| বাংলার জন্য ক্লিক করুন
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|

   জাতীয় -
                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                 
ফের চালু হচ্ছে এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম, জানা গেল তারিখ

দুই মাস বন্ধ থাকার পর আগামী ২৫ জানুয়ারি থেকে আবারও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, আগামী রবিবার (২৫ জানুয়ারি) থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সব তথ্য সংশোধন কার্যক্রম চালু করা হবে।

উল্লেখ্য, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটার তালিকা প্রস্তুত করতে সাময়িকভাবে গত ২৪ নভেম্বর বিকাল ৪টার পর থেকে এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম বন্ধ করে ইসি।

তবে, জরুরি সংশোধন-সেবা চালু রেখে আবেদনের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের এনআইডি অনুবিভাগে সীমিতভাবে সংশোধন কার্যক্রম চালু ছিল।

 

ফের চালু হচ্ছে এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম, জানা গেল তারিখ
                                  

দুই মাস বন্ধ থাকার পর আগামী ২৫ জানুয়ারি থেকে আবারও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, আগামী রবিবার (২৫ জানুয়ারি) থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সব তথ্য সংশোধন কার্যক্রম চালু করা হবে।

উল্লেখ্য, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটার তালিকা প্রস্তুত করতে সাময়িকভাবে গত ২৪ নভেম্বর বিকাল ৪টার পর থেকে এনআইডি সংশোধন কার্যক্রম বন্ধ করে ইসি।

তবে, জরুরি সংশোধন-সেবা চালু রেখে আবেদনের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের এনআইডি অনুবিভাগে সীমিতভাবে সংশোধন কার্যক্রম চালু ছিল।

 

কর্তৃপক্ষ দর্শকের ভূমিকায় রাসায়নিকের প্রভাবে কাউনিয়ায় দেশীয় অর্ধশত প্রজাতির মাছ বিলীনের পথে
                                  

সারওয়ার আলম মুকুল, কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি ঃ মাছে ভাতে বাঙ্গালী, পুটি মাছের কাঙ্গালি, এসব কথা এখন শুধুই প্রবাদ। এক সময় দেশি প্রজাতির প্রচুর মাছ পাওয়া যেত রংপুরের কাউনিয়ার নদী-নালা-খাল-বিলে। বর্তমানে দেশীয় সেসব মাছ দেখা যায় না বিলীনের পথে। ভয়ঙ্কর চায়নাদুয়ারী জাল ও রাসায়নিকের দাপটে গত কয়েক দশকে দেশি প্রজাতির অনেক মাছই হারিয়ে যেতে বসেছে। রংপুরের মৎস্যভান্ডার নামে খ্যাত কাউনিয়ায় তিস্তা, মানাস, বুড়াল নদীসহ বিভিন্ন জলাশয়ে দেশীয় অর্ধশত প্রজাতির মাছের অস্তিত্ব প্রায় বিলীনের পথে। এখন আর গোলা ভরা ধান, গোয়াল ভরা গরু আর পুকুর ভরা মাছ নেই। জলবায়ুর পরিবর্তন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অসচেতনতা, ফসলের জমিতে ক্ষতিকর কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের যথেচ্ছা ব্যবহার মৎস্য ভান্ডার খ্যাত কাউনিয়ায় অর্ধশত প্রজাতির মিঠাপানির দেশীয় মাছের অস্তিত্ব বিলীন হতে চলেছে। সুস্বাদু দেশীয় মাছ এখন আর তেমন মিলছে না। জেলার শহর বন্দর গ্রামে গঞ্জে সর্বত্রই দেশীয় মাছের চরম সংকট। যদিও অল্প পরিমানে মিলছে তার অগ্নিমূল্য। মৎস্য ব্যবসায়ী ভোলারাম দাস জানান, দেশীও মাছ এখন তেমন পাওয়া যায় না। যা পাওয়া যায় তা অগ্নীমূল্য। মৎসজীবী নরজিৎ জানান, জলাশয় গুলোতে এখন দেশী মাছ পাওয়া যায় না। জলাশয় গুলোতে মৎস্য খামরা ও রিং জালের অবাধ ব্যবহারের ফলে মা মাছ সহ ডিম নষ্ট করে ফেলছে, ফলে দেশী মাছ মিলছে না। বিগত দিনে সরকারের উদাসিনতা, মৎস্য অধিদপ্তরের বাস্তবসম্মত সুদূর প্রসারী পরিকল্পনার অভাব, প্রকাশ্য রিং জালের ব্যবহারের প্রতিকার না হওয়ায় দেশীয় মাছ হারিয়ে যাচ্ছে। জন সচেতনতা তৈরিতে দায়িত্বশীলরা এগিয়ে আসছে না। মৎস্য বিজ্ঞানীদের মতে, এ অঞ্চলে শতাধিক প্রজাতির মিঠাপানির মাছ ছিল। মনুষ্যসৃষ্ট নানা প্রতিবন্ধকতায় অনেক প্রজাতির মাছ এখন চোখে পড়ে না। তাছাড়া নানা সময় নদী-খাল-বিল থেকে কারেন্ট জালের মাধ্যমে ব্যাপকহারে ডিমওয়ালা মাছ ধরার কারণে দেশীয় মিঠা পানির বিভিন্ন প্রজাতির মাছের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাচ্ছে। কালের গর্ভে মাছে-ভাতে বাঙালির ঐতিহ্য আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। রংপুর অঞ্চলে প্রায় শতাধিক প্রজাতির মিঠাপানির মাছের মধ্যে পুঁটি, দারকা, খলিশা, ভেদা, পয়া, গতা, বাইম, কৈ, মাগুর, শিং, টেংরা, শোল, টাকি, চেং, সরপুঁটি, পাবদা, চিংড়িসহ অর্ধশত প্রজাতির মিঠাপানির মাছ এখন বিলুপ্তির পথে। এ সকল মাছ স্বাদে ও পুষ্টি গুনে ছিল ভরপুর। স্থানিয় শতশত মৎস্যজীবী সারা বছর তারা মৎস শিকার করে নিজ পরিবারের চাহিদাপূরণ সহ জীবিকা নির্বাহ করত। শুষ্ক মৌসুমে খাল বিল হাওরের পানি কমে গেলে চলত মাছ ধরার উৎসব। কারেন্ট জালের ব্যাপকতায় খাল বিল নদীতে এ মাছের রেনু ধরা পড়ে মাছের প্রজনন চরম ভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। জালে ধরা পড়ে নষ্ট হচ্ছে হাজার হাজার রেনু মাছ। পরিবেশ ও মৎস্য বিজ্ঞানীদের মতে, দক্ষিণাঞ্চলে মৎস্য প্রজাতি বিলুপ্তির কারণ হচ্ছে-অপরিকল্পিততভাবে জলাধারে বাধ দেয়ায় ভরা বর্ষা মৌসুমে ডিম ছাড়ার মা মাছ আসতে বাধা পায়। মাছের স্বাভাবিক চলাচলে বাধা, খাল, বিল, হাওর, বাঁওড়গুলো ক্রমান্বয়ে ভরাট হয়ে যাওয়ায় মাছের প্রজনন ক্ষেত্র সংকুচিত হওয়ার কারণে মাছের বংশ বৃদ্ধি বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। তাছাড়া বিভিন্ন কারণে পানি দূষণ জলাশয়ের গভীররা হ্রাস, কারেন্ট জালের ব্যবহারে দেশী মাছে ধ্বংস হচ্ছে। দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণে মৎস্যজীবী তথা সর্বসাধারণকে সচেতন করার পাশাপাশি স্থানীয় মৎস্য দপ্তরের কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ ও মৎস্য সংরক্ষণ আইনের সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করণের মাধ্যমেই সম্ভব।

“ইসলামের বিষয়ে কোনো ধরনের ভুল ব্যাখ্যা বা অপব্যবহার মেনে নেওয়া হবে না” — পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক
                                  

মোঃ ইব্রাহীম মিঞা, দিনাজপুর প্রতিনিধি: ভোটের রাজনীতিতে ধর্মের অপব্যবহার নিয়ে সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেছেন দিনাজপুরের বিরামপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজু। তিনি বলেন, ইসলামের নামে কোনো ধরনের ভুল ব্যাখ্যা, বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য বা অপব্যবহার কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকাল ৩টায় বিরামপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে ইসলামপাড়া এলাকার অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মহিলা কর্মী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে রেজাউল করিম রেজু বলেন, “রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও প্রচারণা চালানোর অধিকার সবার আছে। এতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। তবে ভোটের রাজনীতিতে ধর্মীয় বিশ্বাসকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিমূলক বা ব্যতিক্রমধর্মী বক্তব্য দিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রভাবিত করার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।” তিনি আরও বলেন, “ইসলাম একটি পবিত্র ও শান্তির ধর্ম। ইসলামের বিষয়ে কোনো ধরনের ভুল ব্যাখ্যা বা অপব্যবহার করা হলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।” বক্তব্যে তিনি ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টাকে অনভিপ্রেত উল্লেখ করে দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক ও সচেতন থাকার আহ্বান জানান। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বিরামপুর পৌর ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জিয়াউর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পৌর মহিলা দলের আহ্বায়ক রেজবানা পারভীন শিমুল, পৌর মহিলা দলের সদস্য সচিব তানজীদ মুন নিভাসহ উপজেলা মহিলা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক খুশি, পৌর মহিলা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সম্পা ও পারভীন এবং স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি
                                  

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সাধারণ ছুটি থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সমসাময়িক ইস্যুতে করা সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান তিনি।

প্রেস সচিব বলেন, ‘উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সাধারণ ছুটির প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। আর শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য এই ছুটি ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারি।

(বিএনপি) চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে নতুন বাজার প্রত্রিকার পরিবার।
                                  

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে নতুন বাজার প্রত্রিকার পরিবার।

মঙ্গলবার এক শোকবার্তায় প্রতিষ্ঠানের সম্পাদক ও পরিবারের পক্ষ থেকে এই শোক জানানো হয়।

শোকবার্তায় প্রত্রিকার  সম্পাদক জানায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে নতুন বাজার পরিবারের সকল সদস্য গভীরভাবে শোকাহত। শোকবার্তায় মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং মহান আল্লাহর দরবারে তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করার জন্য প্রার্থনা করা হয়।

একই সঙ্গে প্রত্রিকার পক্ষ থেকে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, মহান আল্লাহ যেন এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার জন্য তাঁর পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীদের শক্তি দান করেন।

উল্লেখ্য, আজ মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন বেগম খালেদা জিয়া। তার মৃত্যুতে সারা দেশে রাষ্ট্রীয় শোক চলছে। 

ফুলবাড়ীয়ায় শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত
                                  

 

 

 

মোঃ আকাশ আহমেদ, স্টাফ রিপোর্টারঃ-  

 

ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ, উপজেলা ও পৌর শাখার উদ্যোগে এক পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫) উপজেলার পালকি কমিউনিটি সেন্টারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র যুগ্ম  আহ্বায়ক ও ফুলবাড়ীয়া উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক জনাব আখতারুল আলম ফারুক।

 

প্রধান বক্তা ছিলেন শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি জনাব মো. রেজাউল কবির দিপু।

 

 

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি জনাব মো. মহসিন মিয়া, যুগ্ম সম্পাদক জনাব খন্দকার ওয়াহিদুল হাসান (ওয়াহিদ), কেন্দ্রীয়ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

 

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফুলবাড়ীয়া উপজেলা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের সভাপতি মো. আবু নাঈম বাবুল। সঞ্চালনায় ছিলেন মো. রাশেদুল হক খান  কারা নির্যাতিত  নেতা মোঃ শরিফুল ইসলাম ও মোঃজাহিদুল হাসান আইএজ।

 

 

 

বক্তারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। তারা সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার  আহ্বান জানান।

 

 

সভায় ফুলবাড়ীয়া উপজেলা ও পৌর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিপুল সংখ্যক অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশ ন্যাশনাল নিউজ ক্লাব ও বাংলাদেশ ভূমিহীন গৃহহীন হাউজিং লি: এর উদ্যোগে জুলাই শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
                                  

মীর রাজিবুল হাসান নাজমুল: 

স্টাফ রিপোর্টার 

 

বাংলাদেশ ন্যাশনাল নিউজ ক্লাব ও বাংলাদেশ ভূমিহীন গৃহহীন হাউজিং লিমিটেড এর উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান’-এ শহীদদের স্মরণে ও আহতদের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১১টায় মিরপুরে ৫৯ দারুস সালাম সাংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  অনুষ্ঠান প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামাল। তিনি এ সময় বলেন জুলাই মাস বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। স্বাধীনতা-পরবর্তী সংকটকালে যারা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাজপথে নেমেছিলেন, তাদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তিনি সময় আরো বলেন, জুলাইয়ের আন্দোলন কার্যত একক কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, একটা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে। এ ব্যবস্থা বৈষম্যের বিরুদ্ধে সংস্কারের। রাষ্ট্রকাঠামোকে নতুনকরে ঢেলে সাজানোর আন্দোলন। জুলাইয়ের এই চেতনা যেন কোনোভাবেই উজ্জ্বলতা না হারায়, বরং উত্তরোত্তর তার স্প্রিট যেন ঔজ্জ্বল্য হয়ে ওঠে। ঢাকা প্রেস ক্লাবের সভাপতি বলেন“জুলাই শহীদরা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য লড়াই করেছিলেন। তাঁদের আত্মদানে আমাদের রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনের অনুপ্রেরণা রয়েছে।সংগঠনের অর্থ সম্পাদক মো: ইউনুস আলী সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ অঞ্চল সাংবাদিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা মোঃ আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া। তিনি এ সময় বলেন জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগের কথা মাথায় রেখে অচিরেই দেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সেই সরকার হবে দুর্নীতিবাজ চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী মুক্ত। যে সরকার জনগণের দুঃখ দুর্দশার কথা শুনবে। 

অনুষ্ঠান সান্তনা করেন বাংলাদেশ ভূমিহীন গৃহহীন হাউজিং লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আজহার আলী। তিনি এ সময় বলেন আমরা দরিদ্র শ্রেণীর ভূমিহীন মানুষের পাশে থেকে তাদের নীর্য অধিকার আদায়ের জন্য কাজ করছি। আশা করি অতি দ্রুত সফলতা লাভ করব। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রচার সম্পাদক মোঃ জুয়েল খন্দকার, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা মিসেস কোহিনুর বেগম, রোকেয়া বেগম, মাহমুদা আক্তার, জোবাই ডাক্তার, মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, ওবায়দুর রহমান, আশিক, রুমানা আক্তার প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের দ্রুত সুস্থতার জন্য বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়।

গাইবান্ধায় মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালিত
                                  

বিশেষ প্রতিনিধি  

 

মাদক থেকে মুক্তি চাই, সুস্থ সমাজ গড়তে চাই"—এই প্রতিপাদ্যে আজ ২৬ জুন (বুধবার) গাইবান্ধা জেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস। জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

 

দিনটি উপলক্ষে সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।

 

সভায় সভাপতিত্ব করেন গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মো. মুরসালিন, প্রধান অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মো. কামাল হোসেন, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালকসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

বক্তারা বলেন, মাদক সমাজের জন্য ভয়াবহ এক ব্যাধি। এটি শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, পুরো পরিবার, সমাজ এবং জাতিকে ধ্বংস করে দিতে পারে। মাদকের ভয়াল ছোবল থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করতে হবে। এজন্য পারিবারিক, সামাজিক ও প্রশাসনিকভাবে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

আলোচনা সভা শেষে মাদকবিরোধী শপথগ্রহণ ও লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী দেয়ালিকা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

দিবসটি ঘিরে গাইবান্ধা জেলাজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ এবং মাদকবিরোধী সামাজিক সচেতনতার জোরালো বার্তা।

কর্মস্থল ছেড়ে ঢাকায় আন্দোলন, ৫ দিনেও স্বাভাবিক হয়নি বিদ্যুৎ সরবরাহ
                                  

 

কুমিল্লায় কর্মস্থল ছেড়ে ঢাকায় আন্দোলন করছেন বিদ্যুৎ বিভাগের লাইনম্যানরা। গত এক সপ্তাহ ধরে জেলার ৩০ শতাংশ লাইনম্যান কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। এতে ঘূর্ণিঝড় শক্তির কবলে লন্ডভন্ড হয়ে পড়া জেলার ১৭টি উপজেলার বৈদ্যুতিক লাইন মেরামত করা যাচ্ছে না। 

 

ঘুর্ণিঝড়ের প্রভাবে কোথাও বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে গেছে, কোথাও হেলে পড়েছে। আবার কোথাও ট্রান্সফরমার বিকল হয়ে তার ছিড়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এতে বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটেছে পুরো জেলা। 

 

ঘূর্ণিঝড়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোর প্রায় আড়াই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ৪টি সমিতি দাবি করছে। এদিকে ৫ দিনেও শতভাগ বিদ্যুৎ লাইন মেরামত করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। 

 

জানা গেছে, পল্লী বিদ্যুতের ৪টি সমিতির অধীনে কুমিল্লার ১৭ উপজেলা এবং পাশের ২টি জেলার আরও ২টি উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। গত বুধবার এবং বৃহস্পতিবার রাতে প্রবল বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়োবাতাসে জেলার প্রায় সব উপজেলার বিদ্যুৎ লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে গোটা জেলা। এতে জনজীবনে চরম দুর্ভোগ দেখা দেয়। বিদ্যুতের অভাবে মোবাইল ফোনের চার্জ বন্ধ হয়ে যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

 

কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১, ২, ৩ ও ৪ এর জেনারেল ম্যানেজারদের দেওয়া তথ্যমতে, ঘূর্ণিঝড়ে ৮৪টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে গেছে। ট্রান্সফরমার বিকল হয়েছে ৬২টি এবং প্রায় সাড়ে ৪শ স্থানে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে গেছে। এছাড়াও দুই শতাধিক স্থানে পোল হেলে যাওয়া, শতাধিক স্থানে ক্রস আর্ম ভেঙে গেছে, দেড় শতাধিক স্থানে ইনসুলেটর ও ৩ শতাধিক স্থানে মিটার ভেঙে বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটে। প্রাথমিকভাবে অন্তত আড়াই কোটি টাকার ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা করছে সমিতিগুলো।

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়- কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর অধীনে চারটি উপজেলায় ২৫টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে গেছে, ১৯টি ট্রান্সফরমার বিকল হয় এবং ১৫৫ স্থানে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে যায়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় চান্দিনা উপজেলায়। শুধুমাত্র ওই উপজেলায় ৮টি বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে গেছে। 

 

কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর অধীনে ৬টি উপজেলায় ৭টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে গেছে এবং ১৩টি ট্রান্সফরমার বিকল হয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। 

 

কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর ৬টি উপজেলায় সর্বোচ্চ ৪৩টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে গেছে এবং ১৮টি ট্রান্সফরমার বিকল হয়। ওই সমিতির অধীনে ১৮০টি স্থানে বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। 

 

কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর অধীনে ৩টি উপজেলায় ৯টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে গেছে এবং ১২টি ট্রান্সফরমার বিকল হয়। এছাড়া ১৭৬টি স্থানে বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়।

 

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার শ্রীমন্তপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হামিদ জানান, টানা ৫ দিন বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল ফোনের চার্জ শেষ হয়ে সবার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ফ্রিজে থাকা মাছ ও মাংস পচে গেছে। অনেক মালামাল নষ্ট হয়ে গেছে।

 

চান্দিনা উপজেলার সব্দলপুর গ্রামের বাসিন্দা সোহেল রানা জানান, চলমান বিদ্যুৎ বিভ্রাটে আমার হ্যাচারির শত শত মুরগির ডিম নষ্ট হয়ে গেছে।

 

কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়- ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত লাইন নির্মাণ নিজেদের লাইনম্যান সংকট থাকায় বহিরাগত লোকজন দিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। প্রতিটি সমিতিতে ১ থেকে ২শ লাইনম্যান নিয়োজিত; কিন্তু আন্দোলন করতে তারা ঢাকায় আছে ৩০ শতাংশ। এ বিপর্যয়ে লাইনম্যানের অনেকটা সংকটে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে।

 

কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার মো. আবু রায়হান বলেন, আমাদের কিছু লাইনম্যান তাদের দাবি দাওয়া নিয়ে আন্দোলন করতে ঢাকায় আছেন। এতে ঝড়ের কবলে ক্ষতিগ্রস্ত লাইন মেরামত করতে একটু বেগ পেতে হচ্ছে। তারপরও আমরা বহিরাগত লোকজন দিয়ে কাজ চালিয়ে নিচ্ছি। আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পুরো জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে। 

ঢাকা প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা ফারুক আলম তালুকদারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ
                                  

 

ঢাকা প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা এবং দৈনিক আলোর জগতের প্রকাশক ও সম্পাদক ফারুক আলম তালুকদারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন সংগঠনের সংগঠনের উপদেষ্টা ইজ্ঞিনিয়ার মোঃ হোসেন ভূঁইয়া(চেয়ারম্যান বাংলাদেশ ন্যাশনাল নিউজ ক্লাব),আলহাজ্ব মোঃ তৈয়বুর রহমান (চেয়ারম্যান,হৃদয় গ্রুপ),বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান (আফিল বিভাগ),মোঃ সাইদুর রহমান রিমন (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক দেশ বাংলা),বহুভাষাবিদ প্রফেসার মোঃ মাসুদ এ খান (চেয়ারম্যান বেটার বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন), কাজী হায়াৎ (সভাপতি চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি), মনোয়ার হোসেন ডিপজল (সিনিয়র সহ-সভাপতি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি) , এস এম মোরশেদ (চেয়ারম্যান,ফেডারেশন অব বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অর্গানাইজেশন), বীর মুক্তিযোদ্ধা মালেক মনি (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক সোনালীর খবর), মোঃ আব্দুল আজিজ মাহফুজ (চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ রিপোর্টারস সোসাইটি), মোঃ মনোয়ার হোসেন (প্রকাশক ও সম্পাদক, দৈনিক বাংলার ডাক), মোঃ কাউসার হামীদ (জাতীয় ফুটবলার), মোঃ ফারুক আলম তালুকদার (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক আলোর জগত),মোঃ তাইজুল ইসলাম (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক এশিয়ান বানী), অধ্যাপক ডাঃ হরিদাশ বিশ্বাস (সাবেক ফরেন্সি বিভাগীয় প্রধান,বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়),সংগঠনের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামাল (প্রধান সম্পাদক দৈনিক ক্রাইম সংবাদ), সহ-সভাপতি তালুকদার রুমী (নির্বাহী সম্পাদক দৈনিক পাজ্ঞেরী), সহ-সভাপতি মোঃ জসিমউদ্দীন (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক আমার বার্তা), মোঃ মোস্তাাফিজুর রহমান (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক ফলাফল),মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক আমার প্রণের বাংলাদেশ),মোঃ মিয়াজী সেলিম আহম্মেদ (নির্বাহী সম্পাদক দৈনিক আমাদের কন্ঠ),মোঃ ওমর জালাল (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক গণজাগারন ও দৈনিক পেজেন্ট টাইম), মোঃ শাহীন আল মামুন (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক দেশ সংবাদ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিএনএন বাংলা টিভি),এ্যাড.মোতাসীম বিল্লাহ (নির্বাহী সম্পাদক দৈনিক সময়ের বাংলাদেশ ),এস এম হানিফ মিয়া(চেয়ারম্যান ক্রাইম রিপোর্টার সোসাইটি ও সম্পাদক দৈনিক অবদান), এম এইচ মোতালেব খান (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক মাতৃছায়া),এ মান্নান (যুগ্ন- সম্পাদক দৈনিক আলোর জগত), খান সেলিম রহমান (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক মাতৃজগত), মোঃ শফিকুল ইসলাম সাদ্দাম (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক দিন প্রতিদিন),মুন্সী জামিল উদ্দীন বাবু (প্রধান সম্পাদক দৈনিক বাংলার দূত),টিকে আজাদ (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক প্রতিক্ষন), মোঃ জসিমউদ্দীন কিশোর(প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক মেহেদী), মোঃ মনিরুজ্জামান মিয়া(প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক সোনালীর খবর), এম আই ফারুক আহম্মেদ (সম্পাদক দৈনিক কালের খবর),মোঃ ফজলুল হক (প্রকাশক ও সম্পাদক অপরাধ তথ্য চিত্র), মোঃ আবু হাসান (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক মানবাদিকার প্রতিদিন),এস এম দুলাল (নির্বাহী সম্পাদক দৈনিক বর্তমান খবর), মোঃ শফিকুল ইসলাম (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক দিন প্রতি দিন), মোঃ রেজাউল করিম (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক মাতৃভূমির খবর), মোঃ রফিকুল ইসলাম (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক আধুনিক বাংলা), রিপন তরফদার (সম্পাদক দৈনিক দৈনিক মনিং ভয়েজ), মোঃ আব্দুল আজিজ (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক প্রাইম), মোঃ জহিরুল হক টিটু (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক পিরোজপুরের কথা), মোঃ আব্দুল আজিজ (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক আজকের সংগ্রাম), সেকেন্দার আলী মনি ( যুগ্ন-সম্পাদক দৈনিক সময়ের বাংলাদেশ), সাধারন সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক প্রবাসীর কথা), মোঃ ইমন আলামিন (নিউজ প্রডিউসার, একুশে টেলিভিশন), মোঃ আনসার উদ্দীন (সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টার গ্লোবাল টিভি), মোঃ কামাল কবির (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক বর্তমান খবর), মোঃ ফরিদুল ইসলাম জুয়েল (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক চলতি খবর), এ কিউ বুলবুর (ষ্টাফ রিপোর্টার বিটিভি,দৈনিক অবজারভার), নুরুন নাহার সীমা (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক প্রতিজ্ঞা), মোঃ শাহাদাৎ হোসেন শাহীন (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক গণমুক্তি),মোঃ কামরুল ইসলাম কামাল (ষ্টাফ রিপোর্টার দৈনিক নগরবার্তা), ডাঃ মোঃ শিব্বীর আহম্মেদ (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল সমাচার),মোঃ মাসুদ (যুগ্ন-সম্পাদক দৈনিক কর্ণফুলী), মোঃ তুহিন ভূঁইয়া (চেয়ারম্যান ভিশন বাংলা), মোঃ জাহিদুর রহমান (সম্পাদক দৈনিক নয়াদিন), মোঃ হাবিবুল্লাহ হাবীব (নির্বাহী সম্পাদক,দৈনিক বাংলার নব কন্ঠ), খন্দকার শাহা আলম (সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টার দৈনিক দেশ সংবাদ),মোঃ মিজানুর রহমান দুলাল (সম্পাদক ইউএনবি নিউজ), এনামুল কবির লিটন (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিনিয়ত), এ্যাড.মাসুদ করিম (সম্পাদক সেফ নিউজ), মোঃ হাসান হাবীব তালুকদার (নির্বাহী সম্পাদক দৈনিক নীল সিমান্ত), মোঃ শাহাআলম খান (সম্পাদক বিডিনিউজ ৯৯৯), মোঃ ময়নুল ইসলাম (ষ্টাফ রিপোর্টার,একুশে টিভি,সম্পাদক দৈনিক সিডর),মোঃ জসিমউদ্দীন কনক (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক কুমিল্লার আলো), মোঃ মামুনুর রশীদ নোমানী (দৈনিক শাহানামা (বার্তা সম্পাদক),দৈনিক খবর পত্র(বরিশাল ব্যুরো), মোঃ আরিফুজ্জামান লিপটন (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক হীসনাবানী ), আবু ইউছুপ প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক,অর্থ সম্পাদক জুলফিকার আলী (প্রধান সম্পাদক দৈনিক দিনের আলো),সাংগঠনিক সম্পাদক মেজবাউল আলম মোহন (নির্বাহী সম্পাদক দৈনিক মাতৃভূমির খবর),শেখ ফরিদ আহম্মেদ চিশতী (সহ-সম্পাদক দৈনিক দিনপ্রতিদিন),এম এম তোহা (প্রকাশক ও সম্পাদক,দৈনিক এ সমযের কন্ঠ),মোঃ দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক জনতার দলিল),মো: আলমগীর হোসেন (যুগ্ন-সম্পাদক ,দৈনিক একুশের কন্ঠ),শারমিন সুলতানা মিতু (সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টার দৈনিক সরেজমিন বার্তা), মোঃ শামীম আহমেদ ( সম্পাদক দৈনিক ঢাকাবানী ,ষ্টাফ রিপোর্টার দৈনিক ভোরের খবর), মোঃ শাহাজান মিয়া (বার্তা সম্পাদক দৈনিক খোলা কাগজ), মোঃ রফিকুল ইসলাম (যুগ্ন-সম্পাদক ,দৈনিক কপোতাক্ষ,ব্যবস্থাপনা পরিচালক জয় টিভি),মোঃ আব্দুল মতিন (ব্যবস্থাপনা পরিচালক , এস টিভি নিউজ বাংলা), শেখ আব্দুর মজিদ (ব্যবস্থাপনা সম্পাদক, খুলনা বার্তা),সৈয়াদ নাজমুল ইসলাম (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক শহর ও গ্রাম),মোঃ শাহাজাদা শামস ইবনে শফিক (নির্বাহী সম্পাদক দৈনিক দিগন্ত ধারা),মোঃ ফারুক আহম্মেদ সুমন (ষ্টাফ রিপোর্টার দৈনিক প্রভাত),মোঃ বসির আহম্মেদ (ষ্টাফ রিপোর্টার অপরাধ তথ্য চিত্র), রাজু আহম্মেদ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক (দৈনিক মাতৃছায়া),মোঃ ইয়াসিন কবির (সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টার দৈনিক সরকার), মোঃ সামসুল আলম খোকন (ষ্টাফ রিপোর্টার দৈনিক সমকাল),এম শিমুল খান (সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টার সিএনএন বাংলা টিভি ও দৈনিক দেশ সংবাদ), মোঃ আলাউদ্দীন আজাদ (সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টার দৈনিক দিনপ্রতিদিন), ইদি আমিন এ্যাপেলো (সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টর পল্লী টিভি), মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক (এটিএন বাংলা, জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি), মোঃ ইমরান আলী (দৈনিক মানবজমিন চাঁপাইনবাবগজ্ঞ প্রতিনিধি),এস এম মনিরুজ্জামান (যুগ্ন-সম্পাদক দৈনিক সময়ের অপরাধ চক্র), দপ্তর সম্পাদক কে এম মোহাম্মদ হোসেন রিজভী (যুগ্ন-সম্পাদক দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ),মোঃ জাহিদ হাসান খোকন (ষ্টাফ রিপোর্টার দৈনিক যায়যায় দিন),মিসেস মায়া (ষ্টাফ রিপোর্টার দৈনিক এ সময়ের বাংলাদেশ),প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক (ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিউজ ৫২ ও চিফ রিপোর্টার ক্রাইম পেট্টোল বিডি),সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ সুমন (ষ্টাফ রিপোর্টার দৈনিক একুশের কন্ঠ),মোঃ মেহেদী হাসান সবুজ (ষ্টাফ রিপোর্টার দিপ্ত টিভি),সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সোহেল রানা রাজ (ষ্টাফ রিপোর্টার দৈনিক সন্ধাবানী),এম এম রোকনুজ্জামান টিপু (তালা,সাতক্ষীরা প্রতিনিধি দৈনিক কালের কন্ঠ), সহ-সমাজ কল্যাণ মোঃ শফিকুল ইসলাম সম্পাদক (ষ্টাফ রিপোর্টার দৈনিক আলোর জগত), মোঃ ফারহান ফুয়ান বাবুল (সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টার দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার),ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ওবাইদুল ইসলাম ইসলাম (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক নিউজ) , মোঃ আব্দুল করিম দোয়েল (সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টার দৈনিক সময়ের বাংলাদেশ), কাজী আসাদুরজ্জামান (নির্বাহী সম্পাদক দৈনিক সমাচার),সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ লায়ন হাবিবুর রহমান ভূইয়া (ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিভিসি বাংলা,ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক বাঙ্গালীর খবর), রাশেদ শিকদার ,মিষ্টার বিন (যুগ্ন-সম্পাদক দৈনিক খবরের সময়),সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ মাসুম বিল্লাহ সম্পাদক (দৈনিক সংগ্রহ বার্তা),তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মোঃ আনিস (যুগ্ন সম্পাদক দৈনিক দেশবার্তা),সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মোঃ ইনুচ আলী (প্রকাশক ও সম্পাদক দৈনিক সংবাদ আলোচনা), মানবাধিকার সম্পাদক মোঃ সোহেল রানা (যুগ্ন-সম্পাদক দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ), আনিস মাহমুদ লিমন (বিশেষ প্রতিনিধি,দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ),

সচিবদের ২৫ নির্দেশনা দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
                                  

বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবদের ২৫টি নির্দেশনা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ সব‌ নির্দেশনা সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সচিব ও সিনিয়র সচিবদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়নে সচিবদের একান্ত সহযোগিতা ও উদ্যোগ নিতে বলা হয়। একই সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনা অনুযায়ী প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়ে সেই বিষয়ে অগ্রগতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে জানানোর জন্যও বলা হয়।

গত ৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত সচিব সভায় প্রধান উপদেষ্টার সভাপতির বক্তব্যে সিনিয়র সচিব ও সচিবদের উদ্দেশে এ যে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন তা এ চিঠিতে জানানো হয়।

নির্দেশনাগুলো হলো-

১. ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সৃষ্ট নতুন বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সরকারের সব পর্যায়ে সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়নে প্রধান উপদেষ্টার দেওয়া ‌‘মার্চিং অর্ডার’ অনুসরণ করতে হবে।

 

২. সৃষ্টিশীল, নাগরিকবান্ধব মানসিকতা নিয়ে প্রতিটি মন্ত্রণালয়/বিভাগকে জরুরি-ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার পরিকল্পনা এবং একই সঙ্গে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে।

 

৩. সংস্কার কর্মসূচি প্রণয়নে প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা ও তাদের মতামত নিতে হবে।

 

৪. বিবেক ও ন্যায়বোধে উজ্জীবিত হয়ে সবাইকে স্ব স্ব ক্ষেত্রে সততা, নিষ্ঠা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে।

 

৫. নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য গৎবাঁধা চিন্তাভাবনা থেকে বেরিয়ে এসে, চিন্তার সংস্কার করে, সৃজনশীল উপায়ে জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকারি কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

 

৬. দুর্নীতির মূলোৎপাটন করে, সেবা সহজীকরণের মাধ্যমে জনগণের সর্বোচ্চ সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে।

 

৭. বাজেটের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা এবং সরকারি অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

 

৮. সরকারি ক্রয়ে যথার্থ প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে এবং স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করতে হবে।

 

৯. বর্তমানে বাংলাদেশকে নিয়ে বিশ্বব্যাপী যে আগ্রহ, ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে, দেশের স্বার্থে তা সর্বোত্তম উপায়ে কাজে লাগাতে হবে।

 

১০. নিজ কর্তব্যকর্মে দায়িত্ববোধ ও সংবেদনশীলতা বজায় রাখতে হবে।

 

১১. সেবা-প্রার্থীদের কেউ যেন কোনরূপ ভোগান্তি, হয়রানি কিংবা কোনো কারণে দীর্ঘসূত্রিতার শিকার না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।

 

১২. আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতির ব্যবস্থা করতে হবে।

 

১৩. প্রতিটি মন্ত্রণালয়/বিভাগকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কার্যক্রম নিতে হবে।

 

১৪. জরুরি সরবরাহ নিশ্চিত করে তা অব্যাহত রাখতে হবে।

 

১৫. কৃষি উৎপাদন যাতে ব্যাহত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

 

১৬. সরকারকে জনবান্ধব সরকারে পরিণত করতে সমবেতভাবে কাজ করতে হবে।

 

১৭. মানবসম্পদ উন্নয়নে যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম যাচাই করে প্রয়োজনে সংস্কার করতে হবে।

 

১৮. বিদ্যুৎ উৎপাদন, সরবরাহ ও সঞ্চালন যাতে ব্যাহত না হয় সে বিষয়ে তৎপর থাকতে হবে।

 

১৯. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।

 

২০. গ্যাসের দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে।

 

২১. খাদ্য সংগ্রহ, মজুত ও সরবরাহ সন্তোষজনক রাখতে হবে।

 

২২. আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে হবে। আমদানির বিকল্প উৎস বের করতে হবে।

 

২৩. ভোগ্যপণ্যের বাজার নিয়মিত তদারকি করতে হবে।

 

২৪ . শিল্প উৎপাদন যাতে ব্যাহত না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।

 

২৫. আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে বলে মনে করেন প্রধান উপদেষ্টা।

ম্যাজিস্ট্রেট তাপসী তাবাসসুম ঊর্মিকে এবার বরখাস্ত
                                  

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) তাপসী তাবাসসুম ঊর্মিকে ওএসডির পর এবার সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

সোমবার (৭ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

তাপসী তাবাসসুম অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিতর্কিত মন্তব্য করে আসছিলেন।

 জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মানসুর হোসাইন জানান, সহকারী কমিশনার তাপসী তাবাসসুম ঊর্মিকে ওএসডি করার পর, সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

এর আগে শনিবার তাপসী তাবাসসুম ঊর্মি নিজের ফেসবুকে লিখেছেন, ‘সাংবিধানিক ভিত্তিহীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, রিসেট বাটনে পুশ করা হয়েছে। অতীত মুছে গেছে। রিসেট বাটনে ক্লিক করে দেশের সব অতীত ইতিহাস মুছে ফেলেছেন তিনি। এতই সহজ। কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে আপনার, মহাশয়।’

পরে স্ট্যাটাসের বিষয়ে জানতে চাইলে ঊর্মি গণমাধ্যমকে জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এক বক্তব্যের জের ধরে তার এই প্রতিক্রিয়া।

প্রশাসনিক ব্যবস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, এখনও নির্দেশনা হাতে আসেনি।

এদিকে তাপসী তাবাসসুম ঊর্মির ফেসবুক আইডিতে গিয়ে দেখা গেছে, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সরকারের পক্ষে অবস্থান নিয়ে বেশ কিছু স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। তার ফেসবুক আইডিজুড়ে আওয়ামী লীগের পক্ষেও শক্ত অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্ট্যাটাস দেখা গেছে।

অবশ্য সোমবার দুপুরে তার আইডিতে ঢুকে কোনো কিছুই পাওয়া যায়নি। এর আগেই তিনি সব কিছু সরিয়ে ফেলেছেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে বৈঠকে বসার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের
                                  

শিগগিরই শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সঙ্গে বৈঠকে বসার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সব ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহে বৈঠকটি হওয়ার কথা। মূলত দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিভিন্ন ইস্যুতে মুখোমুখি আলাপের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকার এ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার শপথ নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো দুই দেশের প্রতিনিধিদলের মধ্যে সংলাপের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকায় উচ্চপর্যায়ের এই দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সংলাপে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বাংলাদেশের অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা অংশ নেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রতিনিধিদলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ, পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য দপ্তর ও ইউএসএইডের কর্মকর্তাদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। সংলাপে বাংলাদেশের আর্থিক ও মুদ্রানীতির পাশাপাশি আর্থিক খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হবে।

 
 

 

মার্কিন রাজস্ব ও অর্থ দপ্তরের আন্তর্জাতিক অর্থায়নবিষয়ক সহকারী আন্ডার সেক্রেটারি ব্রেন্ট নেইম্যান বলেছেন, প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক দুর্বলতা মোকাবিলা ও নিরবচ্ছিন্ন প্রবৃদ্ধি এবং উন্নয়ন নিশ্চিতে একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করতে পারবে বলে আশাবাদী যুক্তরাষ্ট্র।

 

তিনি বলেন, আইএমএফ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাংলাদেশের নিরবচ্ছিন্ন সম্পৃক্ততা নিশ্চিতের জন্য মার্কিন সমর্থন বৃদ্ধির পরিকল্পনা করেছে ওয়াশিংটন। কারণ, আর্থিক খাতের সংস্কার গভীরতর করে টেকসই উন্নয়ন এবং দুর্নীতি কমিয়ে এনে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি জোরদার করতে চায় ঢাকা।

 

ফিন্যান্সিয়াল টাইমস বলছে, ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য সংলাপে বাংলাদেশের আর্থিক এবং মুদ্রানীতির পাশাপাশি আর্থিক খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করা হতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সফরকালে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন মার্কিন কর্মকর্তারা।

জাতীয় সংগীত পরিবর্তন নিয়ে যা বললেন
                                  

জাতীয় সংগীত পরিবর্তন নিয়ে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেছেন, জনগণের মতামতের ওপর ভিত্তি করে সবকিছু পরিবর্তন করা সম্ভব।

মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মগবাজারে এলডিপির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

 

অলি আহমদ বলেন, একজন উপদেষ্টা বলেছেন ‌জাতীয় সংগীত একটি বিতর্কিত বিষয়। তাই এটি পরিবর্তন করা যাবে না। তার জানা উচিত, জনগণের মতামতের ওপর ভিত্তি করে সবকিছু পরিবর্তন করা সম্ভব।

 

তিনি বলেন, আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতে দেশের সার্বিক মঙ্গলের জন্য ৮৩টি প্রস্তাব উপস্থাপন করি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, সংস্কার বাস্তবায়নে গতি খুবই হতাশাব্যঞ্জক। অভ্যুত্থান পরবর্তী দেশের সব কর্মকাণ্ড স্বচ্ছতা ও দ্রুতগতিতে বাস্তবায়ন না হলে সমস্যা আরও বাড়বে।

 
 

 

তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন সেক্টরে দেওয়া অনেক নিয়োগ নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। লোক দেখানো কাজ করলে হবে না। গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে অধিকতর সতর্কতার সঙ্গে নিয়োগ দিতে হবে।

 

এলডিপি সভাপতি বলেন, অথর্ব ও অকর্ম ব্যক্তিদের নিয়োগ দিয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে না। এমনটা করলে ছাত্র-জনতার রক্ত ব্যর্থ হবে।

সায়েন্সল্যাবে সংঘর্ষ, আহত ১৫ শিক্ষার্থী ঢামেকে
                                  

রাজধানীর সায়েন্সল্যাবে ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ১৫ জন আহত হয়েছেন। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

 

ঢাকা কলেজের এক শিক্ষার্থী বলেন, আজ ঢাকা কলেজের নবীন বরণের অনুষ্ঠান ছিল। নবীন বরণ অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষার্থীরা বের হলে আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীরা আমাদের কলেজের ভেতরে ঢুকে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এতে আমাদের অনেক শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়েছে।

 

আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীরা বলেন, ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা আমাদের ক্যাম্পাসে এসে ভাঙচুর করে এবং আমাদের কলেজের বিলবোর্ড খুলে নিয়ে যায়। পরে তাদের সঙ্গে কয়েক দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলে। এতে আমাদের অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।

 
 

 

আহত শিক্ষার্থীরা হলেন, ঢাকা কলেজের মশিউর রহমান (১৭), আব্দুল্লাহ (১৮), তৌহিদুর রহমান তানভীর (১৭), বাদল (১৭), সামির (১৫), তাহমিদ সালেহ (২১), আব্দুল্লাহ (১৮), আরিফ (১৯), শামীম (১৭), বখতিয়ার (১৮), মো শামীম (১৭), নিশাত (১৬), হুজাইফা (২৩), ইয়াসিন (১৮) ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী উসাইব (১৮)।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দুই কলেজের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন। আহতরা অনেকে চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। আরও অনেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তন ইস্যুতে যা বলেলেন ধর্ম উপদেষ্টা
                                  

জাতীয় সঙ্গীত পরিবর্তন ইস্যুতে ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, বিতর্ক সৃষ্টি হয় এমন কিছু করবে না অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় রাজশাহী মহানগরীর নওদাপাড়ায় অবস্থিত আল মারকাজুল ইসলামি আস সালাফি মাদরাসা পরিদর্শন এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।

ধর্ম উপদেষ্টা আরও বলেন, মসজিদ, মন্দির এবং মাজারে হামলা গর্হিত কাজ। ধর্মীয় উপাসনায় যারা হামলা চালান তারা মানবতার শত্রু। বিতর্কের সৃষ্টি করে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। নিরাপত্তার স্বার্থে স্থানীয় সাধারণ জনগণের পাশাপাশি মাদরাসার ছাত্রদের পূজার সঙ্গে সম্পৃক্ত করে মন্দির পাহারা দেওয়ানো হবে।

 
 

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মাদরাসার শিক্ষক এবং ছাত্ররা কখনোই জঙ্গিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না। এটি ছিল আগের সরকারের ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য দেশে বিক্ষিপ্তভাবে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ ধর্মীয় উপাসনালয়ে হামলা হয়েছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, মাদরাসা শিক্ষার্থীরা জঙ্গিবাদের সঙ্গে যুক্ত না সেটি বিভিন্ন গোয়েন্দা রিপোর্টে প্রমাণিত। বরং তারা জাতীর দুর্দিনে সবার আগে এগিয়ে আসে। জাতীয় উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখছে মাদরাসা শিক্ষার্থীরা। তাই তাদের এখন বড় স্বপ্ন দেখতে হবে। দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখতে হবে।


   Page 1 of 106
     জাতীয়

|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম.এ মান্নান
>
নির্বাহী সম্পাদক: মো: রাসেল মোল্লা


উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি: হাজী ইউসুফ চৌধুরী নাঈম

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আজমল হোসেন বাবু, সহ সম্পাদক: কাওসার আহমেদ । প্রধান বার্তা সম্পাদক: আবু ইউসুফ আলী মন্ডল, সহকারী-বার্তা সম্পাদক শারমিন আক্তার মিলি। ফোন: বার্তা বিভাগ 01618868682- 01914220053, সম্পাদক ও প্রকাশক: 01980716232

ঠিকানাঃ বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়- নারায়ণগঞ্জ, সম্পাদকীয় কার্যালয়- জাকের ভিলা, হাজী মিয়াজ উদ্দিন স্কয়ার মামুদপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। শাখা অফিস : নিজস্ব ভবন, সুলপান্দী, পোঃ বালিয়াপাড়া, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ-১৪৬০, রেজিস্ট্রেশন নং 134 / নিবন্ধন নং 69 মোবাইল : 01731190131,E-mail- notunbazar2015@gmail.com, E-mail : mannannews0@gmail.com, web: notunbazar71.net,
    2015 @ All Right Reserved By notunbazar71.com

Developed By: Dynamic Solution IT Dynamic Scale BD