত হয় বঙ্গবন্ধুর পরিবার। ঢাকার রাজপথের জয় বাংলা স্লোগানে কণ্ঠ মিলিয়ে বেরিয়ে পড়ে শিশু রাসেল।
এরপর দেশে ফিরেই যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্নিমাণের কাজে মন দেন বঙ্গবন্ধু। জীবনের সাত বছর পেরিয়ে, এই প্রথম পুরো পরিবারের সাথে নিয়মিত সময় কাটানোর অবকাশ পায় রাসেল। পিতা মুজিবের সৌজন্যে বিশ্বনেতাদের সাথেও করমর্দনের সুযোগ হয় রাসেলের। শিশু রাসেলের আত্মবিশ্বাসী বাচনভঙ্গি, বুদ্ধিদীপ্ত চাহনি ও নির্মল অভিব্যক্তি মুগ্ধ করে তাদের। রাসেলের প্রতিটি নির্ভীক পদচারণায় ফুটে ওঠে বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবি।
কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত শক্তির বিষাক্ত ষড়যন্ত্রের ছোবলে, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাতে- এই সম্ভাবনাময় দুরন্ত শিশুমন নীল হয়ে যায়। রাতের শিউলি ভোরের বকুল ঝরে পড়ার আগেই, ঘাতকের বুলেটে রক্তের সাগরে ডুবে যায় সবার প্রিয় পাখিটি। রাসেলের নির্মম মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ে বিশ্বমানবতা। কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায় বাংলার মাঠ-ঘাট-প্রকৃতি।
তবে অনাবিল স্বপ্ন নিয়ে যে শিশুটি অকালে হারিয়ে গেল, সময়ের সাথে সাথে তার প্রাণশক্তি যেনো ছড়িয়ে পড়লো প্রতিটি শৈশবে। একেকটি রক্তিম প্রভাত যেমন জেগে ওঠে ঝাঁক ঝাঁক বিহঙ্গ-কূজনে, তেমনি প্রতিটি বাঙালি শিশুর দামাল দুরন্তপনায় বেঁচে থাকে শিশু রাসেল। এদেশের প্রত্যেক শিশুই বেড়ে উঠুক নির্মল চিত্তে, নিরাপদ পরিবেশে। বিকশিত শৈশব শেষে প্রতিটি শিশুই পরিণত হোক একেকজন দেশপ্রমিক নাগরিক হিসেবে।
লেখক: জুনাইদ আহমেদ পলক, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী
|
|
|
|
|
আজিজুল হাকিম ঃ বাকেরগঞ্চ উপজেলার ১ নং চরামদ্দী ইউনিয়নের ০৩ ওয়ার্ড দিয়ারচরের সিকদার বাড়ীর বাসিন্দা রহিম সিকদার এর মেয়ে রাফিয়া (১১) ১৭/১০/২০২২ রোজ সোমবার আনুমানিক রাত ১০ঃ৩৫ এর দিকে প্রসাব করার জন্য ঘর থেকে বাহিরে নামে রাতের অন্ধকারে এক বিষ ধর সাপে কামড় দিলে রাফিয়া সেটি খেয়াল করতে পারে নি ও বয়স কম হওয়ায় বুঝতে ও পারেনি তাকে সাপে কামড় দিছে রাফিয়া প্রসাব করে ঘরে ডুকে ঘুমানোর উদ্দেশ্য শুয়ে পরে হটাৎ তার বাবা রহিম সিকদার দেখতে পেলো রাফিয়ার পা থেকে রক্ত পড়ছে রাফিয়াকে জিজ্ঞেস করলে বলে আমি দেখছি সামনে দিয়ে কিছু একটি গেছে কিন্তু আমি ভাবছি আমার পায়ে মশা কামড় দিচ্ছে রাফিয়ার পায়ে রক্ত দেখার সাথে সাথে তার বাবা ও বাড়ির লোকজন এলাকার এক ওজার কাছে নেওয়ার পথেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তার বাবা ও অন্য লোকজন চেষ্টা চালালেও বাঁচাতে পারেনি রাফিয়াকে, রাফিয়া দিয়ারচরের পশ্চিম চরামদ্দী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩ য় শ্রেণীর ছাএী মেয়ের মৃত্যুতে ভেঙ্গে পড়েছে রাফিয়ার বাবা রহিম সিকদার ও তার পরিবার এবং এলাকার লোকজন রাফিয়ার মৃত্যুতে সকলের কাছে দোয়া আহব্বান
|
|
|
|
সোনারগাঁ প্রতিনিধি মোঃ দেলোয়ার হোসেন১৮/৯/২০২২ নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁ পিরোজপুর ইউনিয়নের ঝাউচর গ্রামে পারিবারিক কলহ চলছে দির্ঘদিনের এর মধ্যে গত ৮ তারিখ নিহতের বাবা তার মাকে প্রচন্ড মারধর করে পূর্বের মতই,ধৈর্যের বাদ এবার ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়`বাবার সাথে রাগ করে নিজের শরীরে নিজেই আকটেন ঢেলেদিয়ে একটি আতঙ্ক তৈরি করে,অকটেনের কথা জানা গেলেও আগুনের দিয়াশলাই কে দিয়েছে এখনো সুস্পষ্ট হয়নি,বাদি বিবাদী একে অপরের দোষ দিচ্ছে, তবে এলাকা থেকে জানা যায় নিহত শান্তর ফুপু আগুন ধরিয়ে দিয়ে হত্যাকান্ডটি করেছে,সেখানে তারা আরো কয়েকজন উপস্থিত ছিল। নিহত শান্ত (২৫) গত ৮ অক্টোবর শনিবার এ ঘটনার পর রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ অক্টোবর শান্তর মৃত্যু হয়। ছেলেকে বাঁচাতে সেদিন শান্তর মা সুফিয়া বেগম তাকে জড়িয়ে ধরে নিজেও দগ্ধ হন। ছয় দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে শান্তর মা সুফিয়া বেগম (১৪ অক্টোবর) শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় সময় চিকিৎসাধিন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন,এবং মৃত্যু সজ্জায় জবানবন্দি দেন,যে আমি হয়তো আর বাঁচবো না, তবে আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে এটার বিচার আমি দাবি করছি,আমার স্বচোখের সামনে ওরা হত্যা করেছে।এটাই ছিল নিহত সুফিয়ার সর্বশেষ কথা। সরেজমিনে গেলে ঝাউচর গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, পারিবারিক কলহের জের ধরে মা-ছেলের মৃত্যুর কারন, সোনারগাঁ থানার ওসি তদন্ত মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ জানান, এ ব্যপারে মামলা হয়েছে আসামি পলাতক আছে, আমরা খুব শীগ্রই আসামিদের গেরেফতার করবো।
|
|
|
|
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘শেখ রাসেল আজ আমাদের মাঝে নেই। কিন্তু আছে তার পবিত্র স্মৃতি। বাংলাদেশে সব শিশুর মধ্যে আজও আমি রাসেলকে খুঁজে ফিরি। এই শিশুদের রাসেলের চেতনায় গড়ে তুলতে হবে। এমন এক উজ্জ্বল শিশুর সত্তা বুকে ধারণ করে বাংলাদেশের শিশুরা বড় হোক। খুনিদের বিরুদ্ধে তারা তীব্র ঘৃণা বর্ষণ করুক। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে দেশের সব শিশু এগিয়ে আসুক।’
আগামীকাল মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) শেখ রাসেলের জন্মদিন ও ‘শেখ রাসেল দিবস’ উপলক্ষে এক বাণীতে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি গভীর ভালোবাসা ও পরম মমতায় রাসেলকে স্মরণ এবং তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মদিন আজ সোমবার। এ উপলক্ষে শিশু রাসেলের জীবন সম্পর্কে শিশু-কিশোরদের জানাতে প্রতি বছর তার জন্মদিনকে ‘শেখ রাসেল দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে দ্বিতীয়-বারের মতো পালিত হবে দিবসটি। ‘শেখ রাসেল দিবস-২০২২’এর প্রতিপাদ্য ‘শেখ রাসেল নির্মলতার প্রতীক, দুরন্ত প্রাণবন্ত নির্ভীক’ যথার্থ হয়েছে বলেও মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।
বঙ্গবন্ধুর জেষ্ঠ্য সন্তান শেখ হাসিনা দিবসের বাণীতে উল্লেখ করেন, শেখ রাসেল ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর ঢাকার ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কের বাসায় জন্মগ্রহণ করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের অত্যন্ত প্রিয় লেখক ছিলেন খ্যাতনামা দার্শনিক ও নোবেলজয়ী বার্ট্রান্ড রাসেল। জাতির পিতা বার্ট্রান্ড রাসেলের বই পড়ে বঙ্গমাতাকে ব্যাখ্যা করে শোনাতেন। তাই বঙ্গবন্ধু আর বঙ্গমাতা দু’জনে মিলে শখ করে, তাদের আদরের ছোট ছেলের নাম রেখেছিলেন ‘রাসেল’। রাসেল নামটি শুনলেই প্রথমে যে ছবিটি সামনে আসে, তা হলো- হাস্যোজ্জ্বল, প্রাণচঞ্চল এক ছোট্ট শিশুর দুরন্তপণা, যে শিশুর চোখগুলো হাসি-আনন্দে ভরপুর। মাথা ভর্তি অগোছালো চুলের সুন্দর একটি মুখাবয়ব, যে মুখাবয়ব ভালোবাসা ও মায়ায় মাখা।
শেখ হাসিনা বলেন, কোমলমতি শিশু রাসেলকে আমরা হারিয়েছি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ইতিহাসের এক নির্মম, জঘন্য ও বিভীষিকাময় রাতে। স্বাধীনতাবিরোধী, ষড়যন্ত্রকারী ও বিশ্বাসঘাতকদের হাতে স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের ১৮ জন সদস্য শহীদ হন ওই কালরাতে। সেদিন ছোট্ট শিশু রাসেলও খুনিদের হাত থেকে রেহাই পায়নি। রাসেল তো বাঁচতে চেয়েছিল। বাঁচার জন্য ঘাতকদের কাছে আকুতি জানিয়েছিল, মায়ের কাছে যাওয়ার কথা বলেছিল। মায়ের কাছে নিয়ে যাওয়ার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে ঘাতকরা তাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিভীষিকাময় সেই রাতের প্রতিটি ক্ষণ, প্রতিটি মুহূর্ত এখনও গভীর শোকের সঙ্গে স্মরণ করি। এখনও ভাবি, কারও বিরুদ্ধে শত্রুতা থাকতেই পারে, কিন্তু সেই ক্ষোভ একজন কোমলমতি শিশুকে কেন কেড়ে নেবে? এই শিশু কী দোষ করেছিল? সে তো কোনও রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল না। সে কেন এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের অংশ হবে? এতসব স্মৃতি স্মরণ করতে কষ্ট হয়। চোখ ভিজে ওঠে। বুকে পাথর বেঁধে সেইসব স্মৃতির সাগরে ডুব দেই। কারণ সেদিন ঘাতকের বুলেট যে কোমলমতি শিশুটির প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল, সে ছিল নির্দোষ-নিষ্পাপ। মহানুভবতা ও ব্যবহারে সে ছিল অমায়িক। রাসেল যদি বেঁচে থাকতো, তাহলে হয়তো মহানুভব, দূরদর্শী ও আদর্শ নেতা আজ আমরা পেতাম, যাকে নিয়ে দেশ ও জাতি গর্ব করতে পারতো।’
প্রধানমন্ত্রী ‘শেখ রাসেল দিবস ২০২২’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
|
|
|
|
|
মোঃ শহিদুল ইসলাম সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা থানাধীন ৪০নং ওয়ার্ড কাঠগড় কালি মন্ডির এলাকা হতে ড্রাম ভর্তি একটি মহিলার লাশ উদ্ধার করেন পুলিশ। ১৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাতের সাড়ে ৮ টার সময় লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ উদ্ধারের ব্যাপারে পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু নুর জাহেদ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন,১৩ অক্টোবর সন্ধ্যার দিকে একজন পথচারী রাস্তার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আনুমানিক রাতের সাড়ে ৮টার দিকে একজন আমাকে ফোন করে বলেন কাটগড় এলাকার জি এম গেইট রাস্তার পূর্ব পাশ্বে নীল ড্রামের ভিতরে মুখ বন্ধ অবস্থায় একজন অজ্ঞাত (৩৫) বছরে এক মহিলার লাশ দেখে খবর দেন,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে,আমরা পুলিশ পাঠিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে চলে যাই। তিনি আর ও বলেন,পরবর্তীতে সিআইডি ক্রাইম সিন ইউনিটের একটি টিম ঘটনাস্থলে এসে মহিলার লাশটি উদ্ধার করেন পরে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য সিআইডি ক্রাইম সিন ইউনিটের ফ্রিজিং গাড়িতে করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়,তবে লাশটি পরিচয় পাওয়া যায়নি,ময়নাতদন্তের পরে বলা জাবে মৃত্যুর রহস্য বলে জানান।
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| |
| |
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম.এ মান্নান > নির্বাহী সম্পাদক: মো: রাসেল মোল্লা
উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি: হাজী ইউসুফ চৌধুরী নাঈম ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আজমল হোসেন বাবু, সহ সম্পাদক: কাওসার আহমেদ । প্রধান বার্তা সম্পাদক: আবু ইউসুফ আলী মন্ডল, সহকারী-বার্তা সম্পাদক শারমিন আক্তার মিলি। ফোন: বার্তা বিভাগ 01618868682- 01914220053, সম্পাদক ও প্রকাশক: 01980716232
ঠিকানাঃ বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়- নারায়ণগঞ্জ, সম্পাদকীয় কার্যালয়- জাকের ভিলা, হাজী মিয়াজ উদ্দিন স্কয়ার মামুদপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। শাখা অফিস : নিজস্ব ভবন, সুলপান্দী, পোঃ বালিয়াপাড়া, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ-১৪৬০, রেজিস্ট্রেশন নং 134 / নিবন্ধন নং 69 মোবাইল : 01731190131,E-mail- notunbazar2015@gmail.com, E-mail : mannannews0@gmail.com, web: notunbazar71.net,
|
|
| |
|