|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
রূপগঞ্জে ধানের শীষে নির্বাচনী প্রচারণায় গণ মিছিলে জনতার ঢল
জাহাঙ্গীর আলম শাহীন৷
রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জ ১ রূপগঞ্জ আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী জননেতা মোস্তাফিজুর রহমান ভুইয়া দিপুর গন মিছিল কে সফল ও সার্থক করার লক্ষ্যে তারাবো পৌর যুবদলের আহবায়ক মোঃ আফজাল কবিরের নির্দেশনায় তারাবো পৌর সভা থেকে বিশাল এক মিছিল নিয়ে নির্বাচনী গণ মিছিলে যোগদান করেন।
নির্বাচনী গণ মিছিলে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের
সাবেক ১ নং সহ সংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আরমান মোল্লা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাসেল মোল্লার নেতৃত্বে ধানের শীষে নির্বাচনী প্রচারণার গনমিছিলে
উপস্থিত ছিলেন
যুবদল নেতা জাহাঙ্গির মোল্লা সাবেক সহ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারাবো পৌর বিএনপি, মোঃ আল আমিন বাবু সাবেক আহবায়ক তারাবো পৌর ছাত্রদল,মোঃ রাজন কাজী,যুবদল নেতা জামান চৌধুরী, মোঃ মারুফ মোল্লা, মোঃ সৌরভ, মোঃ সিফাত, ছাত্রদল নেতা আমান চৌধুরী, মোঃ রিফাত, মোঃ মিজান মোল্লা,মোঃ সুমন, মোঃ আলামিন, মোঃ শামীম, মোঃ নাঈম, আবির, নাফিস,বিহন, ইরফান, রুহুল, মোঃ মজিদ মিয়া সহ আরো অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন
|
|
জাহাঙ্গীর আলম শাহীন৷
রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জ ১ রূপগঞ্জ আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী জননেতা মোস্তাফিজুর রহমান ভুইয়া দিপুর গন মিছিল কে সফল ও সার্থক করার লক্ষ্যে তারাবো পৌর যুবদলের আহবায়ক মোঃ আফজাল কবিরের নির্দেশনায় তারাবো পৌর সভা থেকে বিশাল এক মিছিল নিয়ে নির্বাচনী গণ মিছিলে যোগদান করেন।
নির্বাচনী গণ মিছিলে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের
সাবেক ১ নং সহ সংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আরমান মোল্লা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাসেল মোল্লার নেতৃত্বে ধানের শীষে নির্বাচনী প্রচারণার গনমিছিলে
উপস্থিত ছিলেন
যুবদল নেতা জাহাঙ্গির মোল্লা সাবেক সহ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারাবো পৌর বিএনপি, মোঃ আল আমিন বাবু সাবেক আহবায়ক তারাবো পৌর ছাত্রদল,মোঃ রাজন কাজী,যুবদল নেতা জামান চৌধুরী, মোঃ মারুফ মোল্লা, মোঃ সৌরভ, মোঃ সিফাত, ছাত্রদল নেতা আমান চৌধুরী, মোঃ রিফাত, মোঃ মিজান মোল্লা,মোঃ সুমন, মোঃ আলামিন, মোঃ শামীম, মোঃ নাঈম, আবির, নাফিস,বিহন, ইরফান, রুহুল, মোঃ মজিদ মিয়া সহ আরো অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন
|
|
|
|
জাহাঙ্গীর আলম শাহিন
রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপুর পক্ষে তারাবো পৌর যুবদলের উদ্যোগে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়ে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার বিকেলে রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের কর্ণগোপ এলাকায় তারাবো পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মো. আফজাল কবিরের নেতৃত্বে এ গণসংযোগ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন তারাবো পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হোসেন ইমাম বাবুল, নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের ১ নং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আরমান মোল্লা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রাসেল মোল্লা, তারাবো পৌর ৪ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি নজরুল ইসলাম, যুবদল নেতা জাহাঙ্গির মোল্লা ও রিজভী, তারাবো পৌর ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক রাজন কাজী, যুবদল নেতা জামান চৌধুরী, কাঞ্চন পৌর ৫ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মুসলিম উদ্দিন, তারাবো পৌর ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি জুবায়ের, যুবদল নেতা রিফাত আলামিন, ছাত্রদল নেতা নাঈম মোল্লাসহ আবির মোল্লা, বিহন, ইরফান, নাফিস ও রুহুলসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে নেতাকর্মীরা এলাকার বিভিন্ন সড়ক ও অলিগলিতে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় হাতে হাতে লিফলেট বিতরণ করে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
নেতাকর্মীরা বলেন, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু একজন জনবান্ধব ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের অধিকার আদায়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আসন্ন নির্বাচনে তাঁকে বিজয়ী করতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও ইতিবাচক সাড়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
|
|
|
|
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সফর ও জনসমাবেশকে কেন্দ্র করে জেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু করেছে দলটি। তার আগমনকে ঘিরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের পাশাপাশি জোট মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যেও ব্যাপক উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
আগামী ২২ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কুট্টাপাড়া মোড়ের অনুষ্ঠিতব্য এই সমাবেশকে সামনে রেখে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি), বৃহস্পতিবার জেলা সদরে বিএনপির একাধিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সমাবেশ সফল করতে সার্বিক প্রস্তুতি ও দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
জেলা বিএনপি ও বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ের নেতারা একাধিক প্রার্থীকে সঙ্গে নিয়ে সমাবেশস্থল পরিদর্শন করেন এবং মঞ্চ নির্মাণ কাজের তদারকি করেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমান ২২ জানুয়ারি বিকাল ৩টায় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন।
বিএনপির পক্ষ থেকে আশা করা হচ্ছে, সমাবেশে পাঁচ থেকে ছয় লাখ মানুষের সমাগম ঘটবে। সে লক্ষ্যে প্রচার, পরিবহণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ সার্বিক প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। বিশেষভাবে নারীদের বড় উপস্থিতি নিশ্চিত করার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা সকাল থেকেই সমাবেশস্থলে উপস্থিত হবেন বলে দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে।
সকালে পুনিয়াউট অনুষ্ঠিত যৌথ সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর–বিজয়নগর) আসনের দলীয় মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল। সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন জহিরুল হক খোকন, সফিকুল ইসলাম, আনিসুর রহমান মঞ্জু, এবিএম মমিনুল হক, জসিম উদ্দিন রিপন, নজির উদ্দিন আহমেদ, শাহজাহান সিরাজ, জাকির হোসেন, আলী আজম, মো. আসাদুজ্জামান শাহীন, মনির হোসেন, মাইনুল ইসলাম চপল, মো. আজিম, মিজানুর রহমান, মো. মাহিনসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতারা।
সভায় জেলার ১৪টি ইউনিয়নের বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সমাবেশকে সফল করতে প্রচার, মঞ্চ, সাজসজ্জা, অভ্যর্থনা, স্বেচ্ছাসেবক, মিডিয়া, আপ্যায়ন, সংস্কৃতি ও প্রশাসনিক বিষয়সহ মোট নয়টি উপ-কমিটি গঠন করা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জোট মনোনীত প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবিব সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, তারেক রহমানের আগমনের আনন্দের বহিঃপ্রকাশ ঘটবে ২২ জানুয়ারির সমাবেশে। আমি আশা করি, তিনি সেদিন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি আসনের বিএনপি ও জোট মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থীদের হাত উঁচিয়ে পরিচয় করিয়ে দেবেন।
জেলা বিএনপির সভাপতি প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, আমরা আশা করছি তারেক রহমানের সমাবেশে পাঁচ থেকে ছয় লাখ মানুষের সমাগম ঘটবে। এর মধ্য দিয়ে ধানের শীষের গণজোয়ার সৃষ্টি হবে। তাই এ সমাবেশ আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
|
|
|
|
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সফর ও জনসমাবেশকে কেন্দ্র করে জেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু করেছে দলটি। তার আগমনকে ঘিরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের পাশাপাশি জোট মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যেও ব্যাপক উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
আগামী ২২ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কুট্টাপাড়া মোড়ের অনুষ্ঠিতব্য এই সমাবেশকে সামনে রেখে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি), বৃহস্পতিবার জেলা সদরে বিএনপির একাধিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সমাবেশ সফল করতে সার্বিক প্রস্তুতি ও দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
জেলা বিএনপি ও বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ের নেতারা একাধিক প্রার্থীকে সঙ্গে নিয়ে সমাবেশস্থল পরিদর্শন করেন এবং মঞ্চ নির্মাণ কাজের তদারকি করেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তারেক রহমান ২২ জানুয়ারি বিকাল ৩টায় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন।
বিএনপির পক্ষ থেকে আশা করা হচ্ছে, সমাবেশে পাঁচ থেকে ছয় লাখ মানুষের সমাগম ঘটবে। সে লক্ষ্যে প্রচার, পরিবহণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ সার্বিক প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। বিশেষভাবে নারীদের বড় উপস্থিতি নিশ্চিত করার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা সকাল থেকেই সমাবেশস্থলে উপস্থিত হবেন বলে দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে।
সকালে পুনিয়াউট অনুষ্ঠিত যৌথ সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর–বিজয়নগর) আসনের দলীয় মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল। সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন জহিরুল হক খোকন, সফিকুল ইসলাম, আনিসুর রহমান মঞ্জু, এবিএম মমিনুল হক, জসিম উদ্দিন রিপন, নজির উদ্দিন আহমেদ, শাহজাহান সিরাজ, জাকির হোসেন, আলী আজম, মো. আসাদুজ্জামান শাহীন, মনির হোসেন, মাইনুল ইসলাম চপল, মো. আজিম, মিজানুর রহমান, মো. মাহিনসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতারা।
সভায় জেলার ১৪টি ইউনিয়নের বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সমাবেশকে সফল করতে প্রচার, মঞ্চ, সাজসজ্জা, অভ্যর্থনা, স্বেচ্ছাসেবক, মিডিয়া, আপ্যায়ন, সংস্কৃতি ও প্রশাসনিক বিষয়সহ মোট নয়টি উপ-কমিটি গঠন করা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে জোট মনোনীত প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবিব সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, তারেক রহমানের আগমনের আনন্দের বহিঃপ্রকাশ ঘটবে ২২ জানুয়ারির সমাবেশে। আমি আশা করি, তিনি সেদিন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি আসনের বিএনপি ও জোট মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থীদের হাত উঁচিয়ে পরিচয় করিয়ে দেবেন।
জেলা বিএনপির সভাপতি প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, আমরা আশা করছি তারেক রহমানের সমাবেশে পাঁচ থেকে ছয় লাখ মানুষের সমাগম ঘটবে। এর মধ্য দিয়ে ধানের শীষের গণজোয়ার সৃষ্টি হবে। তাই এ সমাবেশ আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
|
|
|
|
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট ইতোমধ্যে ২৫৩টি আসনে সমঝোতার ভিত্তিতে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে এই সমঝোতার ঘোষণা দেন জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
তিনি জানান, এই সমঝোতার আওতায় জামায়াত ১৭৯টি, এনসিপি ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি, খেলাফত মজলিস ১০টি, এলডিপি ৭টি, এবি পার্টি ৩টি, বিডিপি ২টি এবং নেজামে ইসলাম ২টি আসনে প্রার্থী দেবে।
প্রাথমিকভাবে অবশিষ্ট ৪৭টি আসন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য রাখা হয়েছিল। তবে শুক্রবার বিকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জানিয়েছে, তারা জোটের সঙ্গে থাকবে না এবং এককভাবে ২৬৮টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।
জোট থেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বের হয়ে যাওয়ায় ৪৭টি আসনে কারা প্রার্থী হতে পারেন তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। জানা গেছে, এই আসনগুলো সমঝোতার ভিত্তিতে জোটের অন্য দলগুলোর মধ্যে বিতরণ করা হবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জোটের এক নেতা গণমাধ্যমে জানিয়েছেন, অবশিষ্ট ৪৭টি আসনের মধ্যে ৩৫–৪০টি আসনে প্রার্থী দেবে জামায়াত এবং বাকি ৭–১২টি আসন ভাগাভাগি করা হবে এনসিপি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও এবি পার্টিসহ অন্যান্য জোটের মধ্যে
|
|
|
|
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জোটে না গিয়ে এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেয় দলটি।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, জামায়াত আদর্শচ্যুত হয়নি এবং কাউকে তুচ্ছতাচ্ছিল্যও করা হয়নি। সম্মিলিতভাবেই এগিয়ে চলার একটি প্রক্রিয়া চলছিল।
এই নেতা আরও বলেন, জোটভুক্ত ১০ দলের মধ্যে ইতোমধ্যে ২৫৩টি আসনের বণ্টন সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ৪৭টি আসন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিষয়ে জোটের লিয়াজোঁ কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে।
এদিকে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান বলেন, ১১ দলের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেবে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলের কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবে না, এককভাবে ২৬৮ আসনে নির্বাচন করবে।
তিনি বলেন, আমরা যে নীতি-আদর্শকে ঘিরে জোটবদ্ধ হয়ে আন্দোলনে নেমেছিলাম, এখন সেই নীতি-অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নির্বাচনের আগেই যেহেতু প্রতিদ্বন্দ্বিদের সঙ্গে সমঝোতা হয়ে যাচ্ছে, কাজেই প্রশ্ন উঠছে এটি ইলেকশন হবে নাকি সিলেকশন।
|
|
|
|
স্টাফ রিপোর্টার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বিএনপি তাদের যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দল গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে এই আসনটি ছেড়ে দিয়েছে। তবে দলের এই সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
এদিকে এই আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মু. শাহ আলম ইতিমধ্যে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। ফলে একই আসনে বিএনপি-সমর্থিত শরিক দলের প্রার্থী নুরুল হক নুর, জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক মু. শাহ আলম এবং বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন এই তিনজনকে ঘিরে নির্বাচনী মাঠে নতুন রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ও বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে ভোটের টানাপোড়েনে জাতীয়তাবাদী ভোটব্যাংক বিভক্ত হতে পারে। অন্যদিকে ইসলামপন্থি আটদলীয় জোট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অধ্যাপক মু. শাহ আলমকে মনোনয়ন দেয়া হলে ভোটের সমীকরণ আরও বদলে যেতে পারে। দীর্ঘদিন শিক্ষকতা এবং এলাকায় তার সক্রিয় রাজনৈতিক পদচারণার কারণে স্থানীয় পরিচিতি ও সংগঠনের ভোটব্যাংক উভয়ই তার পক্ষে কাজ করতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মীরা।
তাদের ভাষ্য, বিএনপির অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতার সুযোগে তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে যেতে পারেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এই প্রার্থী।
তবে ইসলামপন্থী আটদলীয় জোটের প্রার্থী যদি শেষ পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর বাইরে অন্য কোনো দল থেকে মনোনীত হন, তাহলে এ পর্যন্ত তৈরি হওয়া অনুকূল সমীকরণ ভেঙে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে জামায়াতের প্রার্থীর জন্য সম্ভাব্য ‘সুযোগের জানালা’ হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এ আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা মুফতি আবু বকর সিদ্দীকও। গলাচিপা ও দশমিনা দুই উপজেলাজুড়েই এখন নির্বাচনী আলোচনা তুঙ্গে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা যেমন মাঠে সক্রিয়, তেমনই সরব কর্মী-সমর্থকেরাও। সব মিলিয়ে পটুয়াখালী-৩ আসনে ত্রিমুখী লড়াইয়ের স্পষ্ট ইঙ্গিত এবং অঘটনের সম্ভাবনার কথা বলছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
|
|
|
|
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে বিএনপি’র কেন্দ্র ঘোষিত সংসদ সদস্য প্রার্থী পরিবর্তনের দাবীতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে পৌরশহরের পেট্রলপাম্প সংলগ্ন অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচী পালন করেন রংপুর বিভাগীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেকের অনুসারীরা।
সংবাদ সম্মেলনে কুড়িগ্রাম জেলা কৃষকদলের সদস্য ওবায়দুল হক বলেন, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে বিএনপি নেতা-কর্মীসহ সাধারণ জনগনের আশার প্রতিফলন হয়নি। ১৭ বছরের পরীক্ষিত নির্যাতিত কারাবন্দি আব্দুল খালেকের পরিবর্তে আওয়ামীলীগের সাথে আতাত করে চলা এবং আন্দোলন বিমূখ ব্যক্তির নাম বিএনপির মহাসচিব ঘোষনা করেছেন। যাকে উলিপুরের জনগন প্রত্যাখ্যান করেছে। উলিপুরের জনগনের চাওয়া এ আসনে বিএনপির এমপি প্রার্থী হবেন আব্দুল খালেক। তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রদল, যুবদল ও বর্তমানে রংপুর বিভাগীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। আন্দোলন করতে গিয়ে ২০২২ সালে আ’লীগ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ৪৫ দিন ছিলেন। ফ্যাসিস্ট হাসিনা পতন আন্দোলনের পুরো সময় আব্দুল খালেক বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশনা অনুসারে রংপুর বিভাগে কাজ করেছেন। আব্দুল খালেক দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ১ সেকেন্ডের জন্য দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যাননি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে যাকে উলিপুরের মনোনয়ন দেয়া হয়েছে তিনি জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব থাকলেও ১টি রাজনৈতিক মামলা হয়নি। আমরা অবিলম্বে তাসভীর উল ইসলামের পরিবর্তে আব্দুল খালেককে উলিপুরের বিএনপির প্রতিনিধি হিসাবে চাই। আমরা আশা করি বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উলিপুর আসনের বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল খালেকের প্রায় শতাধিক অনুসারী উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব হায়দার আলী মিঞা বলেন, যারা প্রার্থীর পরিবর্তন চায় তারা বিএনপি’র কেউ না, তারা ষড়যন্ত্রকারী। অন্যান্য দলের প্রার্থীদের সুবিধা করে দিতেই তারা এ ধরনের কাজ করছেন। উলিপুরের সর্বস্তরের মানুষের দাবী ছিল তাসভীর উল ইসলামকে প্রার্থী ঘোষনা করা। দল সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। এই আসনে বিএনপি ও সকল অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা কেন্দ্র ঘোষিত প্রার্থী তাসভীর উল ইসলামের সাথেই আছেন। তাসভীর উল ইসলামকে প্রার্থী ঘোষনা করায় বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে বিএনপি’র নেতা-কর্মী ও কুড়িগ্রাম-৩ আসনের এলাকাবাসী কৃতজ্ঞ।
উল্লেখ্য, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য ও কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি তাসভীর উল ইসলামের নাম ঘোষনা করা হয়।
|
|
|
|
বিশেষ প্রতিনিধি :
পঞ্চগড়-১ আসনে শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ও পঞ্চগড় জেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এংব ঢাকা প্রেস ক্লাব ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সাংবাদিক নেতা আনিছুর রহমান প্রধান আনিস আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি এলডিপির প্রার্থী হিসেবে ছাতা মার্কায় নির্বাচন করবেন বলে জানা গছে। বর্তমানে এলডিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও জেলা এলডিপির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। আনিস প্রধান ১৯৯৪ সালে আটোয়ারী উপজেলার ডাঙ্গীরহাট সরকারি কলেজে প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেন। দীর্ঘ চার বছর পর কলেজটি পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত করার পরে তিনি পিতা দানবীর আলহাজ্ব খামির উদ্দিন প্রধানের আদেশ টুনিরহাট শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। পরে তিনি উপাধ্যক্ষ পদে পদোন্নতি পান। বর্তমানে তিনি অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জানান, পঞ্চগড় -১ আসনের প্রার্থী হিসেবে এলডিপি তাঁর নাম ঘোষণা দিয়েছেন।তিনি বলেন,বিধবা, বয়স্ক, প্রতিবন্ধীভাতাসহ সকলভাতা স্বচ্ছতার সাথে প্রদান নিশ্চিত করা, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, টেন্ডারবাজি চাঁদাবাজি বন্ধ করা, পঞ্চগড় জেলার সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচার হয়ে সারা দেশে চলে যাচ্ছে এটা বন্ধ করা এবং পঞ্চগড়ের চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন, বেকার সমস্যার সমাধান, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষার মানোন্নয়ন, জেলার মানুষের স্বাস্থ্য সেবায় মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য কাজ করবেন। ব্যক্তিগত তিনি এক কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জনক। কন্যা আনিকা তাসনিম প্রধান ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল নর্দান মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করে একই কলেজে দুই বছর অধ্যাপনা করেন। পরে লন্ডন বার্মিংহাম সিটি ইউনিভার্সিটিতে এমপিএইচ ডিগ্রি শেষ করে মেডিকেল সাইন্সে পিএইচডিতে অধ্যায়নে চেষ্টারত। ছেলে মাহী আনিস প্রধান ঢাকা অ্যামেরিকান ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্স এর তৃতীয় বর্ষে সেমিষ্টারে অধ্যয়নরত। স্ত্রী পারভীন কবীর জেলা সদরের খামির উদ্দিন প্রধান উচ্চ বিদ্যালয়ে সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। জনাব আনিস ২০০৪ সালে সাংবাদিকতা পেশায় আছেন। তিনি জেলা প্রতিনিধি হিসেবে আজকের প্রতিভা ও বাংলাবাজার পত্রিকার সংবাদ সংস্থা ডিএন মাধ্যমে সাংবাদিকতায় আসেন। পরে তিনি সিএসবি নিউজ টিভি, একুশে টেলিভিশন, বৈশাখী টিভি, আই টিভি, কোলকাতা টিভি, খোলা কাগজ, মানবকণ্ঠ,ডৈনিক ডিটেকটিভ নিউজ পত্রিকায় জেলা সংবাদদাতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি সময়ের কাগজের পঞ্চগড় জেলা সম্পাদকসহ একাধিক প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ২০০৬ সালে পঞ্চগড় জেলা প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ ন্যাশনাল নিউজ ক্লাবের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও ঢাকা প্রেস ক্লাবের স্থায়ী সদস্য। বর্তমানে তিনি জেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, তাঁকে ছাতা মার্কায় ভোট দিলে পঞ্চগড়ের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে কাজ করবো ইনশাআল্লাহ। এখনো আমি আমার বাবার মতো নানান সামাজিক কাজে জড়িত আছি। তিনি জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীতা ঘোষণার পর এ আসনের বিভিন্ন এলাকার মানুষের ব্যাপক সমর্থন ও সাড়া পাচ্ছেন । তাঁর বাবা আলহাজ্ব খামির উদ্দিন প্রধান পঞ্চগড় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা। তিনি পঞ্চগড় থানা কাউন্সিলের পাঁচ বছর চেয়ারম্যান ছিলেন। একাধারে ৩৫ বছর চাকলাহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি এলাকায় দানবীর হিসেবে পরিচিত। তিনি কেপি উচ্চ বিদ্যালয়, হাজী খামির উদ্দিন প্রধান আলিম মাদ্রাসা, পঞ্চগড় সরকারি মহিলা কলেজ, হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ, চাকলাহাট বিএম কলেজ, বগুলাডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চাকলাহাট কোবাদ আলী প্রধান এতিমখানা, শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজের জমিদাতা ও প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৫৬ সালে প্রতিষ্ঠিত মকবুলার রহমান ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে এককালীন ৫০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করেন। তাঁরই সুযোগ্য সন্তান আনিস প্রধান। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনিস প্রধান শতভাগ জয়ের আশাবাদী। তারা দাবী এলাকর উন্নয়নে তাকে ছাতা মার্কায় ভোট দিয়ে পঞ্চগড়-১ আসনে জনসাধারনের সেবা করার সুযোগ দিন।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: আনিস ভাই একজন সাংবাদিক নেতা। এই নিউজটা সকলে করবেন বলে সকলের কাছে বিনয়ভাবে অনুরোধ করছি।
|
|
|
|
মাহমুদা আক্তার
নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি
আশরাফ উদ্দিন খান ১৯৪৬ সালে নেত্রকোনার চকপাড়াস্থ এক প্রাচীন মুসলিম জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতামহ সমসের খান ছিলেন বর্তমান নেত্রকোনা শহরের এক বিরাট অংশের জমিদার। তিনি শুধু জমিদার ছিলেন না, ছিলেন একজন মানবপ্রেমী জনহিতৈষী।
নেত্রকোনা পৌরসভা, নেত্রকোনা মডেল থানা থেকে শুরু করে আঞ্জুমান আদর্শ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, নিউটাউনের বড়পুকুর, বড়বাজার, মুসলমানদের জন্য সাতপাই গোরস্তান, হিন্দুদের জন্য মহাশ্মশান খলা, কোর্ট স্টেশন, বড় স্টেশনের জায়গাসহ অসংখ্য জমি তিনি জনসেবার উদ্দেশ্যে দান করেছেন। জেলা শহরের আধুনিক রূপরেখার ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপনে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। সমসের খানের তিন পুত্রের জ্যেষ্ঠ পুত্র আজিম খান ও তার পুত্র আশরাফ উদ্দিন খানের পিতা মরহুম মুজাফর আলী খান দুজনই ছিলেন এলাকার সুপরিচিত দানবীর এবং সমাজসেবক। আশরাফ উদ্দিন খান পড়াশোনা করেন আঞ্জুমান আদর্শ সরকারি বিদ্যালয় ও নেত্রকোনা সরকারি কলেজে। কলেজ জীবনেই তিনি ছাত্র ইউনিয়নের বিপুল ভোটে ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ক্রীড়াঙ্গনে নেতৃত্ব দেন। তিনি ওই সময়ে জেলার সেরা ফুটবলার হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ডাক আসলে মো. আশরাফ উদ্দিন খান সরাসরি ভারতে গমন করে প্রশিক্ষণ নেন এবং জেড ফোর্সের সদস্য হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ১১ নম্বর সেক্টরে ঐতিহাসিক ধানুয়া কামালপুর যুদ্ধে সম্মুখসমরে তিনি নেতৃত্ব দেন। এক অভিযানে এলএমজি দিয়ে একাই ১৯ জন পাকিস্থানী সেনাকে জীবিত বন্দি করে দেশের প্রতি নিজের অশেষ সাহস ও দায়বদ্ধতা প্রমান করেন। তিনি নেত্রকোনা মহকুমা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং পরবর্তীতে ইউনিট কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৭৯ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে নেত্রকোনার প্রথম জেলা পরিষদে উপ-মন্ত্রীর পদমর্যাদায় সফলভাবে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সংসদ সদস্য থাকাকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নেত্রকোনার তিলকখালি খান খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। ওই অনুষ্ঠানের সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ উদ্দিন খান। তিনি দায়িত্বে থাকাকালে জেলা শহরের ডিসি অফিস, জজকোট, এসপি অফিস, ব্রিজ-কালভার্ট, মসজিদ-মন্দির, বিদ্যুতায়নসহ অসংখ্য উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। নেত্রকোনা জেলা প্রেসক্লাব, গণগ্রস্থাগার, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, রাইফেলস ক্লাবসহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পেছনে বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ উদ্দিন খানের মেধা ও নেতৃত্ব কাজ করেছে। উল্লেখ্য যে, নেত্রকোনায় মুসলমানদের জন্য সবচাইতে প্রাচীন ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মিফতাহুল উলুম মাদ্রাসা যেটা তার বাবা প্রতিষ্ঠা করে গিয়েছিলেন এই মাদ্রাসার এখনো তিনি শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ কে নিয়ে প্রধান তত্ত্বাবধায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন এজন্য মুসলিম আলেম-ওলামা সমাজও আশরাফ উদ্দিন খানের প্রতি রয়েছে গভীর শ্রদ্ধাবোধ ও ভালোবাসা।
নেত্রকোনায় বিএনপির শিকড় গড়া, বিস্তার ও রক্ষনাবেক্ষণের সঙ্গে বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ উদ্দিন খান ওতোপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ উদ্দিন খান ১৯৯৭ সালে নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সভাপতি, ২০০৯ সালে জেলা বিএনপির আহবায়ক এবং ২০১৪ সালের ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় জেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি পদে ১৫২৫ ভোটের মধ্যে ১১৬৮ ভোট পেয়ে পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
২০০৬ সালের বাতিল হওয়া জাতীয় সংসদ এবং ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চারদলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী হিসেবে মো. আশরাফ উদ্দিন খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। জেলা বিএনপির দুঃসময়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের একজন পরীক্ষিত সৈনিক হিসাবে ভূমিকা রেখেছেন তিনি। এজন্য তাকে নেত্রকোনার রাজপথে মাথার রক্ত ঝড়াতে হয়েছে। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার দেড়দশকে বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ উদ্দিন খানের চকপাড়াস্থ বাসভবনে গভীররাতে সবচাইতে বেশী পুলিশী তল্লাশীর শিকারে পরিণত হয়। তিনি ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুথানে শেখ হাসিনা পালিয়ে যাবার পর জেলা শহরের প্রতিটি পূজামন্ডপসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের সুরক্ষায় পরিবারের সদস্যদের সমন্বয়ে রাতজেগে পাহাড়া দেয়ার ব্যবস্থা করেন। এ আসনের বিশাল হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে আশরাফ উদ্দিন খানের পারিবারিক ভাবে সুসম্পর্ক দীর্ঘদিনের। তাই আশরাফ ভাই মানেই হিন্দু ভাই বোনদের নিরাপত্তা ও আশ্রয়স্থল। নেত্রকোনা সদর এবং বারহাট্রা উপজেলায় বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ উদ্দিন খান একডাকে ‘“আশরাফ ভাই” হিসেবে পরিচিত। তিনি জেলা বিএনপির দুঃসময়ের একজন পরীক্ষিত নেতা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যার্শী হিসেবে তিনি ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন।
তবে ব্যক্তিগতভাবে লেখক জনাব আশরাফ উদ্দিন খানকে প্রশ্ন রেখেছিলেন আপনি যদি মনোনয়ন না পান তাহলে কি আপনি স্বতন্ত্র থেকে আসন্ন ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কিনা? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি এক কথায় একটি চমৎকার উত্তর দিয়েছেন তিনি বলেন --
" ধানের শীষ যার আশরাফ উদ্দিন তার "
এই উত্তর থেকেই বুঝা যায় জনপ্রিয়তায় শক্তিশালী অবস্থানে থেকেও দলের প্রতি তার আনুগত্য কতটুকু।
পরিশেষে এতটুকু কথা তো বলাই যায় সার্বিক বিবেচনায় নেত্রকোনা - ২ আসনে ভোটের দৌড়ে
বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব আশরাফ উদ্দিন খান এখনো
" বাজির ঘোড়া "
|
|
|
|
রাজশাহী প্রতিনিধিঃ
জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনসহ ৫- দফা দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির কর্মসূচি ঘোষণার আলোকে আজ ২৬ শে সেপ্টেম্বর ২০২৫, তানোর উপজেলার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শাখার পক্ষ থেকে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বিকেল পাঁচটার দিকে তানোর উপজেলার মডেল মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে তানোর টু রাজশাহীর প্রধান সড়ক দিয়ে তানোর থানার মোড় হয়ে তানোর গোল্লা পাড়া বাজার পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করেন। উক্ত বিক্ষোভ মিছিলে তানোর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার জামায়াতের সক্রিয় অনেক নেতা কর্মী গণ উপস্থিত ছিলেন। বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত নেতা কর্মী ৫- দফার দাবিতে দাড়িপাল্লা প্রতিক, পিআর পদ্ধতি সহ নানা শ্লোগান দেন। বিক্ষোভ মিছিল শেষে নেতা কর্মী গণ তানোর গোল্লা পাড়া ফুটবল মাঠে সমাবেশ করেন।
উক্ত সমাবেশে পুরো মাঠ জামায়াতের নেতা কর্মীদের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়। সমাবেশে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন শিবির নেতা আব্দুল মোমিন, জামায়াত নেতা আজাহার, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা আনিসুর রহমান, মাওলানা জামিলুর রহমান, মাওলানা আক্কাস আলী, যাদরুল ইসলাম সেকেন্দার প্রমুখ।
উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জনাব মাওলানা আলমগীর হোসেন- আমাীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী- তানোর উপজেলা শাখা।
তিনি উপস্থিত সকল নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে বিজয় করতে নানা দিক নির্দেশনা মূলক কথা বলেন। আলোচনা শেষে সভাপতি সুশৃঙ্খলভাবে আজকের কর্মসূচির সমাপ্ত ঘোষণা করেন।
|
|
|
|
তারাগঞ্জ প্রতিনিধি (রংপুর):
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলা জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির দ্বি-বার্ষিক কমিটি গঠিত হয়েছে। শনিবার রাত সাড়ে ৭ টায় ভোট গণনা শেষে সিরাজুল ইসলামকে সভাপতি ও মেহেদী হাসান শিপুকে সাধারণ সম্পাদক এবং মাহবুবার রহমান ও কোবায়েদ হোসেনকে সাংগঠনিক সম্পাদক ঘোষণা করা হয়।
জানা গেছে, শনিবার তারাগঞ্জ ও/এ বালিকা স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে দলটির দ্বি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে সভাপতি পদে ৩ জন, সাধারণ সম্পাদক পদে ২ জন ও সাংগঠনিক পদে ৩ জন করে মোট আটজন প্রার্থী অংশ নেন।
সম্মেলন ঘিরে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রংপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, রংপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আনিছুর রহমান লাকু, সদস্য এডভোকেট আফতাব উদ্দিন।
পরে কাউন্সিলে অংশ নেয়া প্রার্থীদের মার্কায় ৩৫৫ জনের মধ্যে ৩৫৩ জন ভোটার ভোট দেন। বিকেল চারটা থেকে ছয়টা পর্যন্ত চলে ভোট গ্রহণ। শান্ত পরিবেশে প্রশাসনের সহায়তায় পরে রাত সাড়ে ৭ টার দিকে ফলাফল ঘোষণা হয়।
ফলাফলে দেখা যায়, সভাপতি পদে ১৮২ ভোট পেয়ে সিরাজুল ইসলাম নির্বাচিত হন, নিকটতম প্রতিদ্বন্দী অ্যাডভোকেট মাকদুম আলম পেয়েছেন ১৪৮ ভোট,অপর প্রার্থী মতিয়ার রহমান পেয়েছেন ২২ ভোট। সাধারণ সম্পাদক পদে ২৩৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন মেহেদী হাসান শিপু, নিকটতম প্রতিদ্বন্দী গোলাম কিবরিয়া পেয়েছেন ১১৬ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মাহবুবার রহমান ২১৮ ভোট পেয়ে ১ম বিজয়ী, কোবায়েদ হোসেন ১৯০ ভোট পেয়ে ২য় বিজয়ী সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। অপর প্রার্থী সোনাউল্লাহ সরকার পেয়েছেন ১৫৫ ভোট।
নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান শিপু বলেন, দীর্ঘ ১০ বছর পর নেতাকর্মীরা সরাসরি ভোটে নেতৃত্ব নির্বাচন করতে পেরেছেন। এতে তৃণমূলের মধ্যে নতুন করে প্রাণ চঞ্চল্য ফিরে এসেছে।
সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, আজ আমাদের প্রবীণদের নেতৃত্ব দেয়ার দিন এসেছে। সরকার গঠন হলে দেশের সকল অন্যায় অবিচার দুর করে উন্নয়নে আমরা অংশীদার হয়ে থাকতে চাই।
|
|
|
|
|
রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি :
নওগাঁর রাণীনগরে জমকালো আয়োজনের মধ্যদিয়ে গোনা ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে গোনা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ৩নং গোনা ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
আয়োজনে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাসান আলীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন মিঠুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব এছাহক আলী। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোসারব হোসেন।
এছাড়াও জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি এবং তার অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দদের ও ইউনিয়ন বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। আলোচনা সভা শেষে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব এছাহক আলীর ৬০তম জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা হয়। সন্ধ্যায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
|
|
|
|
ছাতক সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার উত্তর খুরমা ইউনিয়ন শাখার খেলাফত মজলিসের উদ্যোগে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে
গত ২৯ জুলাই মঙ্গলবার বিকালে স্থানীয় ধারণ বাজারে আয়োজিত এ সভায় ইউনিয়ন শাখার সহ-সভাপতি মাওলানা শরাফত আলীর সভাপতিত্বে এবং ইমাম উদ্দিন মামুনের সঞ্চালনায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন,
প্রিন্সিপাল মাওলানা কামাল উদ্দিন নির্বাহী সদস্য, খেলাফত মজলিস সুনামগঞ্জ জেলা শাখা,মাওলানা জসিমউদ্দীন সাধারণ সম্পাদক খেলাফত মজলিস ছাতক উপজেলা শাখা,কে. এম. মোশাহিদ আলী সভাপতি, ইসলামী যুব মজলিস সুনামগঞ্জ জেলা শাখা,মাওলানা কাওছার আহমদ সহ-সাধারণ সম্পাদক, খেলাফত মজলিস ছাতক উপজেলা শাখা,
আলোচনার মূল বিষয়বস্তু:
সভায় দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় খেলাফত মজলিসের ভূমিকা এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষভাবে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেয়াল ঘড়ি প্রতীকে খেলাফত মজলিস মনোনীত এমপি প্রার্থী হাফিজ মাওলানা আব্দুল কাদির-এর প্রার্থিতাকে সফল করতে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।
অঙ্গীকার ও কর্মপরিকল্পনা:
প্রার্থীর পক্ষে গণসংযোগ জোরদার করা
দেয়াল ঘড়ি প্রতীকের প্রচার ও জনসচেতনতা বাড়ানো
ইউনিয়নের ওয়ার্ডভিত্তিক টিম গঠন করে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা
স্থানীয় জনগণের মধ্যে ইসলামী রাজনীতির মূলনীতি ও দলের অবস্থান তুলে ধরা
সভায় বক্তারা খেলাফত মজলিসের ইসলামী আদর্শ বাস্তবায়নে নিবেদিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং আগামী নির্বাচনে দেয়াল ঘড়ি প্রতীককে বিজয়ী করতে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
|
|
|
|
মো:রাসেল মোল্লা
বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি ও বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মনিরুজ্জমান বলেছেন, স্বাধীনতার পর বাকশাল গঠন করে গণতন্ত্রের কবর দেওয়া হয়েছিলো। দেশের প্রথম নির্বাচনে শেখ মুজিবের নেতৃত্বে ভোটের ব্যালট ছিনতাই হয়েছে। দাউদকান্দীতে ব্যালট ছিনতাই করে খন্দকার মোস্তাক আহম্মেদকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছিলো। তারই ধারাবাহিকতায় ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা গণতন্ত্রকে নস্মাৎ করে সকল ক্ষমতা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক করেছে। দেরিতে হলেও জুলুমবাজ ও নির্যাতনকারী স্বৈরাচারীর পতন হয়েছে। জনগণের বিরুদ্ধে গিয়ে কেউ ক্ষমতায় থাকতে পারেনা।
ছাত্র-তরুণ-জনতা বাংলাদেশকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। গতকাল ৫জুলাই শনিবার তারাবো পৌরসভার রূপসী কাজীবাড়ি মাঠে আয়োজিত চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশ ও আমাদের রাজনৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন কর্তৃক আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন তারাবো পৌরসভা বিএনপির সাবেক সভাপতি নাসির উদ্দিন ।
সভায় বক্তব্য রাখেন তারাবো পৌরসভার সাবেক মেয়র শফিকুল ইসলাম চৌধুরী, নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন, জুলাই যোদ্ধা ও তারাবো পৌর যুবদলের সদস্য সচিব কাজী আব্দুল আহাদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মাহবুবুর রহমান, বিএনপি নেতা আলী আকবর, দেওয়ান মোহাম্মদ, যুবদল নেতা এডভোকেট আমিরুল ইসলাম ইমন, আবু মোহাম্মদ মাসুম, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি হাওয়া বেগম ও উপজেলা জিয়া মঞ্চের সভাপতি জজ মিয়া প্রমুখ।
কাজী মনিরুজ্জামান আরো বলেন, ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা সকলকে ধারণ করতে হবে। সভায় বর্তমান সরকারের কাছে অবিলম্বে অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন দেয়ার দাবী জানানো হয়৷
রিপোর্ট
নির্বাহী সম্পাদক
দৈনিক নতুন বাজার ৭১.নেট
|
|
|
|
স্টাফ রিপোর্টার
সিলেটের জকিগঞ্জে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম কর্তৃক দলীয়ভাবে ঘোষিত আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসন থেকে সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী হাফিজ মাওলানা আনওয়ারা হোসাইন খাঁন মতবিনিময় করেছেন।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) দুপুরে জকিগঞ্জ শহরের জামায়াত কার্যালয়ে জকিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামী এ মতবিনিময়ের আয়োজন করে।
জকিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর কাজী মাওলানা জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী ছরওয়ার হোসেনের পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়বে আমির ও জামায়াত মনোনীত সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী হাফিজ মাওলানা আনওয়ার হোসাইন খাঁন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি জকিগঞ্জ উপজেলার যোগাযোগ, নদী ভাঙ্গন, গ্যাস, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় সাংবাদিকদের নিকট তুলে ধরে এসব সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সু-দৃষ্টি কামনা করেন। বিশেষ করে জকিগঞ্জ-শেওলা সড়ক মেরামত, চলমান নদী ভাঙ্গন ও সরকারের হাসপাতালের সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য কর্তৃপক্ষের দুষ্টি আর্কষণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারী মাওলানা নিজাম উদ্দিন খাঁন, উপজেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারী দেলওয়ার লস্কর, শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য মুুহিব আহমদ চৌধুরী জামিল, জকিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের যুববিভাগের সভাপতি আবিদুর রহমান, পৌর শাখা যুববিভাগের সভাপতি মিজানুর রহমান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, জামায়াত নেতা আজিজুর রহমান মেম্বর, জকিগঞ্জ উপজেলা (উত্তর) ছাত্রশিবির সভাপতি নাজির আহমদ আফজল ও উপজেলা (দক্ষিণ) শাখার সেক্রেটারী ফজল আহমদ প্রমূখ।
এছাড়া জকিগঞ্জ উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিকস ও অনলাইন পত্রিকায় কর্মরত সাংবাদিকরা মতবিনিময়ে উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| |
| |
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম.এ মান্নান > নির্বাহী সম্পাদক: মো: রাসেল মোল্লা
উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি: হাজী ইউসুফ চৌধুরী নাঈম ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আজমল হোসেন বাবু, সহ সম্পাদক: কাওসার আহমেদ । প্রধান বার্তা সম্পাদক: আবু ইউসুফ আলী মন্ডল, সহকারী-বার্তা সম্পাদক শারমিন আক্তার মিলি। ফোন: বার্তা বিভাগ 01618868682- 01914220053, সম্পাদক ও প্রকাশক: 01980716232
ঠিকানাঃ বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়- নারায়ণগঞ্জ, সম্পাদকীয় কার্যালয়- জাকের ভিলা, হাজী মিয়াজ উদ্দিন স্কয়ার মামুদপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। শাখা অফিস : নিজস্ব ভবন, সুলপান্দী, পোঃ বালিয়াপাড়া, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ-১৪৬০, রেজিস্ট্রেশন নং 134 / নিবন্ধন নং 69 মোবাইল : 01731190131,E-mail- notunbazar2015@gmail.com, E-mail : mannannews0@gmail.com, web: notunbazar71.net,
|
|
| |
|