|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
রূপগঞ্জে ডাইয়িং কারখানার বর্জ্যে পরিবেশ বিপন্ন ॥ মরে যাচ্ছে মাছ
মো: রাসেল মোল্লা
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার খাদুন এলাকার রনি নিট এন্ড কম্পোজিট ডায়িং কারখানার নির্গত বর্জ্যে পরিবেশ বিপন্ন হয়ে পড়ছে। কৃষি জমি হচ্ছে ফসলহানী। জলাশয়ের মাছ মরছে। ডায়িং কারখানাটি দিনে স্বাভাবিক হলেও রাতের অন্ধকারে বর্জ্য ফেলছে। তারা অপরিশোধিত বর্জ্য ও রঙিন দূষিত পানি সেচ খালে ছেড়ে দিচ্ছে। তাতে খামারের মাছ মরে যাচ্ছে। সকালে পুকুরের পানিতে ভেসে উঠছে মরা মাছ। তীব্র পঁচা গন্ধ ছড়াচ্ছে বাতাসে। সৃষ্ট হচ্ছে জলাবদ্ধতা।
এ ব্যাপারে খাদুন গ্রামের বাসিন্দা আমজাদ আলী ভুঁইয়া বাদী হয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও তারাবো পৌরসভা প্রশাসক মো: সাইফুল ইসলামের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, খাদুন এলাকার রনি নিট কম্পোজিট ডাইয়িং কারখানার বর্জ্য ও দূষিত পানি কৃষি জমি, মাছের খামার ও জলাশয়ে পড়ছে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ৮ লেনে উন্নীতকরণের কাজের জন্য পাশের খাল ভরাট করে ফেলা হয়। এ কারণে কারখানা কর্তৃপক্ষ রাতের অন্ধকারে পার্শবর্তী মাছের খামার, কৃষি জমি ও জলাশয়ে অপরিশোধিত ডাইংয়ের বর্জ্য ও দূষিত পানি ফেলছে। পানির রং কুচকুচে কালো। কোথাওবা রঙিন দূষিত পানি। পানির ওপর ভাসছে ফেনা। চারপাশে অসহনীয় দুর্গন্ধ। ফসলি কৃষি জমি নষ্ট হচ্ছে। পানির পঁচা দুর্গন্ধে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছে। শিক্ষার্র্থীরা নাকে মুখে রোমাল দিয়ে আাসা যাওয়া করছে। আশপাশের মানুষ পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। কেউ চর্ম রোগে ভুগছে। সৃষ্ট হচ্ছে জলাবদ্ধতা। এ ব্যাপারে রনি নিট এন্ড কম্পোজিট ডাইং কারখানার কেউ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হয়নি।
রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও তারাবো পৌরসভা প্রশাসক মো: সাইফুল ইসলাম বলেন, রনি নিট এন্ড কম্পোজিট ডায়িং কারখানার নির্গত বর্জ্যে পরিবেশ বিপর্যস্তের ঘটনায় এলাকাবাসীর দেয়া লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রিপোর্ট
নির্বাহী সম্পাদক
দৈনিক নতুন বাজার ৭১.নেট
|
মো: রাসেল মোল্লা
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার খাদুন এলাকার রনি নিট এন্ড কম্পোজিট ডায়িং কারখানার নির্গত বর্জ্যে পরিবেশ বিপন্ন হয়ে পড়ছে। কৃষি জমি হচ্ছে ফসলহানী। জলাশয়ের মাছ মরছে। ডায়িং কারখানাটি দিনে স্বাভাবিক হলেও রাতের অন্ধকারে বর্জ্য ফেলছে। তারা অপরিশোধিত বর্জ্য ও রঙিন দূষিত পানি সেচ খালে ছেড়ে দিচ্ছে। তাতে খামারের মাছ মরে যাচ্ছে। সকালে পুকুরের পানিতে ভেসে উঠছে মরা মাছ। তীব্র পঁচা গন্ধ ছড়াচ্ছে বাতাসে। সৃষ্ট হচ্ছে জলাবদ্ধতা।
এ ব্যাপারে খাদুন গ্রামের বাসিন্দা আমজাদ আলী ভুঁইয়া বাদী হয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও তারাবো পৌরসভা প্রশাসক মো: সাইফুল ইসলামের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, খাদুন এলাকার রনি নিট কম্পোজিট ডাইয়িং কারখানার বর্জ্য ও দূষিত পানি কৃষি জমি, মাছের খামার ও জলাশয়ে পড়ছে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ৮ লেনে উন্নীতকরণের কাজের জন্য পাশের খাল ভরাট করে ফেলা হয়। এ কারণে কারখানা কর্তৃপক্ষ রাতের অন্ধকারে পার্শবর্তী মাছের খামার, কৃষি জমি ও জলাশয়ে অপরিশোধিত ডাইংয়ের বর্জ্য ও দূষিত পানি ফেলছে। পানির রং কুচকুচে কালো। কোথাওবা রঙিন দূষিত পানি। পানির ওপর ভাসছে ফেনা। চারপাশে অসহনীয় দুর্গন্ধ। ফসলি কৃষি জমি নষ্ট হচ্ছে। পানির পঁচা দুর্গন্ধে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছে। শিক্ষার্র্থীরা নাকে মুখে রোমাল দিয়ে আাসা যাওয়া করছে। আশপাশের মানুষ পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। কেউ চর্ম রোগে ভুগছে। সৃষ্ট হচ্ছে জলাবদ্ধতা। এ ব্যাপারে রনি নিট এন্ড কম্পোজিট ডাইং কারখানার কেউ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হয়নি।
রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও তারাবো পৌরসভা প্রশাসক মো: সাইফুল ইসলাম বলেন, রনি নিট এন্ড কম্পোজিট ডায়িং কারখানার নির্গত বর্জ্যে পরিবেশ বিপর্যস্তের ঘটনায় এলাকাবাসীর দেয়া লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রিপোর্ট
নির্বাহী সম্পাদক
দৈনিক নতুন বাজার ৭১.নেট
|
|
|
|
চুুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি
শীত এখনও পুরোপুরি আসেনি, কিন্তু শিশির ভেজা ঘাস ও কুয়াশাচ্ছন্ন প্রভাত জানিয়ে দিচ্ছে আগমনের বার্তা।
এই সময়ে চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন অঞ্চলে খেজুর গাছিরা আগেভাগেই নেমে পড়েছে খেজুর গাছ প্রস্তুতের কাজে। কোমরে ডোঙা বেঁধে, হাতে ধারালো দা নিয়ে নিপুণ দক্ষতায় গাছ চাঁচছে তারা
চিরাচরিত বাংলার শীতের অনুষঙ্গ খেজুর রস, গুড় ও পাটালি। সেই সুস্বাদু রস পেতে হলে সময় থাকতে থাকতে গাছ প্রস্তুত করতে হয়।
তাই চুয়াডাঙ্গা জেলার চুুয়াডাঙ্গা সদর, আলমডাঙ্গা, দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলার গ্রামগুলোতে এখন খেজুর গাছিরা দিনভর কাজ করছেন।
কেউ গাছ তুলছেন,
কেউ পরিচর্যা করছেন, কেউবা গাছের সোনালি অংশ চাঁচ দিচ্ছেন। কয়েক সপ্তাহ পরেই এসব গাছে নলি বসিয়ে রস সংগ্রহ শুরু হবে।
প্রত্যাশা করা হচ্ছে, আগাম রস সংগ্রহ করতে পারলে রস, গুড় ও পাটালি বেশি দামে বিক্রি করে ভালো লাভ করতে পারবেন গাছিরা ও গাছের মালিকরা।
খেজুরের রস দিয়ে তৈরি নলেন গুড়, ঝোলা গুড়, দানা গুড় ও পাটালির চাহিদা গ্রামবাংলায় বরাবরই বেশি। শীত যত বাড়বে, রসের মিষ্টতাও তত বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গাছিরা জানাচ্ছেন, কাকডাকা ভোরে শুরু হবে রস সংগ্রহের কাজ, আর সন্ধ্যায় চলবে গাছ পরিচর্যা। এই ঐতিহ্যবাহী পেশা এখন নানা প্রতিকূলতায় অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে আছে।
জলবায়ু পরিবর্তন, নগরায়ন ও খেজুর গাছ রক্ষায় অনীহার কারণে অনেক গ্রামেই হারিয়ে যাচ্ছে এই ঐতিহ্য।
আগে যে জায়গাগুলোতে খেজুর গাছ ছিল সারি সারি, এখন সেখানে ফাঁকা পড়ে আছে জমি।
খেজুর গাছ শুধু রস বা গুড়ের উৎসই নয়, বরং বাংলার কৃষি সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও লোকজ জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।
খেজুর পাতাও ব্যবহৃত হয় জ্বালানি ও অন্যান্য কাজে। চুয়াডাঙ্গায় এবার সময়মতো শীত পড়ায় আগেভাগেই শুরু হয়েছে প্রস্তুতি। গাছিরা বলছেন, যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে, তবে এ বছর খেজুর রসের মৌসুম হবে বেশ সফল এবং লাভজনক।
|
|
|
|
মো: রাসেল মোল্লা
প্রবল বর্ষণে জনজীবন বিপর্যস্ত ও রূপগঞ্জ উপজেলার পূর্বাচল, দাউদপুর, রূপগঞ্জ, মুড়াপাড়া, ভোলাবো, কাঞ্চনসহ আশপাশের এলাকার সবজি চাষিদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অধিকাংশ সবজির ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। সবজি ক্ষেত বাঁচাতে পানি সরাতে প্রবল বৃষ্টির মধ্যেও মাঠে কাজ করেন চাষিরা। ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে না পারার আশঙ্কায় কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। অতি বর্ষণে রাস্তা-ঘাট ভেঙ্গে ও মাছের ঘের ভেসে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। নিম্ন আয়ের মানুষ বৃষ্টির মধ্যে বাইরে বের হতে না পেরে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
রূপগঞ্জ উপজেলার পূর্বাচল উপশহর, দাউদপুর, রূপগঞ্জ, ভোলাবো ইউনিয়নসহ আশপাশের ৫৫হেক্টর জমিতে লাউ, ৩০হেক্টর জমিতে বরবটি, ২০হেক্টর জমিতে শসা, ৪০হেক্টর জমিতে ঢেঁড়ষ, ৬০হেক্টর জমিতে চিচিঙ্গা, ৫০হেক্টর জমিতে জিঙা, ৬৫হেক্টর জমিতে চালকুমড়া, ২০হেক্টর জমিতে মিষ্টিকুমড়া, ২০হেক্টর জমিতে কড়লা, ৫০হেক্টর জমিতে পুঁইশাক, ১৪৫হেক্টর জমিতে ধুন্দল, ২০হেক্টর জমিতে ডাটা, ৫হেক্টর জমিতে কলমি শাক, ১০হেক্টর জমিতে বেগুন চাষাবাদ করা হয়েছে। অতি বর্ষণে খরিপ-২ মৌসুমের বিপুল পরিমাণ জমি সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তাতে কৃষকরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, রূপগঞ্জের পূর্বাচল উপশহর, দাউদপুর ও রূপগঞ্জ ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকার অর্ধশতাধিক গ্রামের কৃষকরা সবজি চাষাবাদ করেছেন। এখানকার জমির তিন ভাগের দুই ভাগই সবজি চাষ হয়। মাঠ জুড়ে সবজি ক্ষেত। অতি বর্ষণে সবজি গাছের চারা হলুদ বর্ণ হয়ে গেছে। কোন কোন গাছের পাতা মরে গেছে। গাছের চেহারা মলিন। ফুল নেই। ফলনও নেই। তবুও চাষিরা মাঠে কাজ করছেন। তারা বলছেন, এবারের অতি বর্ষণে সবজি চাষিরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
বর্তমানে খরিপ-২ মৌসুমের সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছিলেন কৃষকরা। এখানে মাঠের পর মাঠ জুড়ে লাউ, বরবটি, শসা, ঢেঁড়স, চিচিঙ্গা, ঝিঙা, চালকুমড়া, মিষ্টিকুমড়া, করলা, পুঁইশাক, ধুন্দল, ডাটাসহ তারা বিভিন্ন সবজি চাষ করেছিলেন। আষাঢ়ের শুরুতেই এবার ভারি বর্ষণে কৃষকরা অনেকটা কষ্ট করেই সবজি চাষে ব্যস্ত ছিলেন। হঠাৎ কয়েকদিনের ভারি বর্ষণে অধিকাংশ সবজির ক্ষেত তলিয়ে গেছে।
কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে রূপগঞ্জের পূর্বাচল উপশহর ‘সবজি জোন’ খ্যাত এ অঞ্চলের সবজির মাঠ ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এবার বর্ষা মৌসুম শুরুর প্রথম দিন থেকেই রূপগঞ্জে বৃষ্টিপাত শুরু হয়। কিছু দিন বিরতি দিয়ে আষাঢ় মাসজুড়েই বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর মধ্যে শেষের কয়েকদিনের বৃষ্টিপাত ছিল প্রবল।
বৃষ্টির মধ্যে ঝড়ো হাওয়া সবজি চাষিদের জন্য অনেকটা মরার ওপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো। বাতাসের তীব্রতার কারণে বিভিন্ন সবজির মাচা ভেঙে যেতে শুরু করেছে। যা কৃষকদের জন্য খুবই ক্ষতির কারণ। এবছর সবজির জন্য বাজারে হাহাকার দেখা দেবে। বাজারে সবজির দাম দ্বিগুণ দিয়েও মিলবেনা।
আলমপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল আলী বলেন, প্রচুর বৃষ্টির কারণে বরবটি গাছের ফুল সব ঝরে যাচ্ছে, যার কারণে কোন ফলন নেই। গাছে ফুলও বের হচ্ছে না। তাতে তিনি চরম ক্ষতিগ্রস্থ হবেন।
পশি গ্রামের কৃষক রুহুল আমিন মিল্কি বলেন, আরো বৃষ্টি হলে সবজি গাছের চারা বাঁচানো সম্ভব হবে না। তিনি ধারদেনা করে জমি লিজ নিয়ে এবার চিচিঙ্গা ও জিঙার চাষ করেছিলেন। এবারের অতি বর্ষণে তার ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।
দেবই গ্রামের কৃষক সিরাজুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টিতে তাদের বেগুন ক্ষেতের সব চেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে।
কালনী গ্রামের কৃষক মিঠু মিয়া বলেন, এই বৃষ্টির পর রোদে সবজি গাছের গোড়ায় জমে থাকা পানি গরম হয়ে সব সবজি গাছের পচন দেখা দিয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে হয়তো গাছগুলো মরে যাবে।
দক্ষিণবাগ গ্রামের মাছ চাষি ইমান আলী বলেন, যেভাবে বৃষ্টি হচ্ছে তাতে এলাকার সকল ঘের ভেসে একাকার হয়ে যাবে। এতে মাছ চাষিদের ব্যাপক ক্ষতি হবে।
রূপগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার আফরোজা সুলতানা বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হলে সবসময়ই কৃষি মন্ত্রণালয় তাদের প্রণোদনা দিয়ে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চেষ্টা করে। প্রত্যেক বছরের ন্যায় ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কৃষি মন্ত্রণালয় এবারো কৃষকদের পাশে থাকবেন বলে আমি আশা করছি।
রিপোর্ট
নির্বাহী সম্পাদক
দৈনিক নতুন বাজার৭১.নেট
|
|
|
|
স্টাফরিপোর্টার
মিজানুর রহমান,
সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়া সহ আশপাশে কয়েক উপজেলার এক সময় বেকার যুবক মৌমাছি চাষ করে তারা তাদের বেকারত্বকে হটিয়ে এখন স্বাবলম্বির পথে, একসময় অনেকেই শিক্ষা জীবন শেষ করে সরকারি কোন চাকরি না পেয়ে তারা পিছু হটেনি, তারা মৌমাছিকে নিজেদের এনে চাষ প্রশিক্ষণ শিখে তারা অনেকেই এখন স্বাবলম্বী পথে। সরকার সুদৃষ্টি দিলে এই খাত থেকে সরকারি অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে সক্ষম।এসব মধু খামারীদের সাথে কথা বলে জানা যায় তাদের এখনো অনেক কিছুর ঘাটতি আছে যদি সরকারিভাবে আরো প্রশিক্ষণ ও তাদের ক্ষুদ্র ঋণের সহায়তা করে তাহলে এই খাত থেকে আরও অনেক বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব বলে জানিয়েছে এখানকার মৌচাষী খামারিরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায় যখন এক জেলা থেকে অন্য জেলাতে যখন তারা মধু সংগ্রহ করার জন্য যায়। তখন তাদের পরিবহন সেক্টর সহ অন্য এলাকায় বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষ জন,তারা এই চাষ সম্বন্ধে তাদের ভুল ধারণা থাকার কারণে,তাদেরকে খামার বা বক্স প্রতিস্থাপন করতে বাঁধা প্রদান করে থাকে।
তাদের ধারণা মৌমাছি যদি কোন ফসলিক ক্ষেতের আশেপাশে থাকে তাহলে নাকি ওইসব ফসলের ক্ষতি সাধন হয় কিন্তু মৌমাছি যেসব এলাকায় বা যেসব খেতে মৌমাছি মধু সংগ্রহ করে ওইসব ফসলি আরো পাঁচ থেকে দশ গুণ আরো ফলন বৃদ্ধি হয়। তাই প্রতিটি এলাকাতে সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তা যদি প্রান্তিক কৃষকদেরকে এসব বিষয়ে অবহিত করে বুঝাতে সক্ষম হয় তবে তাদেরকে এই ধরনের সমস্যায় সম্মুখীন হতে হবে না।
তাই এসব মৌমাছি খামারীদের দাবি যাতে সরকার প্রতিটি এলাকার সংশ্লিষ্ট থানা ও কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে খামারীদেরকে যদি সহায়তা করে তাহলে তারা আরো সহজে বিভিন্ন প্রান্তে গিয়ে মধু সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়ে হবে
|
|
|
|
|
স্টাফ রিপোর্টার
২৫ জুন বুধবার সকালে প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ অ্যান্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে বিষ ও কীটনাশকমুক্ত ফল, ফসল ও সবজি আবাদের লক্ষ্যে কৃষকদের নিয়ে পার্টনার কংগ্রেস ফটিকছড়ি উপজেলা হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কীটনাশক ও ফরমালিনমুক্ত ফল, সবজি ও ফসল উৎপাদনে বিশেষ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। মাঠপর্যায়ে এ কার্যক্রম ইতিমধ্যেই ভালো সাড়া ফেলেছে।
এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আবু সালেক।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী তন্ময় নাথ, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ড. সেলিম রেজা, উপজেলা মৎস্য অফিসার আজিজুল ইসলাম, জনস্বাস্থ্যের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. রাশেদুজ্জামান, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম সহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষি সম্প্রসারণের উপকারভোগী কৃষকবৃন্দ প্রমুখ।
|
|
|
|
মিজানুর রহমান
স্টাফ রিপোর্টার
প্রকল্পের নাম হতদরিদ্রদের মাঝে উন্নতজাতের গাভীর বাছুর বিতরণ। বরাদ্দ রয়েছে ৫ লাখ টাকা। সুফলভোগী দুস্থ ১০ নারী। কিন্তু তাদের প্রশিক্ষণের নামে বাছুর দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে বাছুর হাতে ছবি তুলে খিচুড়ির প্যাকেট দিয়ে বিদায় করে দেওয়া হয়েছে। কাউকে বাছুর দেওয়া হয়নি। খামার থেকে ১০টি বাছুর এনে ছবি তোলা শেষে আবার খামারেই ফেরত পাঠানো হয় সেই বাছুরগুলো।
গরু না পাওয়ায় হতাশ ওই সব গরিব দুস্থ নারীরা। ফটোসেশনের দুই সপ্তাহ পার হলেও এখনও তাদের বাছুর বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। প্রকল্পের টাকা পুরোটাই আত্মসাতের অপচেষ্টা করা হয়েছে। এমনই গুরুতর অভিযোগ উঠেছে পাবনার চাটমোহর উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের রেলবাজার এলাকার মানবসেবা উন্নয়ন সংস্থা নামে একটি এনজিওর নির্বাহী পরিচালক এম এস আলম বাবলুর বিরুদ্ধে।
ভুঙক্তভোগী ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ৩০ ডিসেম্বর সকালে বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের (বিএনএফ) আর্থিক সহায়তায় মানবসেবা উন্নয়ন সংস্থা এনজিওর উদ্যোগে ১০ জন দুস্থ নারীকে গাভীর বাছুর দেওয়ার কথা বলে রেলবাজারে নিয়ে আসা হয়। নিজের পরিচিত একটি খামার থেকে ১০টি গাভীর বাছুর গাড়িতে করে নিয়ে আসেন এনজিওটির নির্বাহী পরিচালক এম এস আলম বাবলু। এরপর এলাকার কিছু ব্যক্তিকে তার বাসভবন সংলগ্ন এনজিওর সামনে ডেকে এনে ১০ জন নারীকে দাঁড় করিয়ে গরু দেওয়ার ফটোসেশন করেন।
পরে ওই সব নারীদের গাভীর বাছুর না দিয়ে ডিম-খিচুড়ির প্যাকেট দিয়ে বিদায় করা হয়। এরপর বাছুরগুলো আবার একই গাড়িতে করে একই খামারে ফেরত দিয়ে আসা হয়। সেখানে উপস্থিত অনেকেই গরু প্রদানের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাহী পরিচালক বাবলু জানান পরে দেওয়া হবে।
কুবিরদিয়ার মাঠপাড়া গ্রামের আলম হোসেনের মেয়ে খুশি খাতুন বাবার বাড়িতে এক ছেলে এক মেয়ে নিয়ে বসবাস করেন। অন্যের বাড়িতে ও মাঠে দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালান।
তিনি বলেন, ট্রেনিং এর কথা বলে আমাকে ডেকে নিয়ে আসছে। গাভীর বাছুর হাতে ধরিয়ে ছবি তোলে। কিন্তু আমাকে গাভীর দেয় নাই। বলছে এবার অন্য এলাকার লোকদের দেব, পরেরবার তোমাকে দেব। পরে খিচুরি ডিম খাওয়ায়ে বিদায় করছে। বাবলু কাকা ত্যাড়া মানুষ। বেশি কথা বললে আবার ধমক দেয়। তাই আর কিছু বলার সাহস পাই নাই।
খুশি আরও বলেন, এর আগে একবার আমাকে একটা ছাগল দিয়েছিল বাবলু কাকা। তবে সেজন্য আমার কাছ থেকে নগদ ১৩০০ টাকা নিয়েছিল। এছাড়া পরে একটি গর্ভবতী ছাগলও নিয়েছিল
অন্যের বাড়িতে রান্নার কাজ করে সংসার চালানো এক গৃহবধূ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমাদের গাভী দেওয়ার কথা বলে ট্রেনিং ডেকে নেয়। তারপর ট্রেনিং শেষে আমাদের বাছুর হাতে দিয়ে ছবি তুলে বিদায় করেছে। বলছে, এখন না, পরে দেব। এখন পর্যন্ত পাইনি। ট্রেনিং এ আমরা বিভিন্ন গ্রামের দশজন মহিলা ছিলাম।
যে গাড়িতে গরুর বাছুরগুলো আনা নেওয়া করেছে সেই গাড়িচালক শুভ দাস বলেন, ওইদিন আমার গাড়ি নিয়ে মথুরাপুর এলাকার একটি গরুর খামার থেকে ১০টা বাছুর নিয়ে রেলবাজার বাবলু সাহেবের বাসার সামনে নেয়। পরে অনুষ্ঠান শেষে ওখান থেকে ওই বাছুরগুলো আবার মথুরাপুরের একই খামারে নামিয়ে দেওয়া হয়। এর বেশি কিছু জানা নেই।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত এনজিও মানবসেবা উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক এম এস আলম বাবলু বলেন, আমরা ১০ জন ছাড়াও আরও কয়েকজনকে ডেকেছিলাম। তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ১০ জনকে গাভীর বাছুর দেওয়া হয়েছে। বাকিদের পরের প্রকল্পে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। এখানে কোনো অনিয়ম হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুসা নাসের চৌধুরী বলেন, আমাকে অতিথি করে দাওয়াত দিয়েছিলেন, কিন্তু ব্যস্ততার কারণে যেতে পারিনি। প্রকল্পটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা নেই। তবে আমার অফিসে প্রত্যয়ন দেওয়ার কথা রয়েছে। তিনি প্রত্যয়ন নেওয়ার জন্য রিপোর্ট অফিসে জমা দিয়েছেন কি না দেখে বলতে পারব। তবে এরকম অভিযোগ থাকলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে সে মোতাবেক প্রত্যয়ন দেওয়া হবে।
বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের (বিএনএফ) উপ-মহাব্যবস্থাপক (কর্মসূচি) মোস্তফা কামাল ভূঞার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিশেষ প্রকল্পের আওতায় মানবসেবা উন্নয়ন সংস্থা নামের এনজিওকে আমরা ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছি। তার মধ্যে প্রথম অবস্থায় ৩ লাখ টাকা দিয়েছি। কার্যক্রম সন্তোষজনক রিপোর্ট পেলে তাকে বাকি ২ লাখ টাকা দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, এ প্রকল্পে সংশ্লিষ্ট ইউএনও বা তার প্রতিনিধিকে একীভূত করে কাজ করার নির্দেশনা রয়েছে। কারণ প্রকল্প বাস্তবায়নের রিপোর্টে ইউএনওর প্রত্যয়ন লাগবে। ১৫/২০ দিনের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। এখনও তার রিপোর্ট হাতে পাইনি। আমরা বিষয়টি পর্যক্ষেণ করছি। রিপোর্ট আসার পর যাচাই-বাছাই করে দেখব, ঘাপলা পেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
|
|
|
|
মোঃ আফজাল হোসেন,
দিনাজপুর প্রতিনিধি
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার পৌরসভা এলাকার সজনপুকুর গ্রামে কৃষক সাজ্জাদ হোসেনের বীজতলায় বিষাক্ত কীটনাশক স্প্রে করে বোরো ধানের চারা পুড়িয়ে দেন।
ফুলবাড়ী উপজেলার পৌরসভা এলাকার সজনপুকুর গ্রামের মৃত ছলেমনের পুত্র মোঃ সাজ্জাদ হোসেন (৭০) এর অভিযোগে জানা যায়, সজনপুকুর গ্রামে রাস্তার ধার সংলগ্ন তার ১৪ শতক জমিতে বোরো ধান চাষের জন্য বোরো ধানের বীজ বপণ করেন। চারাও বড় হয়েছিল। কিন্তু একই গ্রামের মৃত মোজাহার আলীর পুত্র মোঃ আজাহার ও আবু আব্বাসের পুত্র মোঃ জাকির জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে তার বোরো ধানের চারার ক্ষেতে বিষাক্ত কীটনাশক স্প্রে করে পুড়িয়ে দেন। এই ঘটনা সাজ্জাদ হোসেনের পুত্র আসমান দেখে ফেলেন এবং জমির মালিককে বিষয়টি অবগত করেন। এরপর গত ০১/০১/২০২৫খ্রি. তারিখে বিকালে জমির মালিক সাজ্জাদ হোসেন বীজতলা এলাকায় গিয়ে দেখেন তার বোরো ধানের চারা বীজতলা পুড়িয়ে দেন। কৃষক সাজ্জাদ হোসেন তার বীজতলার এই বীজ দিয়ে প্রায় ৭ বিঘা জমিতে বোরো ধানের চারা রোপণ করতেন। এই ঘটনায় জমির মালিক সাজ্জাদ হোসেনের অফুরন্ত ক্ষতিসাধন হয়। এ বিষয়ে জমির মালিক কৃষক সাজ্জাদ হোসেন ফুলবাড়ী থানায় অভিযোগ করবেন বলে জানান।
|
|
|
|
রূপগঞ্জ(নারায়ণগঞ্জ):প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা কৃষকদল গতকাল ৩০ডিসেম্বর সোমবার সভা ও শোভাযাত্রা করেছে। বাংলাদেশের সংখ্যা গরিষ্ঠ কৃষক জনগোষ্ঠিকে সংগঠিত করার লক্ষ্যে কৃষক সমাবেশের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের রূপগঞ্জের ভুলতা এলাকায় আয়োজিত কৃষকদলের এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ভুলতা ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি নুরুজ্জামান ভুঁইয়া।
সভায় বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ জেলা কৃষকদলের আহবায়ক ডা. শাহিন, রূপগঞ্জ থানা কৃষকদলের সভাপতি আলম মিয়া, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুর রহমান, তারাবো পৌরসভা কৃষকদলের সভাপতি বেলায়েত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক বাদল ভুঁইয়া, কাঞ্চন পৌরসভা কৃষকদলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম, কায়েতপাড়া ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি মোক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান, রূপগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি মোমেন মিয়া, সাধারণ সম্পাদক ফারুক মিয়া, মুড়াপাড়া ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি আক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, ভুলতা ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, গোলাকান্দাইল ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি আল-আমিন, সাধারণ সম্পাদক শাহিন মিয়া, ভোলাবো ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি মোজাম্মেল হক, সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান, দাউদপুর ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি তুষার, সাধারণ সম্পাদক নাঈম হিরা প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কৃষকরা অবহেলিত। কৃষকদের সার, বীজ ন্যায্য মূল্যে দিতে হবে। উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করণে সহযোগিতা করতে হবে। কৃষকদের মূল্যায়ণ করতে হবে। অন্যথায় ফসল ফলবে না।
পরে শোভাযাত্রা নিয়ে তারা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতা এলাকা প্রদক্ষিণ করে।
|
|
|
|
|
মোঃ আফজাল হোসেন,
দিনাজপুর প্রতিনিধি-
দিনাজপুরের ফুলবাড়ি উপজেলা কৃষি অফিস কতৃক সরকারি কৃষি প্রনোদনা সরুপ উপশী আমন চাষের জন্য বীজ ও সার বিতরন করা হয়। গতকাল সোমবার দুপুর ১টায় ফুলবাড়ী উপজেলা চত্তরে কৃষি অফিসের আয়োজনে কৃষকদের মাঝে প্রনোদনার বীজ ও সার বিতরণ করেন। ৭টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার মোট ১৯০০ কৃষকের মাঝে এই সরকারি প্রনোদনার বীজ ও সার বিতরন করা হয়। ১৯০০ কৃষকের মাঝে জন প্রতি ১০ কেজি পটাশ ১০ কেজি ড্যাপ ও ৫ কেজি উফশী জাতের আমোন ধানের বীজ বিতরন করা হয়।
উক্ত বীজ ও সার বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বীজ ও সার বিতরনের উদ্বোধন করেন, ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর মোঃ আল কামাহ্ তমাল, ফুলবাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছাঃ রুম্মান আকতার ও সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শাহিনুর ইসলাম সহ ফুলবাড়ী কৃষি অফিসের অন্যান্য কর্মচারীগন উপস্থিত থেকে বিতরন কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এসময় ফুলবাড়ী উপজেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিক গন উপস্থিত ছিলেন।
|
|
|
|
|
মোঃ আফজাল হোসেন,
দিনাজপুর প্রতিনিধি
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর মাধ্যমে দুজন কৃষকে ধান কাটা দুটি মেশিন বিতরণ করেন। গতকাল বুধবার দুপুর ১২টায় উপজেলা চত্ত¡রে ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আল কামাহ তমাল এর নির্দেশে উপজেলা কৃষিবিদ মোছাঃ রুম্মান আক্তার ফুলবাড়ী উপজেলার বেতদিঘী ইউপির তাহের মন্ডল এর পুত্র কৃষক মোঃ এনামুল হক ও কাহিজাল ইউপির চকিয়াপাড়া গ্রামের তৈয়ব উদ্দীন এর পুত্র কৃষক মোঃ আনসারুল ইসলাম সহ দুন জন কৃষক এর মাঝে সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকরণ প্রকল্পের উন্নয়নের আওতায় ৫০% ভর্তূকি কার্যক্রমের আওতায় দুজন কৃষকে কম্বাইন হারভেস্টার মেশিনের চাবি তুলে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ফুলবাড়ী উপজেলা কৃষিবিদ মোছাঃ রুম্মান আক্তার সহ কৃষি অফিসের সকল কর্মকর্তা কর্মচারী ও প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। আয়োজনে ছিলেন ফুলবাড়ী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
|
|
|
|
মোঃ আফজাল হোসেন,
দিনাজপুর প্রতিনিধি
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউপির চক্কবির গ্রামে কৃষক সৈয়দ রবিউল ইসলাম এর লাগানো ধান প্রতিপক্ষ সৈয়দ তরিকুল ইসলাম জমির মালিক দাবী করে কেটে নেওয়া হুমকি দেন।
ফুলবাড়ী উপজেলা শিবনগর ইউপির চক্কবির গ্রামে মৃত সৈয়দ নজরুল ইসলাম এর পুত্র সৈয়দ রবিউল ইসলাম এর অভিযোগ সূত্রে জানা যায় যে, চক্কবির মৌজার ২৫৩খতিয়ানে, খারিজ ২২৪, ১৬ শতক এর মধ্যে ৮ শতক জমি ওয়ারিশ সূত্রে দীর্ঘদিন ধরে ভোগ দখল করে আসছেন। চলতি বছর দিনমজুর কৃষক সৈয়দ রবিউল ইসলাম ঐ জমিতে ইরি বোর ধান চাষ করেন। তিনি উক্ত জমি মৌখিক বন্টন ও খারিজ সূত্রে জমির মালিক। অপর দিকে একই গ্রামের মৃত আমিনুল ইসলাম এর পূত্র সৈয়দ তরিকুল ইসলাম ও তার ভাই শরিফুল ইসলাম ঐ ৮ শতক জমি নিজেদের দাবী করে তার লাগানো ধান কেটে নিয়ে যাওয়ার ষড়যন্ত্র করছেন। উল্লেখ্য যে, সৈয়দ তরিকুল ইসলাম ও শরিফুল ইসলাম ৭৫৫ দাগে ১০ শতক, ৭২৪ দাগে ২৫ শতক, ৬৩৮ দাগে ৩০ শতক ২৫১ দাগে ১৫ শতক জমি ইতি পূর্বে বিক্রি করে দেন। এখন তারা সৈয়দ রবিউল ইসলাম এর এই জমিটুকু দখল করার জন্য এবং জমিতে লাগানো ধান কেটে নেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র করছেন।
এ বিষয়ে সৈয়দ রবিউল ইসলাম জানান, উক্ত জমি ওয়ারিশ সূত্রে আমি মালিক। সেই জমিতে আমি এবার ইরি বোর ধান চাষ করি। এখন প্রতিপক্ষরা আমার লাগানো ধান কেটে নিয়ে যাওয়ার ষড়যন্ত্র করছেন। আমি প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচার চাই।
|
|
|
|
|
মোঃ জুলহাজুল কবীর
নবাবগঞ্জ, দিনাজপুর প্রতিনিধি
সারা দেশের সাথে সংগতি রেখে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর এর আয়োজনে, প্রাণিসম্পদ ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল প্রাঙ্গনে বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) বেলা ১১টায় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর ভার্চুয়াল শুভ উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রাণী সম্পদে ভরবো দেশ,গড়বো স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে প্রাণী সম্পদ প্রদর্শনী-২০২৪ উদ্বোধনী /সমাপনী অনুষ্ঠান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আনিসুর রহমান এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আতাউর রহমান , মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ পারুল বেগম প্রমুখ।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আসাদুজ্জামান । উপস্থাপনায় ছিলেন উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ অজয় চন্দ্র। এ মেলায় উপজেলার বিভিন্ন খামার থেকে উন্নত জাতের গরু, ছাগল, হাস মুরগী, কবুতরসহ বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির পণ্য মেলায় স্টল দিয়ে প্রদর্শন করা হয়।
|
|
|
|
ইব্রাহীম মিঞা, বিরামপুর(দিনাজপুর)প্রতিনিধিঃ দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলায় সাথী ফসলের চাষ ব্যাপক হারে বাড়ছে। বর্তমানে সাথী ফসলসহ দুই বা তারও বেশি ধরনের ফসল চাষ করা হচ্ছে ছোট যমুনা নদী বিধৌত বিরামপুরে।
মূলত কৃষি ও মৎস চাষ এ উপজেলার মানুষের প্রধান আয়ের উৎস। এখানকার কৃষকরা আগে ফসলি জমিতে শুধু ধান চাষ করতেন। তাতে খুব একটা লাভ হতো না তাদের। এখন তারা জমিতে চাষ করছেন সাথী ফসল। ফলে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে একই সঙ্গে একাধিক ফসল চাষ।
বিরামপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস জানান, কৃষি খাতকে উন্নয়নমুখী ও লাভজনক করতে বিরামপুর উপজেলার জমিকে দুই ফসলি করার চেষ্টা চলছে। তারই ধারাবাহিকতা এই সাথী ফসল চাষ। সাথী ফসল হিসেবে প্রাধান্য পাচ্ছে সবজি।
বিরামপুর উপজেলার পৌরশহরের ৬ নং ওয়ার্ডের হাবিবপুর রামপুরা গ্রামের মৃত কাছাব উদ্দিনের ছেলে কৃষক আব্দুল কাদের এ বছর সাথী ফসল হিসেবে করলার সাথে শসা,লাউ এবং ফুল কপির সাথে কাঁচা মরিচ চাষ করেছেন। তিনি জানান করলার সাথে শসা এবং করলা তোলা শেষ। এখন চলছে লাউয়ের পরিচর্যা। এ বছর প্রায় ১৩২ শতাংশ (৪ বিঘা) জমিতে সাথী ফসল চাষ করেছেন বলে তিনি জানান।
তিনি ২ বিঘা জমিতে করলার সাথে শসা,লাউ আবাদ করছেন।ইতি মধ্যে সে ৭০ হাজার টাকা করলা বিক্রয় করেছেন এবং আরো ৮০ হাজার টাকার বিক্রয় হবে বলে তিনি আশা করছেন। এছাড়াও ১ বিঘায় ফুল কপির সাথে কাঁচা মরিচ এবং আর ১ বিঘায় ফুল কপির সাথে বাঁধা কপি চাষ করেছেন।
কৃষক আব্দুল কাদের জানান একই খরচে অল্প সময়ে দুই ফসল পাওয়ায় লাভবান তিনি। তিনি ৪ বিঘা জমি চাষে প্রায় ২ লক্ষ টাকা খরচ হয় বলে জানিয়েছেন।৪ বিঘা জমির ফসল বেশীরভাগ সময় জমিতে বিক্রয় হয় এবং মাঝে মধ্যে নিজে বাজারে বিক্রয় করে ৬ লক্ষ টাকার বেশি আয় হয়।পরপর একাধিক ফসল চাষ করে লাভবান হয়েছেন জানিয়ে কৃষক আব্দুল কাদের বলেন, তবে এ ক্ষেত্রে পরিবারের লোকজনকে শ্রম দিতে হয় বেশি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষিবিদ ফিরোজ আহমেদ জানান, বিরামপুরে ফসলি জমিকে দুই ফসলি করার জন্য উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায় বিরামপুর উপজেলায় ২৪ হেক্টর জমিতে সাথী ফসল আবাদ করা হয়েছে।তা ছাড়া সাথী ফসল চাষাবাদের প্রতি কৃষকদের আগ্রহও অনেক।সাথী ফসলে বাড়তি খরচ খুব একটা নেই বলে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা।
|
|
|
|
স্টাফ রিপোর্টার
নির্ভরযোগ্য সেবাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কৃষি যন্ত্রপাতি যেন এক জায়গায় পাওয়া যায় সে লক্ষ্যে অ্যাগ্রি মেশিনারি এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার চালু করেছে আইফার্মার। এই সেন্টার থেকে কৃষকরা স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের মেশিনারি সম্পর্কে জানা, সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা ও অর্ডার করার সুযোগ পাবেন। বগুড়ার শেরপুর ও শাজাহানপুর এবং জয়পুরহাটের কালাই, উত্তরাঞ্চলের এই তিন উপজেলায় সম্প্রতি এই এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারগুলো চালু করা হয়।
সাধারণত, কৃষি যন্ত্রপাতি কেনার ক্ষেত্রে কৃষকদের নানান দোকান ঘুরতে হয়। সেক্ষেত্রে, বেশিরভাগ সময়ই তাদের কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকে না; অনেকক্ষেত্রে তারা ওয়ারেন্টি ও ক্রয়-পরবর্তী সেবাও ঠিকমতো পান না। অনেক সময় তাদের চড়া সুদে ঋণ নিতে হয়, তাও আবার কেবলমাত্র উচ্চমূল্যের উপকরণের ক্ষেত্রেই এ সুযোগ পাওয়া যায়। কৃষকের জন্য কৃষি যন্ত্রপাতি সম্পর্কিত অভিজ্ঞতা, বিক্রয় ও প্রশিক্ষণকেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে এই অ্যাগ্রি মেশিনারি একপেরিয়েন্স সেন্টারগুলো।
সকল ব্র্যান্ড ও আমদানিকারকের ছোট, মাঝারি বা বড় সকল ধরণের যন্ত্রপাতি এখন এক জায়গাতেই পাওয়া যাবে। কৃষকরা সেখান থেকে সরাসরি অভিজ্ঞতা নিতে পারবেন ও যন্ত্রপাতি সম্পর্কিত সকল প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পারবেন। এখান থেকে ক্রয়-পরবর্তী সেবাও পাবেন তারা। চমৎকার বিষয় হচ্ছে, এসব এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার থেকে কৃষকরা যেকোনো যন্ত্রপাতি ৪ থেকে ১২ মাস মেয়াদী ইএমআই বা ক্রেডিটে কেনার সুযোগ পাবেন। সেক্ষেত্রে আর্থিক চাপ কমিয়ে আনতে সুবিধাজনক পেমেন্ট পদ্ধতিরও ব্যবস্থা থাকবে।
অসাধারণ এই উদ্যোগের বিষয়ে আইফার্মারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ফাহাদ ইফাজ বলেন, “কৃষিপ্রধান দেশ বাংলাদেশে ১ কোটি ৬৫ লাখ কৃষক পরিবার রয়েছে, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশ। তারা দেশের জিডিপিতে সাড়ে ১২ শতাংশ অবদান রাখছেন। এসব কৃষককে ওয়ান-স্টপ সমাধান দেয়াই আমাদের লক্ষ্য। কৃষি প্রক্রিয়াকে উন্নত করতে অ্যাগ্রি মেশিনারি এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার চালু করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। একটি স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য স্মার্ট কৃষির দিকে যাত্রায় এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশাবাদী আমরা।”
এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার ঘুরতে আসা কৃষক মো. আব্দুর রহিম বলেন, “আইফার্মার চমৎকার একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আমি গত ৯ মাস ধরে তাদের সেবা নিচ্ছি। আমি তাদের কম খরচের আর্থিক সহায়তা নেয়া শুরু করেছি এবং সম্প্রতি ইএমআই দিয়ে তাদের কাছ থেকে পাওয়ার টিলার কিনেছি। এতে করে আমার ওপর অনেকখানি চাপ কমেছে। আগে আমাদের যন্ত্রপাতির খরচ নিয়ে অনেক বেশি দুশ্চিন্তা করতে হতো, কিন্তু এখন আমরা আমাদের ফসলের জন্য খুব সহজেই যন্ত্রপাতি পেয়ে যাচ্ছি, আবার তা পরিশোধও করছি আস্তে আস্তে। এই এক্সপেরিয়েন্স সেন্টারের সিস্টেম আমার ভালো লেগেছে, কারণ এখানে আমরা কেনার আগেই বিভিন্ন রকম যন্ত্রপাতি সম্পর্কে ধারণা পাচ্ছি।”
আইফার্মার বর্তমানে তিনটি এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার নিয়ে কাজ করছে। তবে, সামনের দিনগুলোতে প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় অ্যাগ্রি মেশিনারি এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ নূরে আলম। অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের পাশাপাশি আরও উপস্থিত ছিলেন আইফার্মারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ফাহাদ ইফাজ এবং আইফার্মারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা জামিল মহিউদ্দিন আকবর ৷
|
|
|
|
সারওয়ার আলম মুকুল,
কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি ঃ
রংপুরের কাউনিয়ায় নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না জাল দিয়ে অবাধে চলছে মাছ শিকার। ফলে বিলুপ্তি ও চরম হুমকিতে রয়েছে দেশীয় প্রজাতির মাছসহ বিভিন্ন প্রকার জলজ প্রাণী। নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের পর বর্তমানে বেশী চালু হয়েছে চায়না দুয়ারী রিং জালের ব্যবহার। চায়না জাল ও কারেন্ট জালে নদ-নদী, খাল-বিল জুড়ে ব্যবহার হচ্ছে। ফলে প্রাকৃতিক ভাবে উৎপাদিত দেশীয় মাছ ধরা পড়ছে চায়না জালে। এতে করে দিনদিন মাছ শূন্য হয়ে পড়ছে নদ-নদী, খাল-বিল ও ডোবা-নালা গুলো। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার এক শ্রেণির ব্যবসায়ীরা বাজার বিক্রি করছে ভংঙ্কর এসব জাল, আর এক শ্রেণীর মানুষ চায়না জাল ও কারেন্ট জাল কিনে নদীসহ বিভিন্ন জলাশয়ে অবাধে মাছ শিকার করছে। প্রতিনিয়তই মাছ ধরার এমন দৃশ্য চোখে পড়ে।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন জলাশয় ঘুরে দেখাগেছে এক শ্রেণির মৎস্য শিকারি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে কারেন্ট ও রিং জাল দিয়ে মাছ নিধনে। নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের পর এবার ভয়ঙ্কর চায়না জালের ফাঁদে দেশীয় প্রজাতির মাছ। জালে ধরা পড়ে শুধু মাছই নয়, জলাশয়ে থাকা কোনো জলজ প্রাণীও রক্ষা পাচ্ছে না। চলতি মৌসুমে বৃষ্টি কম হওয়ায় অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারে মাছের প্রজননও কম হয়েছে। এরপর নিষিদ্ধ কারেন্ট ও রিং জালের ব্যবহারে দেশীয় প্রজাতির মাছের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে উপজেলার জেলে পরিবার গুলো অসহায় হয়ে পড়েছে। উপজেলার ১টি পৌরসভাসহ ৬টি ইউনিয়নে সহ¯্রাধিক জেলে পরিবার রয়েছে। তারা সারা বছর মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে। বর্ষা মৌসুমের শেষের দিকে এসে কিছুটা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু অসাধু মাছ শিকারির রিং জালে এসব মাছ ধরা পড়ায় মাছের প্রজনন বৃদ্ধি চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে এক দিকে যেমন দেখা দিয়েছে মাছের সংকট অন্যদিকে বিপাকে পড়েছে জেলে পরিবার। এভাবে কারেন্ট ও চায়না জাল দিয়ে মাছ ধরলে কিছুদিন পর নদীতে আর কোনো মাছ পাওয়া যাবে না। এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার বলেন, সকল প্রকার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও চায়না জাল দিয়ে মাছ শিকার করা বেআইনি। মাছ শিকারে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার না করার জন্য প্রচার প্রচারণা চলমান রয়েছে। আমরা নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মহিদুল হক বলেন, এই নিষিদ্ধ জাল দিয়ে মাছ শিকার আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। এই নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান অভিযান পরিচালনা করা হবে।
|
|
|
|
কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধি ঃ
ভারতের গজল ডোবায় তিস্তা নদীর বাঁধের সবগুলো জলকপাট খুলে দেয়ায় বাংলাদেশের ডালিয়া পয়েন্টে হঠাৎ করেই পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পানি ছেরে দিলে রংপুরের কাউনিয়া ও লালমনিরহাট সদরের গোকুন্ডা ইউনিয়নে তিসতা ডিগ্রী কলেজসহ নি¤œাঞ্চলের গ্রামগুলো প্লাবিত হয়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, হঠাৎ করে তিস্তা নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে তিসতা ডিগ্রী কলেজ মাঠে পানি জমে যায়, সেই পানিতে পাট চাষিরা তাদের জাক দেয়া পাট মনে আনন্দে ধুয়ে নিচ্ছে। পাট ধোয়া একজন শ্রমিক জানান, বেশ কিছু দিন বৃষ্টি ছিল না, হঠাৎ তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেকের ফসলের ক্ষতি হয়েছে কিন্তু আমাদের পাট ধোয়ার জন্য সুবিধা হয়েছে। কলেজ মাঠে শান্তি মতো পাট ধুতে পাচ্ছি। তিসতা কলেজের অধ্যক্ষ আলহাজ¦ আব্দুস সালাম আজাদ জানান, গত রাতে হঠাত করে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়ে কলেজ পাঠে প্রায় এক বুক পানি জমে যায়। এখন পানি কমতে শুরু করেছে। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আসফাউদদৌলা বলেন, পরিস্থতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যারাজের সব (৪৪) জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। লালমনিরহাট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন বলেন, `তিস্তার পানি গত সোমবার রাতে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে কিন্তু এখনো বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি। তবে তিস্তাপাড়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
| |
| |
|
|
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ এম.এ মান্নান > নির্বাহী সম্পাদক: মো: রাসেল মোল্লা
উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি: হাজী ইউসুফ চৌধুরী নাঈম ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ খন্দকার আজমল হোসেন বাবু, সহ সম্পাদক: কাওসার আহমেদ । প্রধান বার্তা সম্পাদক: আবু ইউসুফ আলী মন্ডল, সহকারী-বার্তা সম্পাদক শারমিন আক্তার মিলি। ফোন: বার্তা বিভাগ 01618868682- 01914220053, সম্পাদক ও প্রকাশক: 01980716232
ঠিকানাঃ বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়- নারায়ণগঞ্জ, সম্পাদকীয় কার্যালয়- জাকের ভিলা, হাজী মিয়াজ উদ্দিন স্কয়ার মামুদপুর, ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ। শাখা অফিস : নিজস্ব ভবন, সুলপান্দী, পোঃ বালিয়াপাড়া, আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ-১৪৬০, রেজিস্ট্রেশন নং 134 / নিবন্ধন নং 69 মোবাইল : 01731190131,E-mail- notunbazar2015@gmail.com, E-mail : mannannews0@gmail.com, web: notunbazar71.net,
|
|
| |
|