| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   অর্থ-বাণিজ্য -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
শীর্ষ ঋণখেলাপির তালিকায় রংধনু বিল্ডার্স

‎রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি  

‎দেশের ব্যাংকিং খাতে ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণের তালিকায় শীর্ষ ২০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে উঠে এসেছে রংধনু গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান রংধনু বিল্ডার্স (প্রা.) লিমিটেডের নাম। সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য প্রকাশ করেন।

‎সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি জানান, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে বর্তমান সংসদ সদস্য ও তাঁদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছেই আটকে আছে ১১ হাজার ১১৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা।

‎অর্থমন্ত্রী আরও জানান, আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রায় ৩ হাজার ৩৩০ কোটি ৮ লাখ টাকার ঋণ খেলাপি হিসেবে দেখানো সম্ভব হয়নি, যা প্রকৃত খেলাপির পরিমাণ আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

‎ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ এক প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। তিনি দেশের প্রকৃত খেলাপি ঋণের পরিমাণ, শীর্ষ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের তালিকা এবং ঋণ আদায়ে সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চান।

‎অর্থমন্ত্রীর দেওয়া তথ্যানুযায়ী, শীর্ষ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে এস আলম গ্রুপের একাধিক প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি লিমিটেড, কেয়া কসমেটিকস, দেশবন্ধু সুগার মিলস, পাওয়ার প্যাক গ্রুপের বিভিন্ন প্রকল্প, প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকমসহ আরও বেশ কয়েকটি শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।

‎বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রংধনু বিল্ডার্সসহ বড় বড় প্রতিষ্ঠানের এ ধরনের ঋণখেলাপি অবস্থান দেশের ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এ সংকট আরও গভীর হতে পারে।

‎অর্থমন্ত্রী জানান, খেলাপি ঋণ আদায়ে সরকার ইতোমধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

‎একটি সূত্রে জানা গেছে,  রংধনু গ্রুপ এর খেলাপী হওয়া ঋণের বেশির ভাগ টাকা রংধনু গ্রুপ এর মালিক রফিকুল ইসলাম বিদেশে পাচার করেছেন যার মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ডুবাই) সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া অন্যতম।

শীর্ষ ঋণখেলাপির তালিকায় রংধনু বিল্ডার্স
                                  

‎রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি  

‎দেশের ব্যাংকিং খাতে ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণের তালিকায় শীর্ষ ২০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে উঠে এসেছে রংধনু গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান রংধনু বিল্ডার্স (প্রা.) লিমিটেডের নাম। সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য প্রকাশ করেন।

‎সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি জানান, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে বর্তমান সংসদ সদস্য ও তাঁদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছেই আটকে আছে ১১ হাজার ১১৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা।

‎অর্থমন্ত্রী আরও জানান, আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রায় ৩ হাজার ৩৩০ কোটি ৮ লাখ টাকার ঋণ খেলাপি হিসেবে দেখানো সম্ভব হয়নি, যা প্রকৃত খেলাপির পরিমাণ আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

‎ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ এক প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। তিনি দেশের প্রকৃত খেলাপি ঋণের পরিমাণ, শীর্ষ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের তালিকা এবং ঋণ আদায়ে সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চান।

‎অর্থমন্ত্রীর দেওয়া তথ্যানুযায়ী, শীর্ষ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে এস আলম গ্রুপের একাধিক প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি লিমিটেড, কেয়া কসমেটিকস, দেশবন্ধু সুগার মিলস, পাওয়ার প্যাক গ্রুপের বিভিন্ন প্রকল্প, প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকমসহ আরও বেশ কয়েকটি শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।

‎বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রংধনু বিল্ডার্সসহ বড় বড় প্রতিষ্ঠানের এ ধরনের ঋণখেলাপি অবস্থান দেশের ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এ সংকট আরও গভীর হতে পারে।

‎অর্থমন্ত্রী জানান, খেলাপি ঋণ আদায়ে সরকার ইতোমধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

‎একটি সূত্রে জানা গেছে,  রংধনু গ্রুপ এর খেলাপী হওয়া ঋণের বেশির ভাগ টাকা রংধনু গ্রুপ এর মালিক রফিকুল ইসলাম বিদেশে পাচার করেছেন যার মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ডুবাই) সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া অন্যতম।

এলপি গ্যাসের সঙ্কট কাটবে কবে, যা জানালে জ্বালানি উপদেষ্টা
                                  

রমজানের আগেই এলপি গ্যাসের সঙ্কট কেটে যাবে বলে আশ্বস্ত করেছেন জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান।

সাম্প্রতিক এলপিজি বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও করণীয় নির্ধারণে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রেলভবনে এক বৈঠক শেষে তিনি একথা বলেন। 

সংসদ নির্বাচন এবং মাহে রমজানে এলপিজির যেন কোনো ঘাটতি না থাকে সে লক্ষে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর জন্য সংশ্লিষ্ট  সবাইকে  নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

উপদেষ্টা বলেন, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি  মাসে অপারেটরগণ এলপিজি আমদানির প্রতিশ্রুতি দিলেও তার বাস্তবায়ন হয়নি। অপারেটরদের মধ্যে কেউ অতিরিক্ত মূল্য বৃদ্ধি করছেন,  এমন অভিযোগ তারা অস্বীকার করেন। 

উপদেষ্টা জানান, জানুয়ারিতে তাদের সম্ভাব্য এক লাখ ৬৭ হাজার ৬০০ মেট্রিকটন এলপিজি আমদানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে এ সঙ্কট অনেকটা কেটে যাবে।

সখিপুরে মাহমুদ ডেনিম ফ্যাক্টরি হঠাৎ বন্ধ ঘোষণা, বেতন না পেয়ে সড়ক অবরোধে শ্রমিক বিক্ষোভ।
                                  

স্টাফ রিপোর্টার।

 

গাজীপুর জেলার সখিপুরে অবস্থিত মাহমুদ ডেনিম ফ্যাক্টরি হঠাৎ করে মাসিক বেতন পরিশোধ না করেই বন্ধ ঘোষণা করায় শতাধিক শ্রমিক সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। রবিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে কাজে যোগ দিতে এসে শ্রমিকরা জানতে পারেন—কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে বন্ধ ঘোষণার আগে শ্রমিকদের মাসিক বেতন পরিশোধ করা হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে শ্রমিকরা কারখানার সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন এবং একপর্যায়ে সখিপুর-সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করেন।

বিক্ষোভ চলাকালে শ্রমিকরা বকেয়া বেতন দ্রুত পরিশোধ, কারখানা পুনরায় চালু ও শ্রমিকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিতের দাবি জানান। অবরোধের ফলে ওই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়, সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রী ও পথচারীরা। শ্রমিকদের অভিযোগ, পূর্ব কোনো নোটিশ বা আলোচনা ছাড়াই মালিকপক্ষ কারখানা বন্ধ ঘোষণা করেছে, যা শ্রম আইন পরিপন্থী। তারা জানান, বেতন না পেয়ে অনেক শ্রমিক পরিবার নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পৌঁছে শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। এ বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শ্রমিক নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত বকেয়া বেতন পরিশোধ ও সমস্যার সমাধান না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া

পায়রা বন্দর এর উন্নয়ন, অগ্রগতি, সম্ভাবনা এবং অপারেশনাল কার্যক্রম বিষয়ক মতবিনিময় সভা।।
                                  

স্টাফ রিপোর্টার 

 

পায়রা বন্দর এর উন্নয়ন, অগ্রগতি, সম্ভাবনা এবং অপারেশনাল কার্যক্রম বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে বুধবার(২৫ জুন) সকাল ১০ টায় বন্দর কর্তৃপক্ষ ও অংশীজনদের মধ্যে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, রিয়ার এডমিরাল মাসুদ ইকবাল।

সভায় বন্দরের কর্মকর্তাগণসহ বিভিন্ন দপ্তর, সংস্থার প্রতিনিধিগণ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, বন্দর ব্যবহারকারী-অংশীজন এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন পায়রা বন্দরের সদস্য (হারবার ও মেরিন) ক্যাপ্টেন মোঃ জামাল উদ্দিন চৌধুরী। `পায়রা বন্দরের উন্নয়ন, অগ্রগতি এবং ভবিষৎ পরিকল্পনা` নিয়ে বক্তব্য রাখেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) কমডোর মোহাম্মদ আব্দুল কাদের। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সুমন হাওলাদার, পরিচালক, (মোংলা, পায়রা, পানগাঁও এবং ল্যান্ড পোর্ট), মোঃ মিজানুর রহমান, সভাপতি, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট, মামুনুর রশিদ, পরিচালক, বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন ও মোঃ হুমায়ুন কবির, আহবায়ক, কলাপাড়া প্রেস ক্লাব।

স্বাগত বক্তব্যে পায়রা বন্দরের সদস্য (হারবার ও মেরিন) ক্যাপ্টেন মোঃ জামাল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, পায়রা বন্দর প্রতিষ্ঠার পর থেকে এতদঞ্চলের অর্থনীতি ও জীবন-মানে ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে।এছাড়া এ বিষয়ক একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শিত হয়।

সুমন হাওলাদার বলেন, পায়রা বন্দর হবে আমদানি-রপ্তানির নতুন হাব। মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, পায়রা বন্দর দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের জন্য একটি আঞ্চলিক সহায়ক কেন্দ্রে পরিনত করা জন্য বাস্তব সম্মত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। মামুনুর রশিদ বলেন, বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের তথা সমগ্র বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে পায়রা বন্দর যথেষ্ট ভূমিকা রাখবে। মোঃ হুমায়ুন কবির বলেন, পায়রা পোর্ট দেশের জন্য একটি সক্রিয় অর্থনৈতিক করিডোরে পরিনত হতে যাচ্ছে। এছাড়া বন্দরের অবশিষ্ট কাজ শেষ করে বন্দরকে পূর্ণাঙ্গরূপে সচল করতে সকল সহযোগিতার আশ্বাস দেন। 

সমাপনী বক্তব্যে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, রিয়ার এডমিরাল মাসুদ ইকবাল বলেন, পায়রা বন্দরের প্র জেটি ও জাহাজ হ্যান্ডলিং-এর প্রারম্ভিক সুযোগ সুবিধাদি নির্মাণের প্রায় শেষ পর্যায়ে আছে। টার্মিনাল সংযোগ সড়ক সেতু নির্মাণশেষে আগামী জুলাই ২০২৬ নাগাদ পায়রা বন্দরে প্রথম টার্মিনাল পূর্ণাঙ্গরূপে চালু করার বিষয়ে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।তিনি জানান, পায়রা বন্দরের নিজস্ব টার্মিনালের অপারেশন শুরুতে অনেক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও ইতোমধ্যে পায়রা বন্দর ৫২৯ টি বৈদেশিক জাহাজ ও ৩৪২৬টি দেশীয় লাইটারেজ নিরাপদে হ্যান্ডেল করতে সক্ষম হয়েছে এবং এ থেকে সরকার প্রায় ২০৭৯ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করতে সক্ষম হয়েছে। সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পর্যন্ত মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণের কাজ খুব দ্রুতই শুরু হবে এবং তিনি আরও বলেন, পায়রা বন্দরকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে এখানে শিল্প ক্ষেত্রে বড় বিনিযোগ হয়েছে এবং আরো বহু বিনিয়োগ অপেক্ষমান আছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বন্দর সীমায় অবস্থিত দুটি তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ বন্দরের উপর নির্ভরশীল অন্যান্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পটুয়াখালী ইপিজেড, বন্দরের নিজস্ব শিল্পাঞ্চলের কথা তুলে ধরেন। এখানে বিনিয়োগের জন্য একাধিক বিদেশি প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তিনি জানান, বন্দর পর্ণাঙ্গভাবে সচল হওয়ার পর বন্দর ও বন্দর-নির্ভর যে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে যাচ্ছে সেটা দক্ষিণাঞ্চলের একটি তুলনামূলক অনগ্রসর জনপদকে সমৃদ্ধ করা তথা দেশের অর্থনীতিতে অভতপূর্ব অবদান রাখবে। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে বন্দরের অগ্রযাত্রায় নিজ নিজ অবস্থান থেকে সহায়তার জন্য তিনি সকলকে আহবান জানান।

ছাত্র-জনতার গন-আন্দোলনের  থিমে সাজছে এবারের বানিজ্য মেলা
                                  

মো: রাসেল মোল্লা 

 

ঢাকা আন্তর্জাতিক বানিজ্য মেলা ২০২৫

 আগামী  ১ জানুয়ারি শুরু হতে যাচ্ছে।চতুর্থ বারের মতো  রূপগঞ্জের পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিভিশন সেন্টারে (বিবিসি এফইসি)বানিজ্য মেলার স্হায়ী ভবনে আয়োজন করা হচ্ছে। এবারের মেলার মূল আকর্ষণ প্রবেশ গেইটে গত  জুলাই আগষ্টে ছাত্র -জনতার গণ- আন্দোলনের থিম থকবে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো(ইপিবি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এবিষয়ে ইপিবির সহকারী পরিচালক ও বানিজ্য মেলার সহকারী পরিচালক আবুহাসান বলেন, ১ জানুয়ারি থেকে মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বানিজ্য মেলা শুরু হবে। 

প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ইইনূস সকাল ১০টায় মেলা প্রাঙ্গণে সশরীরে উপস্থিত থেকে  মেলা উদ্বোধন করবেন বলে সম্মতি দিয়েছেন। প্রতিবছরই আন্তর্জাতিক বানিজ্য মেলায় নতুন কিছু সংযোজন করা হয়। সে হিসাবে এবারের মেলায় মূল আকর্ষণ হচ্ছে। গত জুলাই -আগষ্টে গণ-আন্দোলনে ছাত্র -জনতার যে আত্মত্যাগ সেটা সামনে রেখে মেলা সাজানো হবে। শহীদদের প্রতি সন্মান জানাতে মেলা প্রাঙ্গণে শহীদ আবু সাঈদ কর্নার ও মীর মুগ্ধ কর্নার নামে দুটি কর্নার থাকবে। একই সঙ্গে যুবকদের জন্য একটি যুবক (ইয়ুথ) প্যাভিলিয়ন থাকবে। মেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্যাভিলিয়ন ও স্টলের সংখ্যা ৩৬২টি। মেলায় প্যাভিলিয়ন ও স্টল,হোটেল, রেস্তোরাঁর কাজ ঢিমেতালে চলছে। কাজের অগ্রগতি ৩০ ভাগ। আর ১০ দিন পরই নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের পূর্বাচলে আন্তর্জাতিক বানিজ্য মেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। 

এবছর মেলার টিকিট অনলাইনে পাওয়া যাবে 

জানিয়ে তিনি আরো বলেন,এরই মধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা হয়েছে। ই- টিকেটিং হলে দর্শনার্থীরা মোবাইলে কিউআর কোড দেখিয়ে মেলায় প্রবেশ করতে পারবে। 

গত বছরের মতো এ বছরও মেলায় প্রবেশ মূল্য, প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ৫০ টাকা  আর অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ২৫ টাকা থাকছে। মেলায় দর্শনার্থীদের জন্য গত বছরের মতো এবারও স্পেশাল বিআরটিসির দ্বিতল ও ড্রাবল ডেকার বাস থাকছে। কুড়িল-বিশ্বরোড থেকে পূর্বাচল মেলা প্রাঙ্গণে ভাড়া থাকছে ৩৫ টাকা। গাড়ি পার্কিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।তা-ছাড়া নদী পথে ট্রলার যোগে মেলায় আাসার ব্যবস্হা রয়েছে। 

রিপোর্ট 

নির্বাহী সম্পাদক 

দৈনিক নতুন বাজার৭১.কম

চালডাল.কম-এ বিশেষ ডিসকাউন্ট পাবেন প্রাইম ব্যাংক’র কার্ডহোল্ডাররা
                                  

স্টাফ রিপোর্টার 

 

শীর্ষ স্থানীয় বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র সাথে চুক্তি করেছে দেশের বৃহত্তম গ্রোসারি ই-কমার্স প্ল‌্যাটফর্ম চালডাল.কম.। সম্প্রতি গুলশানে ব্যাংকের করপোরেট অফিসে প্রতিষ্ঠানদুটি এ চুক্তি করে।

 

 

 

এই চুক্তির আওতায়, প্রাইম ব্যাংক ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ডধারীরা চালডাল.কম থেকে (মোবাইল অ্যাপ ও ওয়েবসাইট উভয় ক্ষেত্রে) যে কোনও কেনাকাটায় বিশেষ ডিসকাউন্ট পাবেন। প্রতিযোগীতামূলক দাম ও সুবিধা নিশ্চিতের মাধ‌্যমে গ্রাহকদের সব ধরনের গ্রোসারি ও গৃহস্থালী পণ‌্য ক্রয়ে নিরবিচ্ছিন্ন শপিং অভিজ্ঞতা প্রদান করতেই এই অংশীদারিত্ব করা হয়েছে।

 

 

 

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. নাজিম এ চৌধুরী এবং চালডাল –এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিম আলীম নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র হেড অফ কাস্টমার প্রোপসিশন হোসাইন মোহাম্মদ জাকারিয়া এবং চালডাল.কম-এর উপ-পরিচালক মো. শাহরিয়ার রুবায়েত সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

২০২৪ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে প্রাইম ব্যাংকের নিট মুনাফা বেড়েছে ৪৫ শতাংশ
                                  

স্টাফ রিপোর্টার  

 

দেশের শীর্ষ স্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক প্রাইম ব্যাংক পিএলসি, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখ ভিত্তিক ইহার অনিরীক্ষিত তৃতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৪ তারিখে অনুষ্ঠিত সভায় যা অনুমোদন করেছে।

 

 

 

২০২৪ সালে তৃতীয় প্রান্তিকে ব্যাংক কর পরবর্তী নিট মুনাফায় ৪৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। ২০২৪ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে নিট মুনাফা হয়েছে ৫১০ কোটি টাকা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৩৫১ কোটি টাকা। ব্যাংকটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪.৫১ টাকা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৩.১০ টাকা।

 

 

 

২০২৪ এর তৃতীয় প্রান্তিক শেষে ব্যাংকের শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) এবং শেয়ার প্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ৩৩.৬৮ টাকা এবং ২.৩০ টাকা, যা বিগত বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে ২৯.৯১ টাকা এবং ৪.২৭ টাকা।

 

 

 

সেপ্টেম্বর ২০২৪ এর শেষে ব্যাংকের মোট সম্পদের পরিমান দাঁড়িয়েছে ৫৩,২১৫ কোটি টাকা এবং ঋণ ও অগ্রীম এর পরিমান দাঁড়িয়েছে ৩২,৩৮৯ কোটি টাকা। প্রাইম ব্যাংকের ঝুঁকি ভিত্তিক মূলধন পর্যাপ্ততার হার দাঁড়িয়েছে ১৮.২৬ শতাংশ, যা ব্যাংকিং খাতের সর্বোচ্চর মধ্যে। ব্যাংকের এনপিএল কাভারেজ হার দাঁড়িয়েছে ১৩৭ শতাংশ।

 

 

 

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি সর্বদা উদ্ভাবনী ব্যাংকিং সল্যুশন ও টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

প্রাইম ব্যাংক’র সাথে পেরোল চুক্তি করলো নর্দান করপোরেশন
                                  

স্টাফ রিপোর্টার 

 

শীর্ষ স্থানীয় বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র সাথে পেরোল চুক্তি সই করেছে নর্দান করপোরেশন লিমিটেড। সম্প্রতি গুলশানে ব্যাংকের করপোরেট অফিসে প্রতিষ্ঠানটির কর্মীদের জন্য ব্যাংকিং সেবা বাড়াতে এ চুক্তি সই হয়।

 

 

 

চুক্তি অনুযায়ী, নর্দান করপোরেশন লিমিটেড-এর সকল কর্মীরা প্রাইম ব্যাংকের বিভিন্ন সেবায় বিশেষ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। বিশেষ করে তারা কার্ড, লোন ও ডিজিটাল ব্যাংকিং সল্যুশনসহ প্রেফারেনশিয়াল ব্যাংকিং সেবা উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটি সার্বক্ষণিক নিরবিচ্ছিন্নভাবে স্বয়ংক্রিয় বেতন বণ্টন ও করপোরেট পেমেন্টের জন্য ব্যাংকের ডিজিটাল পোর্টাল ‘প্রাইম পে’-এর সেবা উপভোগ করতে করবেন।

 

 

 

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. নাজিম এ চৌধুরী এবং নর্দান করপোরেশন লিমিটেড-এর ডিরেক্টর রফিক হাসান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র হেড অব উইমেন ব্যাংকিং ও অ্যাফ্লুয়েন্ট সেগমেন্ট শায়লা আবেদীন, হেড অব পেরোল ব্যাংকিং অনুপ কান্তি দাশ এবং নর্দান করপোরেশন লিমিটেড-এর সিএফওও আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামরুজ্জামান সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

ঢাকার নিকুঞ্জে প্রাইম ব্যাংকের সাব-ব্রাঞ্চ চালু
                                  

স্টাফ রিপোর্টার 

 

রাজধানীর নিকুঞ্জে প্রাইম টাওয়ারে সাব-ব্রাঞ্চ চালু করেছে শীর্ষ স্থানীয় বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক প্রাইম ব্যাংক পিএলসি। সারাদেশে সুবিধাজনক ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে ব্যাংকের চলমান কৌশলের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত থাকবে।

 

 

 

এ প্রসঙ্গে প্রাইম ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. নাজিম এ চৌধুরী বলেন, ‘মানুষের দোরগোড়ায় ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে ব্যাংকের বৃহৎ কৌশলের অংশ হিসেবে নিকুঞ্জে সাব-ব্রাঞ্চ চালু করতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। এই সাব-ব্রাঞ্চ থেকে গ্রাহকরা খুব সহজেই আমাদের বিস্তৃত আর্থিক সেবা গ্রহণ করতে পারবেন, যা গ্রহকদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে আমাদের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।’

 

 

 

নিকুঞ্জ সাব-ব্রাঞ্চ থেকে সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা হবে, যা গ্রহকদের আরও উন্নত ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা প্রদান করবে।

প্রাইম ব‌্যাংকের সাথে পেরোল চুক্তি করেছে ঢাকা ক্লাব
                                  

শীর্ষ স্থানীয় বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র সাথে পেরোল চুক্তি সই করেছে পেশাজীবীদের সংগঠন ঢাকা ক্লাব লিমিটেড। সম্প্রতি ঢাকা ক্লাবের অফিসে প্রতিষ্ঠান দুটি এই চুক্তি সই করে। এই অংশীদারিত্ব ঢাকা ক্লাবের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আর্থিক ব‌্যবস্থাপনা ও পেরোল দক্ষতা বাড়াতে একটি মাইলস্টোন হিসেবে চিহ্নিত থাকবে।

 

 

 

এই চুক্তির আওতায়, ঢাকা ক্লাবের কর্মকর্তাদের জন‌্য নিরবিচ্ছিন্ন পেরোল ম‌্যানেজমেন্ট সল‌্যুশন সরবরাহ করবে প্রাইম ব‌্যাংক, ফলে এখন থেকে কর্মকর্তাদের মূল ধারার মাধ‌্যমে বেতন পরিশোধ করা হবে এবং তারা ব‌্যাংক থেকে এক্সক্লুসিভ সেবা উপভোগ করবে। এছাড়াও ঢাকা ক্লাব কর্তৃপক্ষ এখন থেকে দ্রুত সময়ের মধ‌্যে এবং নিরাপদে কর্মীদের বেতন বণ্টন করতে পারবে, পারসোনাল ব‌্যাংকিংয়ের বিভিন্ন নির্দিষ্ট কিছু সেবা এবং পারসোনাইজড আর্থিক সেবা উপভোগ করতে পারবে। প্রাইম ব‌্যাংকের পেরোল সল‌্যুশন মূলত নির্ভুলভাবে বেতন প্রদানে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া কমাতে ডিজাইন করা হয়েছে। পাশাপাশি এই প্রক্রিয়ায় কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা হয়ে থাকে।   

 

 

 

প্রাইম ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. নাজিম এ চৌধুরী এবং ঢাকা ক্লাব লিমিটেডের সভাপতি আশরাফুজ্জামান খান (পুটন) নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।

 

 

 

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র হেড অব উইমেন ব্যাংকিং ও অ্যাফ্লুয়েন্ট সেগমেন্ট শায়লা আবেদীন, হেড অব পেরোল ব্যাংকিং অনুপ কান্তি দাশ, ঢাকা উত্তরের রিজিওনাল হেড খাদেম মোহাম্মদ ইফতেখার ফাইসাল, পেরোল ব‌্যাংকিংয়ের বিজনেস ডেভলপমেন্ট ম‌্যানেজর মুশফিক আহমেদ ফাহিম এবং ঢাকা ক্লাব লিমেটেডের ফাইন‌্যান্স ডিরেক্টর মজিবুর রহমান সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

 

 

 

প্রাইম ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. নাজিম এ চৌধুরী বলেন, ‘কর্মীদের পেরোল প্রক্রিয়া মূল ধারায় আনতে ঢাকা ক্লাবের সাথে এই অংশীদারিত্ব করতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। আমাদের উদ্দেশ‌্য নিরাপদ ও দক্ষ ব‌্যাংকিং সেবা প্রদান করা, যার মাধ‌্যমে উভয় প্রতিষ্ঠান ও তাদের কর্মীরা উপকৃত হবে। আমরা একটি সফল এবং দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বের অপেক্ষায় আছি, যা উভয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।’

 

 

 

ঢাকা ক্লাব লিমিটেডের সভাপতি আশরাফুজ্জামান খান (পুটন), ‘প্রাইম ব‌্যাংকের কাছ থেকে পেরোল সেবা নিতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। আমাদের কর্মীদের সময়োপযোগী এবং নিরাপদ আর্থিক সেবা নিশ্চিতে আমাদের উদ্দেশ‌্যের সাথে এই চুক্তি সামঞ্জস‌্যপূর্ণ। আমরা বিশ্বাস করি এই চুক্তি ঢাকা ক্লাব এবং এর কর্মী উভয়ের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। এই মহৎ উদ্যোগের জন্য আমি প্রাইম ব্যাংককে ধন্যবাদ জানাই।’

প্রাইম ব্যাংক’র সাথে চুক্তি করলো নিওফারমার্স
                                  

শীর্ষ স্থানীয় বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র সাথে চুক্তি সই করেছে নিওফারমার্স লিমিটেড। সম্প্রতি গুলশানে ব্যাংকের করপোরেট অফিসে প্রতিষ্ঠান দুটির মধ্যে এ সম্পর্কিত একটি চুক্তি সই হয়।

 

 

 

চুক্তি অনুযায়ী, প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকরা নিওফারমার্স-এর পণ্য ক্রয়ে বিশেষ অফার উপভোগ করতে পারবেন।

 

 

 

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. নাজিম এ চৌধুরী এবং নিওফারমার্স লিমিটেড-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর তামজিদ সিদ্দিক স্পন্দন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র হেড অফ কাস্টমার প্রোপসিশন হোসেন মোহাম্মদ জাকারিয়া ও নিওফারমার্স লিমিটেড-এর সেলস এন্ড মার্কেটিং বিভাগের এ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার আমিনুর রহমান চৌধুরী সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশে লিথিয়াম ব্যাটারি উৎপাদনে হুয়াওয়ে ও ওয়ালটনের চুক্তি
                                  

স্টাফ রিপোর্টার 

 

বাংলাদেশের টেলিকমখাতের বিটিএসগুলোতে (বেস ট্রান্সসিভার স্টেশন) ব্যবহারের জন্য লিথিয়াম ব্যাটারি উৎপাদনে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে হুয়াওয়ে ও ওয়ালটন। হুয়াওয়ে বাংলাদেশের সিইও প্যান জুনফেং ও ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এস এম রেজাউল আলম আজ ঢাকায় হুয়াওয়ে বাংলাদেশ একাডেমিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। এছাড়া ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মঞ্জুরুল আলম অভি, গ্রামীণফোনের টেকনোলজি ডিভিশনের টাওয়ার ইনফ্রার পরিচালক ও প্রধান মো. আব্দুর রায়হান এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক/ক্যারিয়ার সংশ্লিষ্ট প্রায় ৩০ জন প্রতিনিধি এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

 

এই চুক্তির আওতায় ওয়ালটন আগামী সাত মাসের (সম্ভাব্য) মধ্যে টেলিকম লিথিয়াম ব্যাটারি বাংলাদেশে উৎপাদন ও বাজারজাত করবে। প্রতিষ্ঠানটি বছরে ৮০ হাজার ব্যাটারি উৎপাদনে সক্ষম একটি অত্যাধুনিক ও সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় প্রোডাকশন লাইন তৈরি করার পাশাপাশি সারা দেশে এই ব্যাটারির বিক্রয় ও বিক্রয়-পরবর্তী সেবা পরিচালনা করবে। লিথিয়াম ব্যাটারি উৎপাদনের জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তা, ডিজাইনের নির্দেশনা, কাঁচামাল ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিবে হুয়াওয়ে।

 

 

 

বহু বছর ধরে বিটিএস টাওয়ার ব্যাকআপ পাওয়ারের উৎসের জন্য লেড-এসিড ব্যাটারির উপর নির্ভরশীল। এই ব্যাটারিগুলো লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির মতো পরিবেশবান্ধব নয়। লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির চেয়ে লেড ব্যাটারি ৫০% বেশি কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ করে। এছাড়া এগুলো বায়ু ও মাটির দূষণের জন্যও দায়ী। অন্যদিকে লেড-এসিড ব্যাটারির সক্ষমতাও তুলনামূলকভাবে কম। এর কার্যকারিতা মাত্র ৮০-৮৫%। পাশাপাশি স্থায়ীত্ব ও ব্যাটারি এনার্জি ডেনসিটিও কম। বিটিএস-এ এগুলোর জন্য বেশি জায়গা প্রয়োজন হয়।

 

 

 

অপরদিকে, লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির কার্যকারিতা প্রায় ১০০%। এই ব্যাটারি যেমন দীর্ঘস্থায়ী, তেমন এর রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনও কম। পুনর্ব্যবহারের ক্ষেত্রেও এগুলো তুলনামূলকভাবে বেশি পরিবেশবান্ধব। এই কারণে বিটিএস টাওয়ারের ব্যাকআপ পাওয়ার হিসেবে লিথিয়াম ব্যাটারি টেলিকমখাতে ইতোমধ্যেই গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে।

 

 

 

তবে বাংলাদেশের বাজারে এখনো নিম্ন মানের নন-ইন্টেলিজেন্ট লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহৃত হচ্ছে। এইসব নন-ইন্টেলিজেন্ট লিথিয়াম ব্যাটারির স্থায়ীত্ব কম এবং রক্ষণাবেক্ষণও বেশ জটিল। এছাড়া এনএমএস (নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম)-এর মাধ্যমে এসব ব্যাটারির ব্যবস্থাপনা সম্ভব নয়। এই ধরনের নন-ইন্টেলিজেন্ট লিথিয়াম ব্যাটারি কোনো সাইট থেকে চুরি হলে টেলিকম অপারেটররা সময়মতো চুরির ঘটনা সনাক্ত করতে পারে না। ফলে সেই সাইটে ব্যাকআপ পাওয়ার থাকে না এবং অনেক সময় সাইটটি বন্ধও হয়ে যায়। এই কারণে সেই এলাকার ব্যবহারকারীরা নেটওয়ার্ক সমস্যার সম্মুখীন হন।

 

 

 

হুয়াওয়ে ও ওয়ালটনের চুক্তি এবং আগামীতে উৎপাদিত উচ্চমানের ইন্টেলিজেন্ট ব্যাটারি টেলিকম শিল্পে খরচ সাশ্রয়, পরিচালনা দক্ষতা বৃদ্ধি ও দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ায় সহায়ক হবে। এছাড়া এর ব্যবহার বাংলাদেশকে বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সাহায্য করবে।

 

 

 

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, “বর্তমানে সারাবিশ্বে নবায়নযোগ্য শক্তির একটি বিপ্লব চলছে। ক্রমশ জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে সোলার ফটোভোলটাইক ও বায়ুচালিত শক্তি মতো নবায়নযোগ্য শক্তির প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। আগামীতে উন্নয়নের জন্য লিথিয়াম এনার্জি স্টোরেজ প্রযুক্তি প্রয়োজন অনস্বীকার্য। হুয়াওয়ে ও ওয়ালটনের মধ্যে আজকের চুক্তিটি এই প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আমরা বিশ্বাস করি, উভয়পক্ষের এই সহযোগিতা বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান তৈরি ও রপ্তানি পরিসর বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের জনগণকে উপকৃত করবে।”

 

 

 

ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মঞ্জুরুল আলম অভি বলেন, “আমরা সবসময় বিশ্বাস করি যে, উদ্ভাবনই অগ্রগতির চাবিকাঠি। এটি আমাদের প্রতিটি পণ্য, সল্যুশন ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপের পিছনে চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে। আমাদের সাম্প্রতিক উদ্যোগ হলো একটি অত্যাধুনিক লিথিয়াম ব্যাটারি উৎপাদন কারখানা স্থাপন। এটি বাংলাদেশের টেলিকম শিল্পে বর্তমানে ব্যবহৃত লেড অ্যাসিড ব্যাটারির উপর নির্ভরতা কমিয়ে দেবে, যার ফলে সামগ্রিকভাবে কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য মাত্রায় হ্রাস পাবে। এই প্রকল্পটি শুধুই একটি ব্যবসায়িক উদ্যোগ নয়। সবুজ পৃথিবী রক্ষার যে অনুপ্রেরণা নিয়ে ওয়ালটন কাজ করে, এই চুক্তিটি সেই লক্ষ্যের দিকে আরেকটি পদক্ষেপ। হুয়াওয়ের বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তির সাহায্যে লিথিয়াম ব্যাটারি শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে আমরা একটি সবুজ দেশ গড়ায় ভূমিকা রাখতে পারবো। 

 

 

 

হুয়াওয়ে বাংলাদেশের সিইও প্যান জুনফেং বলেন, “হুয়াওয়ের লিথিয়াম ব্যাটারি ১৭০টির বেশি দেশে ৩৪০টিরও বেশি অপারেটর ব্যবহার করছে। অর্থাৎ, বিশ্বের টেলিকম খাতে ব্যবহৃত শক্তির এক-তৃতীয়াংশের জন্য এই ব্যাটারি ব্যবহৃত হচ্ছে। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে হুয়াওয়ের লিথিয়াম ব্যাটারির বাজারের শেয়ার ৩৫ শতাংশ। অপরদিকে, ওয়ালটন বাংলাদেশের সর্বাধুনিক বহুজাতিক ব্র্যান্ড, যা ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স, অটোমোবাইল এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি উৎপাদনে বিশেষভাবে দক্ষ। বাংলাদেশে লিথিয়াম ব্যাটারি উৎপাদনের জন্য ওয়ালটনের সাথে আমাদের একটি কৌশলগত চুক্তি হয়েছে। আমি আত্মবিশ্বাসী

প্রাইম ব্যাংক’র সাথে চুক্তি করলো মিউরা বাংলাদেশ
                                  

স্টাফ রিপোর্টার 

 

শীর্ষ স্থানীয় বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র সাথে চুক্তি সই করেছে মিউরা বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির কর্মীদের জন্য ব্যাংকিং সেবা বাড়াতে সম্প্রতি গুলশানে ব্যাংকের করপোরেট অফিসে প্রতিষ্ঠান দুটির মধ্যে এ সম্পর্কিত একটি চুক্তি সই হয়।

 

 

 

চুক্তি অনুযায়ী, মিউরা বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড-এর সকল কর্মীরা প্রাইম ব্যাংকের বিভিন্ন সেবায় বিশেষ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। বিশেষ করে তারা কার্ড, লোন ও ডিজিটাল ব্যাংকিং সল্যুশনসহ প্রেফারেনশিয়াল ব্যাংকিং সেবা উপভোগ করতে পারবেন। এসব অফার উপভোগের মাধ্যমে কর্মীরা বাড়তি আর্থিক সেবা ও নিরবিচ্ছিন্ন ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন।

 

 

 

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. নাজিম এ চৌধুরী এবং মিউরা বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইউজি কিডো নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র হেড অব উইমেন ব্যাংকিং ও অ্যাফ্লুয়েন্ট সেগমেন্ট শায়লা আবেদীন, হেড অব পেরোল ব্যাংকিং অনুপ কান্তি দাশ এবং মিউরা বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড-এর সিনিয়র ম্যানেজার মোহাম্মদ রিজওয়ান সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র সাথে ডিস্ট্রিবিউটর অর্থায়ন চুক্তি করলো সিনজেনটা বাংলাদেশ
                                  

স্টাফ রিপোর্টার  

 

শীর্ষ স্থানীয় বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র সাথে ডিস্ট্রিবিউটর অর্থায়ন সংক্রান্ত চুক্তি সই করেছে সিনজেনটা বাংলাদেশ লিমিটেড। সম্প্রতি ঢাকায় সিনজেনটা বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ চুক্তি সই অনুষ্ঠিত হয়।

 

 

 

চুক্তির আওতায়, সিনজেনটা বাংলাদেশের ডিস্ট্রিবিউটদের বন্ধকীমুক্ত এক কোটি টাকা পর্যন্ত ওভারড্রাফট ঋণ সরবরাহ করবে প্রাইম ব‌্যাংক পিএলসি।

 

 

 

প্রাইম ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. নাজিম এ চৌধুরী এবং সিনজ্টো বাংলাদেশের ব‌্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রাইম ব্যাংকের হেড অব কমার্শিয়াল ব্যাংকিং মো. আসিফ বিন ইদ্রিস, হেড অব করপোরেট অ‌্যান্ড ইন্সস্টিটিউশন ব‌্যাংকিং সাজিদ রহমান সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশের এমএসএমই খাতের সহায়তায় প্রাইম ব্যাংক ও আইএফসি’র মধ্যে ৯০ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর
                                  

স্টাফ রিপোর্টার 

 

বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি নির্ভর মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের (এমএসএমই) সহায়তায় ৯০ মিলিয়ন ডলারের টার্ম লোন চুক্তি করেছে বেসরকারি প্রাইম ব্যাংক পিএলসি এবং বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের সদস্য ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি)। এই বিনিয়োগের উদ্দেশ্য হলো- বাংলাদেশের এমএসএমই উদ্যোক্তাদের জন্য আর্থিক সুবিধা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো, যার মাধ্যমে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং স্থিতিশীলতা বাড়বে।

 

 

 

বাংলাদেশের এসএমই খাতে প্রায় ১০ মিলিয়ন উদ্যোক্তা রয়েছেন, যেখানে প্রায় ২৪ মিলিয়ন মানুষ নিয়োজিত রয়েছেন। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এখাতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে দেশের জিডিপিতে এ খাতের অবদান ২৫ শতাংশ, ২০৩০ সালে এ অবদান বেড়ে দাঁড়াবে ৩৫ শতাংশে। যদিও এ খাতের উদ্যোক্তারা মূল্যস্ফীতি ও আর্থিক সীমাবদ্ধতাসহ নানামুখী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছেন। তবে এখাতের প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নে অনেক সম্ভাবনা আছে। বর্তমানে এ খাতের ৩৯ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন ঘাটতি কমাতে নানা ধরনের উদ্যোগ গ্রাহণ করা হয়েছে।

 

 

 

আইএফসি’র এই বিনিয়োগের প্রধান লক্ষ্য প্রাইম ব্যাংকের সক্ষমতা বাড়িয়ে এমএসএমই খাতে অর্থায়ন বাড়ানো এবং এ খাতের অর্থায়ন ঘাটতি কমাতে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করা। এই উদ্যোগ এখাতে শুধু তাৎক্ষণিক তারল্য চাহিদাই পূরণ করবে না বরং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামোর জন্য অত্যাবশ্যকীয় খাতগুলোকেও সহায়তা করবে, বিশেষ করে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিবর্তনের ফলে যেসব খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

 

 

সম্প্রতি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান ও. রশীদ এবং আইএফসি’র এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের রিজিওনাল ইন্ডাস্ট্রি ডিরেক্টর অ্যালেন ফরলেমু নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

 

 

 

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান ও. রশীদ বলেন, ‘এই সহযোগীতা প্রাইম ব্যাংকের প্রতি আইএফসি’র আস্থা এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রতিফলন। আমাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণে আইএফসি’র সাথে দশকব্যাপী দীর্ঘ অংশীদারিত্ব সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। আমাদের প্রতি ধারাবাহিক সমর্থনের জন্য আমরা আইএফসি’র প্রতি কৃতজ্ঞ। আমাদের এমএসএমই ক্লায়েন্টদের সহায়তার জন্য ৯০ মিলিয়ন ডলারের নতুন এই অর্থায়ন নিঃসেন্দেহে আমাদের এমএসএমই পোর্টফোলিও বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

 

 

 

আইএফসি’র এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের রিজিওনাল ইন্ডাস্ট্রি ডিরেক্টর অ্যালেন ফরলেমু বলেন, ‘প্রাইম ব্যাংকে আমাদের বিনিয়োগ বাংলাদেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিশেষ করে নারী নেতৃত্বে পরিচালিত এমএসএমই খাতকে ক্ষমতায়ন করা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। এমএসএমই খাতে আর্থিক সুবিধা বাড়ানো এবং আর্থিক ইকোসিস্টেম শক্তিশালী করার মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের সমন্বিত প্রবৃদ্ধি এবং অর্থনীতির ভিত্তি মজবুত করতে চাই। আমরা আশা করি যে, আমাদের সমর্থন এমএসএমই খাতে শুধু আর্থিক সুবিধাই বাড়াবে না বরং বৃহত্তর বাজারের স্থিতিশীলতা বাড়াবে, যা বাংলাদেশের এমএসএমই খাতে আরও বিনিয়োগ আকর্ষণে সক্ষম হবে।’

 

 

 

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি, বাংলাদেশের একটি নেতৃস্থানীয় বেসরকারি খাতের বাণিজ্যিক ব্যাংক। ২০২৩ সালে ব্যাংকের গ্লোবাল ট্রেড ফাইন্যান্স প্রোগ্রাম (জিটিএফপি)-এর অধীনে আইএফসি কর্তৃক ব্যাংকটি স্বীকৃত এবং পুরস্কৃত হয়েছিল। এই সুবিধাটি আইএফসি থেকে প্রাইম ব্যাংকের বিদ্যমান আর্থিক সহায়তা পেতে সহায়তা করে। আইএফসি থেকে পাওয়া সহায়তাগুলোর মধ্যে রয়েছে- ৫০ মিলিয়ন ডলারের ক্যাপিটাল লোন সুবিধা এবং গ্লোবাল ট্রেড ফাইন্যান্স প্রোগ্রামের আওতায় ৮০ মিলিয়ন ডলারের ক্রেডিট গ্যারান্টি সুবিধা।

প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র সাথে পেরোল ব্যাংকিং চুক্তি করেছে রিভ গ্রুপ
                                  

স্টাফ রিপোর্টার  

 

শীর্ষ স্থানীয় বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক প্রাইম ব্যাংক পিএলসি’র সাথে পেরোল ব্যাংকিং চুক্তি সই করেছে প্রযুক্তি ও পোশাক খাতের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান রিভ গ্রুপ। চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্য রিভ গ্রুপের কর্মীদের জন্য ব্যাংকিং সেবা বাড়ানো।

 

 

 

আজ (১০ জুলাই) গুলশানে ব্যাংকের করপোরেট অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ চুক্তি সই হয়।

 

 

 

চুক্তির আওতায়, রিভ গ্রুপের কর্মীদের এক্সক্লুসিভ সুবিধা প্রদান করবে প্রাইম ব্যাংক। সুবিধাগুলোর মধ্যে রয়েছে: অ্যাকাউন্ট, ক্রেডিট কার্ড, ঋণ এবং ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা গ্রহণে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেবা প্রদান।

 

 

 

প্রাইম ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. নাজিম এ চৌধুরী এবং রিভ গ্রুপের সিইও মো. রেজাউল হাসান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রাইম ব্যাংকের হেড অব কমার্শিয়াল ব্যাংকিং মো. আসিফ বিন ইদ্রিস, হেড অব পেরোল ব্যাংকিং অনুপ কান্তি দাশ, কমার্শিয়াল ব্যাংকিং বিভাগের টিম হেড মেহেদী জামান খান এবং রিভ গ্রুপের ডেপুটি সিএফও মো. শহীদুল ইসলাম সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


   Page 1 of 11
     অর্থ-বাণিজ্য

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম.এ মান্নান
>
নির্বাহী সম্পাদক: মো: রাসেল মোল্লা


উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি: হাজী ইউসুফ চৌধুরী নাঈম

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আজমল হোসেন বাবু, সহ সম্পাদক: কাওসার আহমেদ । প্রধান বার্তা সম্পাদক: আবু ইউসুফ আলী মন্ডল, সহকারী-বার্তা সম্পাদক শারমিন আক্তার মিলি। ফোন: বার্তা বিভাগ 01618868682- 01914220053, সম্পাদক ও প্রকাশক: 01980716232

ঠিকানাঃ বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়- নারায়ণগঞ্জ, সম্পাদকীয় কার্যালয়- জাকের ভিলা, হাজী মিয়াজ উদ্দিন স্কয়ার মামুদপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। শাখা অফিস : নিজস্ব ভবন, সুলপান্দী, পোঃ বালিয়াপাড়া, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ-১৪৬০, রেজিস্ট্রেশন নং 134 / নিবন্ধন নং 69 মোবাইল : 01731190131,E-mail- notunbazar2015@gmail.com, E-mail : mannannews0@gmail.com, web: notunbazar71.net,
    2015 @ All Right Reserved By notunbazar71.com

Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD