পটুয়াখালী জেলাধীন বাউফল উপজেলার বগা ইউনিয়ন কায়না গ্রামের আবদুল মন্নান তালুকদার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরীর কথা বলে অনেক লোকের কাছ থেকে প্রায় ১ (এক) কোটি টাকার মত হাতিয়ে নেন। নিজের বসত বাড়ীতে বহুতল ভবন নির্মাণ করেন। যারা টাকা দিয়েছেন তারা টাকার ফেরৎ দেওয়ার জন্য বললে আবদুল মন্নান তালুকদার তাদের বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদান করে। তার ছোট ছেলে মোঃ কামাল তালুকদার এক সিন্ডিকেট কোরাম ব্যবসার সাথে জড়িত। পিলার, টক্কনাত এর কথা বলে সাধারণ মানুষকে ধোকা দিয়ে অবৈধ টাকায় পিতার ভবনের পাশে ছাদ বিশিষ্ট্য অন্য একটি ভবন নির্মাণ করেন। আবদুল মন্নান তালুকদারের চাচাতো ভাইয়ের মেয়ের জামাতা পটুয়াখালী সদর উপজেলার ছেলে। তাকে ব্যবসার লোভ দেখিয়ে কয়েক লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে। টাকা ফেরৎ চাইতে গেলে আবদুল মন্নান তালুকদারের সন্ত্রাস বাহিনী দিয়ে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে। এতে করে অনেক প্রাণের ভয়ে ওনার বিরুদ্ধে কেউ কোন অভিযোগ করে না। হঠাৎ তার ছোট ছেলে মোঃ কামাল তালুকদার একদিন পটুয়াখালী সদরে যান। তখন পাওনাদারা তাকে আটকে টাকা ফেরৎ দেওয়ার জন্য বলেন। কিস্তু তখন মোঃ কামাল তালুকদার বাউফল উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব হাওলাদারকে তাৎক্ষনিক ফোন করে বিষয়টি জানান। আবদুল মোতালেব হাওলাদার সকল পাওনাদারকে আশ^স্ত করেন তিনি স্থানীয়ভাবে বিষয়টি সুরাহা করে দিবেন। তার কথার প্রতিশ্রæতি অনুযায়ী তখন মোঃ কামাল তালুকদারকে তারা ছেড়ে দেন। এরপর আবদুল মন্নান তালুকদার ও অনুসারিরা আবদুল মোতালেব হাওলাদারের ছত্র ছায়ায় বিভিন্ন অপকর্ম করতে থাকে। আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর তারা এখন স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিদের আস্থাভাজন হওয়ার চেষ্টা করছে।